• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • SSC: 'নেপথ্যে কারা, বের করবই', SSC-র নিয়োগে 'দুর্নীতি' তদন্তে এবার CBI? নজর দুপুর তিনটেয়

SSC: 'নেপথ্যে কারা, বের করবই', SSC-র নিয়োগে 'দুর্নীতি' তদন্তে এবার CBI? নজর দুপুর তিনটেয়

কড়া পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের

কড়া পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের

SSC: মামলাকারীর দাবি ছিল, মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও জাল নথি তৈরি করে বেআইনিভাবে চতুর্থ শ্রেণির একাধিক কর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনে। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এদিন বিস্ময় প্রকাশ করে আদালত।

  • Share this:

#কলকাতা: মঙ্গলবারের পর বুধবার। কলকাতা হাইকোর্টের চরম ভর্ৎসনার মুখে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের সচিবকে ব্যক্তিগত হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মামলাকারীর দাবি ছিল, মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও জাল নথি তৈরি করে বেআইনিভাবে চতুর্থ শ্রেণির একাধিক কর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনে। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এদিন বিস্ময় প্রকাশ করে আদালত।

আর সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রীতিমতো সিবিআই তদন্তের হুঁশিয়ারি দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এদিন বলেন, ''আজ দুপুর ৩টের মধ্যে সব তথ্য আদালতে জমা দিতেই হবে। আর কোনও সময় দেওয়া হবে না এর জন্য। প্রয়োজনে সিআইসিএফ, আইবি, সিবিআই এসএসসি অফিস ঘিরে থাকবে। এর পিছনে কে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবেই। কেন ওই চতুর্থ শ্রেণীর কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি মেনে চলা হয়েছে, তার মেমো নম্বর কী ছিল, সমস্ত কিছুই খতিয়ে হবে।''

আরও পড়ুন: ত্রিপুরায় কাদের পাঠিয়েছে তৃণমূল? দিলীপ ঘোষের দাবিতে বিতর্ক

এখানেই থামেননি বিচারপতি। তাঁর কথায়, ''কমিশনের কোনও কর্মীকে বাইরে যেতে দেব না। সিবিআই-কে পাঠিয়ে সমস্ত কম্পিউটারের সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হবে। আর এই সময়কালের মধ্যে আঞ্চলিক অফিসের সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগ করা যাবে না। আদালতের নির্দেশ ছাড়া কোনও কম্পিউটার ব্যবহারেও করা যাবে না।'' যদিও এদিন আদালতে হাজির হয়ে কমিশনের সচিব বলেন, নর্দান আঞ্চলিক অফিস থেকে ওই নিয়োগ করা করেছিল।

আরও পড়ুন: BJP-র অন্দরে বিড়ম্বনা বাড়ল শুভেন্দু অধিকারীর, এবার পদত্যাগ হাওড়া জেলা সম্পাদকের!

চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নিয়োগের নথি আদৌ সত্য়ি কি না, তা জানতে চেয়েই এদিন স্কুল সার্ভিস কমিশনের সচিবকে আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছিল বিচারপতি। সেই নিয়োগ ঘটেছিল বলেই জানান সচিব। যদিও তার আগেই বিচারপতি জানিয়ে দিয়েছিলেন, যদি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়, সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বা সিবিআই-কে তদন্তভার দেওয়া হতে পারে। এদিন দুপুর তিনটে পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। তারপরই স্পষ্ট হয়ে যাবে, সিবিআই ওই নিয়োগ মামলার তদন্ত করবে কিনা।

প্রসঙ্গত, মাস কয়েক আগেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে কলকাতা হাইকোর্টে ডেকে পাঠিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে।

Published by:Suman Biswas
First published: