Buddhadeb Bhattacharya Health Updates: ঝিমুনি ভাব রয়েছে! রেমডেসিভির ইনজেকশন দেওয়া হল বুদ্ধদেবকে

চিকিৎসকরা আরও একটি প্রয়োজনীয় ইনজেকশন দেওয়ার কথা ভাবছেন।

চিকিৎসকরা আরও একটি প্রয়োজনীয় ইনজেকশন দেওয়ার কথা ভাবছেন।

  • Share this:

    #কলকাতা: প্রবল শ্বাসকষ্ট ও আচ্ছন্ন ভাব নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার বেলার দিকে তাঁকে হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসা শুরুর পর দ্রুত শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের। তার পর থেকেই তিনি বাড়ি ফেরার জন্য ছটফট করতে থাকেন। অবশ্য হাসপাতলে ভর্তি হওয়ার ব্যাপারে প্রথম থেকেই আপত্তি জানিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর বাড়িতেই আইসোলেশনে ছিলেন তিনি। বহুদিন ধরেই তাঁর শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে। অক্সিজেন সাপোর্টে থাকতে হয়। তার মধ্যে তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। মঙ্গলবার শরীরে অক্সিজেন লেভেল ৮০-র নিচে নেমে গেলে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এরপরই পরিবার ও পার্টির তরফে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই একই হাসপাতালে আগেও দু'বার ভর্তি হয়েছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। দুবারই তিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শরীরে করোনার উপস্থিতি চিকিৎসকদের আলাদা করে ভাবিয়ে তুলেছে। তার ওপর ব্ল্যাক ফাঙ্গাস নিয়েও দুশ্চিন্তা ছিল ডাক্তারদের। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ফুসফুসে কিছু পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। বুদ্ধদেবের আচ্ছন্নভাব এখনও কিছুটা রয়েছে। তবে চিকিৎসা ও কারও ডাকে সাড়া দিচ্ছেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে অল্প খাবার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। অল্প-বিস্তর কথাও বলেছেন তিনি। তাঁকে আপাতত বাইপ্যাপ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। তিনি লিটার অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল। বুদ্ধদেবের অক্সিজেনের এখন ৯২। অর্থাৎ আগের থেকে অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছেন তিনি। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা ভাল, এমন দাবি এখনই করা যায় না। রক্তচাপ স্বাভাবিক। মূত্রনালীতে কোনওরকম সমস্যা নেই। ফলে আপাতত শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা ও করোনাই চিকিৎসকদের ভাবিয়ে তোলার অন্যতম দুটি কারণ। মঙ্গলবার রাতেই তাঁকে রেমডেসিভির ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা আরও একটি প্রয়োজনীয় ইনজেকশন দেওয়ার কথা ভাবছেন।

    হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী মীরাও। বুদ্ধদেব অসুস্থ হয়ে পড়ার পর থেকেই প্যানিক অ্যাটাকে ভুগছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে বমিও হয়েছিল। ফলে কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার। মীরা ভট্টাচার্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার পর শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। সাত দিন পর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন তিনি। কিন্তু ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন। বুদ্ধদেব ও তাঁর স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    Published by:Suman Majumder
    First published: