corona virus btn
corona virus btn
Loading

চিনা প্রযুক্তি ব্যবহার করছে বিএসএনএল, সিটি কেবল... এ বার চলছে বদলের ভাবনা

চিনা প্রযুক্তি ব্যবহার করছে বিএসএনএল, সিটি কেবল... এ বার চলছে বদলের ভাবনা
প্রতীকী চিত্র ।

কেবল থেকে সুইচ, আপাতত যে প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ হচ্ছে তা সরবরাহ করছে এক চিনা সংস্থা। যদিও কেন্দ্রীয় টেলিকম মন্ত্রক চিনা প্রযুক্তি ব্যবহার বন্ধ করতে বলেছে।

  • Share this:

ABIR GHOSHAL

#কলকাতা: চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দিচ্ছে জনতা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তা নিয়ে চলছে বিক্ষোভ। ক্ষোভের আঁচ এসে পৌঁছে গিয়েছে কলকাতাতেও। আর এ বার চিনা পণ্য নিয়ে বেশ চিন্তায় বিএসএনএলের (পূর্ব) আধিকারিকরা। কারণ এখানেও কেবল থেকে সুইচ, আপাতত যে প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ হচ্ছে তা সরবরাহ করছে এক চিনা সংস্থা। যদিও কেন্দ্রীয় টেলিকম মন্ত্রক চিনা প্রযুক্তি ব্যবহার বন্ধ করতে বলেছে।

আধুনিকতার সময়ে উত্তরণ হচ্ছে প্রযুক্তির। ২জি থেকে ৫জি'তে উত্তরণ হচ্ছে টেলিকমিউনিকেশন ব্যবস্থা। ইউরোপীয় প্রযুক্তি ছেড়ে তখনই চিনা প্রযুক্তিতে ঝুঁকছে বিভিন্ন টেলিকম সংস্থা। এই অবস্থায় সবার কাছে কেন্দ্রের অনুরোধ, বাদ দেওয়া হোক চিনা প্রযুক্তি। বিএসএনএলের প্রিন্সিপাল জেনারেল ম্যানেজার পূর্ব অসীম কুমার সিনহা জানাচ্ছেন, "টেলিকমিউনিকেশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একাধিক সুইচ। ২জি থেকে ৪জি উত্তরণের জন্যে নানা আধুনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিএসএনএলের ইস্টার্ন জোন আগে ব্যবহার করত নোকিয়া, পরে এরিকসন। এখন ব্যবহার হচ্ছে চিনা সংস্থা জেডটি।" এই সংস্থা অবশ্য বাছাই করা হয়েছে টেন্ডারের মাধ্যমে।

অসীম বাবু জানাচ্ছেন, "এই সংস্থার জিনিষের দাম কম। গুণমাণের দিক থেকে খুব একটা খারাপ নয়।" কিন্তু টেলিকম সংস্থাগুলি কেন বেছে নিচ্ছে চিনা সংস্থা? উত্তরে তাঁরা জানাচ্ছেন, "ইউরোপীয় সংস্থাগুলি লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়েছে। ভারতীয় সংস্থার তৈরি যন্ত্র পাওয়া যায় না। ফলে এক প্রকার বাধ্য হয়েই তাঁদের চিনা প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হচ্ছে।" তাঁরা বলছেন এখন সময় এসেছে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’তে জোর দিতে হবে। তাতে যদি চিনা সংস্থা বাদ দিয়ে ভারতীয় বা ইউরোপীয় সংস্থা ব্যবহার হয়। তবে শুধু টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমে নয়, বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম কেবল টিভি বা আধুনিক সময়ে সেট টপ বক্স। তার সবটাই আসে চিন থেকে। সিটি কেবলের কর্ণধার সুরেশ শেটিয়া জানাচ্ছেন, "সস্তায় পাওয়া যায়। শীঘ্রই পাওয়া যায় চাইলে। তাই বাধ্য হয়ে চিনা সংস্থা বাছাই করতে হয়।"

তবে এরই মধ্যে সুরেশ বাবু জানাচ্ছেন, চাইলেই বাদ দেওয়া যাবে না চিনা পণ্য। তবে তাঁরা বেশ কিছু জিনিষ ইতিমধ্যেই থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম থেকে নিয়ে আসছেন। তবে চিনা সংস্থার জিনিস যেমন চাইলেই পাওয়া যায়, এ ক্ষেত্রে সেই পণ্য কবে এসে পৌঁছবে হাতে বা সঠিক সময়ে আসবে কিনা তা নিয়ে একটা সংশয় আছে। ফলে চাইলেই প্রতিদিনের সম্পর্ক থেকে চিনা পণ্য বাদ দেওয়া সম্ভব নয়।

Published by: Simli Raha
First published: June 20, 2020, 3:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर