Home /News /kolkata /

Netaji Subhas Chandra Bose: নেতাজি জীবিত না মৃত? কলকাতা হাইকোর্টে জানাতে হবে মোদি সরকারকে!

Netaji Subhas Chandra Bose: নেতাজি জীবিত না মৃত? কলকাতা হাইকোর্টে জানাতে হবে মোদি সরকারকে!

সামনে আসবে নেতাজি-রহস্য?

সামনে আসবে নেতাজি-রহস্য?

Netaji Subhas Chandra Bose: নেতাজি সম্পর্কিত কিছু ফাইল প্রকাশ করা হলেও তাঁর মৃত্যু কিংবা বেঁচে থাকা নিয়ে কোন ফাইল প্রকাশ করা হয়নি।

  • Share this:

#কলকাতা: নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু কি বেঁচে রয়েছেন? নাকি বহু আগেই তাঁর মৃত্যু ঘটেছে? এবার এক জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে নেতাজি সম্পর্কিত এমনই রিপোর্ট জমা দিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে এই নির্দেশের ফলে কেন্দ্রের 'নেতাজি' অস্বস্তি কিছুটা বাড়ল। নেতাজি সম্পর্কিত কিছু ফাইল প্রকাশ করা হলেও তাঁর মৃত্যু কিংবা বেঁচে থাকা নিয়ে কোন ফাইল প্রকাশ করা হয়নি। এবার সেই তথ্যই হাইকোর্টে জানাতে হবে মোদি সরকারকে।

নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু জীবিত না মৃত?সেই বিষয়টি হলফনামা দিয়ে কেন্দ্রকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, ভারতীয় টাকায় নেতাজি-র ছবি ব্যবহার করা যায় কিনা তাও হলফনামা দিয়ে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৮ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দিতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকে।

জনস্বার্থ মামলাকারী হরেন বাগচির তরফে আদালতে আবেদনে বলা হয়, ভারতীয় মুদ্রায় গান্ধীজির রয়েছে। কিন্তু ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে গান্ধিজির মতো নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর অবদানও কম নয়। তাই মুদ্রায় নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ছবিও থাকা উচিৎ। সেই বিষয়েও কেন্দ্রকে হলফনামা দিতে বলেছে আদালত।

প্রসঙ্গত, ২৩ জানুয়ারি ভারতবাসীর কাছে যেমন গর্ববোধের দিন, তেমনই সীমাহীন যন্ত্রণাও নিয়ে আসে। ঠিক কী হয়েছিল নেতাজির সঙ্গে? সত্যিই কি তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনায় তিনি প্রয়াত হয়েছিলেন? নাকি তার পরেও বেঁচে ছিলেন, কিন্তু ফিরতে পারেননি দেশে? নাকি ফিরে এসেছিলেন, কিন্তু নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে পারেননি? কী সেই অজানা সঙ্কট যা আজও জানতে পারেনি গোটা বিশ্ব।

আরও পড়ুন: কী হবে কাল? পুরভোটে মঙ্গল-প্রাপ্তি নিয়ে আশা-আশঙ্কায় BJP!

এ প্রসঙ্গে বলে রাখা যাক, ২০১৫ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্টেট আর্কাইভে থাকা নেতাজি সম্পর্কিত সব ‘গোপন’ ফাইল প্রকাশ করেছিল বলে দাবি করা হয়। ১৯৫৪ থেকে ১৯৭৪-এর মধ্যেকার এই ফাইলগুলিতে দেখা যায় নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে সে সময় ১০টি তদন্ত হয়েছিল। সব কটি তদন্তই একই দাবি করা হয়। দাবি করা হয়, ১৯৪৫-এর ১৮ অগাস্ট তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনাতেই মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। কিন্তু সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন একাধিক নেতাজি গবেষক। বিচারপতি মুখোপাধ্যায় তদন্ত কমিশন ২০০৫ সালে জানিয়েছিলেন, ১৯৮৫-এর ১৮ অগাস্ট তাইহোকুর বিমান দুর্ঘটনার কোনও প্রমাণই মেলেনি। ২০০৩ সালের মার্চ মাসে তাইপের মেয়র এক ভারতীয় সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, তাইপে সিটি আর্কাইভে ওইদিন তাইপেতে কোনও বিমান দুর্ঘটনার উল্লেখই নেই।

আরও পড়ুন: বক্সার পর জয়ন্তী, এবার কলকাতার পর্যটক দেখতে পেলেন 'সেই' পায়ের ছাপ!

নেতাজির ডেথ সার্টিফিকেট কখনও উদ্ধার হয়নি। তাইহোকু পুরসভার ক্রিমেশন রেজিস্টারের রেকর্ডও বলছে, ১৯-২১ অগাস্টের মধ্যে ৪ জন পুরুষের শেষকৃত্য হয়েছিল সেখানে। কিন্তু তাঁদের মধ্যে নেতাজি ছিলেন বলে কোনও সুস্পষ্ট প্রমাণ নেই। এমনই নানা দাবি, পাল্টা দাবির মধ্যে ঢুকে রয়েছে নেতাজি রহস্য। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর কেন্দ্রীয় সরকার কি সেই রহস্য সমাধানে সুস্পষ্ট কোন তথ্য দেবে, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

Published by:Suman Biswas
First published:

Tags: Calcutta High Court, Netaji, Netaji Subhas Chandra Bose

পরবর্তী খবর