corona virus btn
corona virus btn
Loading

কারা বসতে পারবেন প্রাথমিক টেট-এ? জবাব মিলতে পারে বৃহস্পতিবার

কারা বসতে পারবেন প্রাথমিক টেট-এ? জবাব মিলতে পারে বৃহস্পতিবার

কারা বসতে পারবেন প্রাথমিক টেট পরীক্ষায়? জবাব মিলবে বৃহস্পতিবার

  • Share this:

#কলকাতা: ফের মামলার জটে প্রাথমিক টেট - ২০১৭। টেটে বসার অনুমতি চেয়ে ওই মামলা গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার ওই মামলার শুনানির দিন নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

চলতি বছরের টেটের বিজ্ঞপ্তি খারিজের মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। এনসিটিই-র নির্দেশিকা না মেনেই প্রাথমিক টেটের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। এতে পরীক্ষায় বসার সুযোগ হারাচ্ছেন প্রশিক্ষণরতরা। এই অভিযোগেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ বেশ কয়েকজন প্রশিক্ষণরত।

মঙ্গলবার আদালতে অ্যাডভোকেট জেনারেল মামলা খারিজের আবেদন করেন। তিনি বলেন, টেট মামলার গ্রহণযোগ্যতা নেই। ফর্ম ফিল-আপের সময়সীমা পেরনোর পর মামলা করা হয়েছে। কিন্তু, বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় ওই মামলা গ্রহণ করেছেন। তাঁর যুক্তি, কোনও নিয়োগ চেয়ে এই মামলা নয়। টেটে বসার অনুমতি চেয়ে মামলা। তাই শেষমেশ মামলা গ্রহণ করেছে উচ্চ আদালত।

পরীক্ষার জন্য জারি বিজ্ঞপ্তিই অবৈধ দাবি বলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বেশ কয়েকজন প্রশিক্ষণরত প্রার্থী। প্রশিক্ষণ ছাড়া প্রাথমিকের টেটে বসা যাবে না বলেই জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। আর এখানেই উঠছে বিতর্ক।

প্রাথমিক টেট ২০১৭ এর বিজ্ঞপ্তিটাই ভুল। এনসিটিইর নির্দেশিকার পরিপন্থী এই বিজ্ঞপ্তি। এই বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারির নির্দেশ দিক হাইকোর্ট।

কেন এই দাবি তুলছেন মামলার আবেদনকারীরা?

এনসিইআরটির ২০১১ সালের নির্দেশিকা বলছে টেটে পরীক্ষায় বসতে পারবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পড়ুয়ারা। পাশাপাশি প্রশিক্ষণরতরাও আবেদন করতে পারবে।

প্রাথমিক টেটের বিজ্ঞপ্তিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদেরই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণরতদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ নেই। তাই এই বিজ্ঞপ্তি অবৈধ ঘোষণা করে প্রশিক্ষণরতদের পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া হোক।

শুক্রবার বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই কারণে ২০০ জন প্রশিক্ষণরতকে প্রাথমিকের টেটে বসার দরজা খুলে দেন। বিচারপতি বন্দ্যোপাধ্যায়েরও পর্যবেক্ষণ ছিল, প্রশিক্ষণরতরাও প্রাথমিকের টেটে বসার যোগ্য। তারপরই সোমবার বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চে ফের টেট বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে মামলা হল।

রাজ্যে কয়েকশো প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে এইসব কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ নেওয়া পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় লক্ষাধিক। আবেদনকারী প্রার্থনা মেনে বিজ্ঞপ্তি খারিজ করলে টেটের দরজা খুলে যেতে পারে ওই লক্ষাধিক পড়ুয়ার কাছে।

First published: October 31, 2017, 2:12 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर