• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • অপহরণ-ধর্ষণ-খুন! প্রমাণ লোপাটে কিশোরীর দেহ নিয়ে যা করল ধর্ষক! উত্তরপ্রদেশে লজ্জাজনক ঘটনা...

অপহরণ-ধর্ষণ-খুন! প্রমাণ লোপাটে কিশোরীর দেহ নিয়ে যা করল ধর্ষক! উত্তরপ্রদেশে লজ্জাজনক ঘটনা...

উত্তরপ্রদেশে ফের ধর্ষণের পর খুন। প্রতীকী ছবি।

উত্তরপ্রদেশে ফের ধর্ষণের পর খুন। প্রতীকী ছবি।

হাথরসের ভয়াবহতা এখনও কাটেনি। জামিনে মুক্তি পেতেই মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতার বাবাকে গুলি করে খুন করে ধর্ষকরা। ঠিক সে দিন রাতেই সামনে এসেছে আরও এক গা শিউরে ওঠার মতো ঘটনা।

  • Share this:

    #বুলন্দশহর: হাথরসের ভয়াবহতা এখনও কাটেনি। জামিনে মুক্তি পেতেই মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতার বাবাকে গুলি করে খুন করে ধর্ষকরা। ঠিক সে দিন রাতেই  সামনে এসেছে আরও এক গা শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। আবারও ঘটনাস্থল সেই উত্তরপ্রদেশ। এ বারে বুলন্দশহরের এক বছর তেরোর কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয়েছে বাড়ি সংলগ্ন একটি গর্ত থেকে।

    ছ'দিন ধরে নিখোঁজ ছিল কিশোরী। মঙ্গলবার রাতে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, অপহরণের পর তাকে নির্মম ধর্ষণ করা হয়। এরপরে প্রমাণ লোপাট করতে খুন করে রাতের অন্ধকারে গর্ত খুঁড়ে তার মধ্যে দেহ কবর দিয়ে দেহ  অভিযুক্তেরা। কিশোরী বুলন্দশহরের সিরাউরা গ্রামের বাসিন্দা।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারি মা এবং বোনের সঙ্গে সে দিন মাঠে কাজ করতে গিয়েছিল সে। জল তেষ্টা পাওয়ায় সে ক্ষেতের পাশেই একটি বাড়িতে জল খেতে গিয়েছিল। তারপর আচমকাই  নিখোঁজ হয়ে যায়। বহু খুঁজে তার সন্ধান পায়নি মা এবং বোন। এরপরেই বাড়ি গিয়ে ঘটনার কথা জানান। পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও গ্রামের বাসিন্দারা কিশোরীর খোঁজ শুরু করেন। যে মাঠে এবং মাঠের পাশের বাড়িতে গিয়েছিল কিশোরী সেখানে খোঁজ চালায় তাঁরা। পরিবারের দাবি, সেই সময় ক্ষেত সংলগ্ন ওই বাড়িতে মদ্যপ এক যুবক ছাড়া আর কেউ ছিল না। শেষমেশ মেয়ের কোনও খোঁজ না পেয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে পরিবার।

    লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ছ'দিন ধরে খোঁজ চালিয়েও কোনও লাভ হয়নি। শেষমেশ মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় এক বাসিন্দা খবর দেন, ক্ষেতের কাছেই একটি গর্তে একটি দেহ কবর দেওয়া হয়েছে, যেখান থেকে ওই কিশোরী নিখোঁজ হয়েছিল। খবর পেয়েই দল বেঁধে কবরের কাছে পৌঁছয় গ্রামবাসীরা। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিস এসে কবর খুঁড়তেই কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয়। দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

    পুরিবারের অভিযোগ, মেয়েকে খোঁজার সময় যে মদ্যপ যুবকের কাছে গিয়েছিলেন তাঁরা, সেই মদ্যপ যুবকই মেয়েকে ধর্ষণের পরে খুন করে। তারপর দেহ কবর দিয়ে দেয় প্রমাণ লোপাট করতে। মৃতার বাবা জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ের কথা বলায় সমস্যা ছিল। কথা বোঝা যেত না তাঁর। পুলিশ জানিয়েছে, যে বাড়ির কাছ থেকে কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেই বাড়িতে বাবা এবং ছেলের থাকে। ছেলে পালিয়ে গেলে বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: