স্ত্রী’কে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখেও দরজার লক সারাতে ব্যস্ত স্বামী! মহেশতলায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

স্ত্রী’কে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখেও দরজার লক সারাতে ব্যস্ত স্বামী! মহেশতলায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

প্রতীকী চিত্র ।

মহেশতলার ওই আবাসনের চতুর্থ তলার ডি-৪০৭ নাম্বার রুম থেকে এই রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে মহেশতলা থানার পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

  • Share this:

    #মহেশতলা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা থানার অন্তর্গত জল কল এলাকায় একটি বহুতল আবাসনের চারতলার বন্ধ ঘর থেকে রক্তাক্ত গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার।

    মহেশতলার ওই আবাসনের চতুর্থ তলার ডি-৪০৭ নাম্বার রুম থেকে এই রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে মহেশতলা থানার পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। দেবায়ন কর্মকার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের কথা বলায়, বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকায় আপাতত দেবায়ন কর্মকার’কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মহেশতলা থানার পুলিশ আটক করেছে। অপরদিকে নন্দিতার পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনও প্রকার অভিযোগ গভীর রাত পর্যন্ত মহেশতলা থানায় করা হয়নি।

    দেবায়নের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর বারোটা নাগাদ তিনি খিদিরপুরের বাড়ি থেকে মহেশতলার এই আবাসনের যখন আসেন, তখন দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করা ছিল। তাই তিনি আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীকে না জানিয়েই তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন, ভেতরে ঢুকে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি তাঁর স্ত্রীকে দেখতে পেলেও তাঁর মনে হয়েছে মিস্ত্রি ডেকে এই তালাটি সারিয়ে নেওয়াটা বেশি জরুরি। তারপর তিনি ঘাবড়ে গিয়ে ঘরের নতুন চাবি আবার লাগিয়ে খিদিরপুরের বাড়িতে চলে যায়, পুলিশ এবং নন্দিতার পরিবারের লোককে কোনও কিছু না জানিয়েই। অপরদিকে ঐ আবাসনের রেজিস্টার খাতায় দেবায়ন কর্মকারের আসা এবং যাওয়ার সময়ের সঙ্গে, মুখে বলা সময়ের মিল পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনার তদন্তে মহেশতলা থানার পুলিশ ।

    যেমনটা জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে তেতাল্লিশ বছর বয়সী মহেশতলার আকরার বাসিন্দা নন্দিতা ভট্টাচার্যের সঙ্গে খিদিরপুরের বাসিন্দা পেশায় ট্যাক্সিচালক ৪২ বছরের দেবায়ন কর্মকারের বিবাহ হয়। ট্যাক্সিতে যাতায়াতের সূত্রেই দেবায়নের সঙ্গে আলাপ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই দু’জনই পূর্বে বিবাহিত ছিলেন। নন্দিতা ভট্টাচার্যের প্রথম স্বামী দিল্লীতে থাকেন। তিনি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে কোনও প্রকার যোগাযোগ রাখেননি। অপরদিকে দেবায়ন কর্মকারের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় ২০১২ সালে। সেই পক্ষের দু’বছরের একটি পুত্র সন্তানও আছে।

    Published by:Simli Raha
    First published:

    লেটেস্ট খবর