corona virus btn
corona virus btn
Loading

হাইকোর্টে জোড়া স্বস্তি বিজেপির, মুকুল রায় ও জগন্নাথ সরকারের আগাম জামিন মঞ্জুর 

হাইকোর্টে জোড়া স্বস্তি বিজেপির, মুকুল রায় ও জগন্নাথ সরকারের আগাম জামিন মঞ্জুর 

লাভপুর কাণ্ডে অবশেষে রক্ষাকবচ পেলেন মুকুল রায়

  • Share this:

#কলকাতা: ...পায়ের তলা দিয়ে মেরে দিয়েছি...। এমন একটা স্লোগান বীরভূমের রাজনীতিতে অতিপরিচিত। সোশ্যাল সাইটে বারবার ভেসে ওঠা এমন ডায়লগের নেপথ্যে লাভপুরকান্ড। সেই লাভপুর কাণ্ডে অবশেষে রক্ষাকবচ পেলেন মুকুল রায়। ২০১০ সালের জুন মাসের ৩খুনের মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেলেন বিজেপি নেতা। ধানু শেখ, কুটুন শেখ এবং তুরকুন শেখ খুনের মামলায় ২০১৪ সালে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ২০ জনকে চার্জশিটে অভিযুক্ত দেখানো হয়। মনিরুল ইসলামসহ আরও ২০ জনকে চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেয় তদন্তকারী সংস্থা। নিহতদের পরিবারের জামাল শেখ কলকাতা হাইকোর্টে লাভপুর কান্ডের চার্জশিটকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করে। সেই মামলায় সেপ্টেম্বর, ২০১৯ হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, মামলার প্রথম তদন্তকারী অফিসারকে দিয়ে আবারও তদন্ত করতে হবে লাভপুর খুনের ঘটনায়। ৩ মাসের মধ্যে প্রথম তদন্তকারী অফিসারকে রিপোর্ট পেশ করতেও নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ৬ জনুয়ারি ২০২০ অতিরিক্ত চার্জশিট আদালতে পেশ করে প্রথম তদন্তকারী অফিসার। চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে দেখানো হয় বিজেপি নেতা মুকুল রায়, মনিরুল ইসলামদের। কিছুদিন আগেই মনিরুল ইসলাম, মুকুল রায়ের হাত ধরে দিল্লি থেকে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখায়। মুকুলের অভিযোগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই মামলায় মিথ্যে জড়ানো হয়েছে তাঁর নাম। বুধবার বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চ মুকুল রায়ের আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে। দুটি ৫০,০০০ টাকার বন্ডে মুকুল রায়কে আগাম জামিন দেয় আদালত। মুকুলের আইনজীবী শুভাশিস দাশগুপ্ত জানান, "লাভপুর, বোলপুর, বিশ্বভারতীতে মুকুল রায়ের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে হাইকোর্ট। তদন্তকারী অফিসার তদন্তের প্রয়োজনে মুকুল রায়কে ডাকলেই আমার মক্কেলকে হাজিরা দিতে হবে।" লাভপুরকাণ্ডে খুনের মামলায় মুকুলের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় গ্রেপ্তারি আশঙ্কা তৈরি হয়। বুধবার হাইকোর্টের নির্দেশের পর স্বস্তি পেলেন তিনি।

অন্যদিকে নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের মামলায় আগাম জামিন পেলেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। জগন্নাথের আইনজীবী সৌমেন সরকার এবং রবিরঞ্জন কুমার জানান, "তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে এবং প্রতিমাসে একবার সিআইডি তদন্তকারী অফিসারের মুখোমুখি হতে হবে। এই শর্তে আগাম জামিন মঞ্জুর করেছে হাইকোর্ট।" নদিয়ার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক খুনে গ্রেফতারে রক্ষাকবচ আগেই পান রাণাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে সিআইডি জিজ্ঞাসাবাদে মুখোমুখি হন বিজেপি সাংসদ। এই সময় শারীরিক অসুস্থতার কারণে কিছুদিন ভর্তি থাকতে হয় বেসরকারি হাসপাতালে। প্রসঙ্গত, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সরস্বতী পুজোর দিন নদিয়ায় খুন হন কৃষ্ণগঞ্জ এর বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। হাঁসখালী থানায় প্রথম এফআইআর-এ নাম ছিলো না রানাঘাটের জনপ্রতিনিধির। এরপর তদন্ত এগোতেই, সিআইডি চার্জশিটে উঠে আসে জগন্নাথ সরকারের নাম । এরপর সময় গড়াতেই নতুন মোড় নেয় কৃষ্ণগঞ্জ এর তৃণমূল বিধায়ক খুনের মামলা। খুনের মামলায় সন্দেহভাজন অভিযুক্ত হিসেবে জগন্নাথের বিরুদ্ধে আরও তদন্ত করতে চায় সিআইডি। সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে রানাঘাট আদালত মঞ্জুর করে। ২০মার্চ ২০২০ মধ্যে সিআইডিকে জগন্নাথের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেয় নিম্ন আদালত। এই অবস্থায় গ্রেফতারের আশঙ্কা তৈরি হয় জগন্নাথ সরকারের। এই খুনের মামলায় সিআইডি অভিযোগে নাম রয়েছে মুকুল রায়েরও।

ARNAB HAZRA

Published by: Ananya Chakraborty
First published: March 11, 2020, 9:17 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर