অন্ধকারময় জীবনে আলো দেখাতে চায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

হঠাৎ করেই তার জীবনের দ্বিতীয় বড় পরীক্ষায় উচ্চ মাধ্যমিক স্থগিত হয়ে যায় করোনার জেরে।

হঠাৎ করেই তার জীবনের দ্বিতীয় বড় পরীক্ষায় উচ্চ মাধ্যমিক স্থগিত হয়ে যায় করোনার জেরে।

  • Share this:

#কলকাতা: আঠারো বছরের শিবানী জানে শহর থেকে গ্রামের সমস্যা। বাবা অসীম ঘোষের চাকরি সূত্রে মাঝে মাঝেই  শিবানীকে যেতে হয় কৃষ্ণনগরে। পড়াশোনা ওখানে হলেও বড় হয়েছে বেলঘড়িয়ায় বাড়িতে।

হঠাৎ করেই তার জীবনের দ্বিতীয় বড় পরীক্ষায় উচ্চ মাধ্যমিক স্থগিত হয়ে যায় করোনার জেরে। করোনার জেরে দিনের অবসর সময়ের গানের ক্লাস থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখন শুধুই ঘরে বসে টেলিভিশন ও বন্ধু বাবার সঙ্গে আড্ডা।

জন্ম থেকেই তার সমস্যা চোখ, কারন সে জানে জীবনে কোনওদিন তার দেখা হবে না দিনের আলো। সমাজের সবার মত ভাল মন্দের বিচার করতে ব্যবহার করতে পারবে না চোখ। তার জীবনের সবচেয়ে বড় আলো হল মন। মনের জোর আর বাবার বুদ্ধিতেই ভবিষ্যৎ দেখছে শিবানী। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের থেকে পাওয়া টাকা তার কাছে শুরুই সঞ্চয়। সমাজের এখন বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনার জন্য অনেকেই কার্যত দিশাহীন।

শিবানী নিজের সঙ্গে তুলনা টেনে বলে আমিও জানি না কবে আলো দেখবো, এই সমাজও জানে না কবে মুত্তি পাবে করোনা থেকে। জীবনের প্রথম উপার্জনের মূল্য ছিল এক হাজার টাকা। সেই টাকায় চেয়েছিল ভাল কাজ করতে। করোনায় সাহায্যের কথা ঘোষণা হতেই সেই টাকা দিতে চায় শিবানী। শুক্রবার এক হাজার এক টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে দিয়েছে সে।

Susovan Bhattacharjee

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: