• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • BRATYA BASU PUTS HIMSELF IN THE ROLE OF A LINESMAN REGARDING TRIPURA ELECTION ARC

Tripura Election: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মারাদোনা, অভিষেক মেসি, আমি লাইন্সম্যান : ব্রাত্য বসু

ব্রাত্য বসু, ফাইল ছবি

নিজেকে মাঠের বাইরে রেখে তাঁর (Bratya Basu) কথায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মারাদোনা এবং নাম না করে অভিষেককে বললেন মেসি ৷

  • Share this:

কলকাতা : বাংলার পর ত্রিপুরাতেও কি খেলা হবে ? সেই খেলায় তাঁর ভূমিকা কী হবে ? প্রশ্ন রাখা হয়েছিল ব্রাত্য বসুর (Bratya Basu) কাছে ৷ শিক্ষামন্ত্রীর উত্তর, তিনি লাইন্সম্যান ৷ প্রতীকী শব্দবন্ধের উত্তর প্রতীকীতেই দিলেন নাট্যকার ৷ নিজেকে মাঠের বাইরে রেখে তাঁর কথায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মারাদোনা এবং নাম না করে অভিষেককে বললেন মেসি ৷ সরাসরি না বললেও তাঁর ইঙ্গিতে স্পষ্ট, দুই প্রজন্মের খেলোয়াড়ের ‘খেলা’-কে এগিয়ে নিয়ে যাবেন তিনি, লাইন্সম্যানের ভূমিকা পালন করে ৷ বললেন, ‘‘আমি কোনওদিন বলিনি আমার ব্যাটে রানের খরা চলছে ৷ আমি চার, ছয়ের বদলে সিঙ্গলস নিতে ভালবাসি ৷ নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর আন্দোলেন সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে রাজনীতিতে পদার্পণ ৷ ২০১১-য় প্রথম নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ৷ রাজনীতি নিয়ে উচ্চাশা নেই ৷ তৃণমূলই করে যাব৷ দলের নির্দেশ নিষ্ঠা ভরে পালন করব ৷’’

তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের চর্চায় এখন ব্রাত্যর মুখে ‘লাইন্সম্যান’ শব্দটি ৷ তিনি যে নিজেকে খেলা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নেপথ্য কারিগরের ভূমিকায় রাখছেন, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই রাজনৈতক মহলের ৷ ত্রিপুরার পর উত্তরপ্রদেশেও যে ‘খেলা’-র মূল নেপথ্য ভূমিকায় তিনি থাকবেন, সেই ইঙ্গিতও খুঁজে পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা ৷

বঙ্গ রাজনীতির পাখির চোখ এখন ২০২৩-এ ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন ৷ সেখানে পরিস্থিতি তাঁদের অনুকূল ৷ দাবি ব্রাত্যর ৷ নিজের বক্তব্যের সমর্থনে যুক্তি সাজালেন খেলার ভাষাতেই ৷ বললেন, ‘‘সেখানে যাঁরা আছেন, তাঁরা পিচের এত ক্ষতি করেছেন, এখন শুধু উইকেট পড়ার অপেক্ষা ৷ ’’ তাঁর আক্ষেপ, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, সবুজ সাথী-র মতো কোনও সরকারি প্রকল্প ত্রিপুরায় নেই ৷ এমনকি, কেন্দ্রীয় সরকারের ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর মতো প্রকল্পও ত্রিপুরায় পৌঁছয় না, অভিযোগ ব্রাত্যর ৷ তাহলে সে রাজ্যে আছে কী? ব্রাত্যর অভিযোগ, সেখানে আছে শুধু বিরোধীদের উদ্দেশে আক্রমণ ৷ ত্রিপুরা জয়ের বিষয়ে নিশ্চিত হলেও কত আসন পাবে তৃণমূল, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলতে চাইলেন না ৷

তবে বিজেপি-র আনা ‘বহিরাগত’ তত্ত্ব নস্যাৎ করে বললেন, ত্রিপুরা বঙ্গদেশীয় রাজ্য ৷ কথ্যরীতি আলাদা হলেও বাংলাই সেখানকার ভাষা ৷ তাছাড়া, ‘লাইন্সম্যান’ ব্রাত্যর কথায়, বিজেপি-কে উচ্ছেদ করবেন ত্রিপুরার ভূমিপুত্ররাই ৷ তাঁদের ভূমিকা সলতে পাকানোর ৷

বিজেপিকে উচ্ছেদ করার ‘খেলা’-র সেই সলতে পাকানোতে নাকি তাঁদের সঙ্গে হাত লাগাবে এ বার সিপিএম-ও? সেই গুঞ্জনও তো তীব্র হচ্ছে ক্রমেই ৷ সেই সমীকরণ সম্ভাবনাতেও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করলেন ব্রাত্য ৷ জানালেন, ত্রিপুরার বামনেতাদের নিয়ে তাঁদের আগ্রহ নেই৷ বরং তাঁরা যেতে চান সে রাজ্যের বামকর্মীদের কাছে ৷ তাঁদেরকে তৃণমূলে আসার আহ্বান জানাতে চান ৷ প্রসঙ্গত, এর আগে ব্রাত্য জানান, তৃণমূল এ বার ত্রিপুরায় বুনিয়াদি সংগঠনে গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই সংগঠনে তিনি হবেন পতাকাবাহী লাইন্সম্যান ৷ যাতে খেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় ৷

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published: