• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • BJP STATE LEADERSHIP UNHAPPY WITH SHANTANU THAKUR DUE TO INNER FIGHT OF PARTY IN BONGAON DMG

BJP gives strong message to Shantanu Thakur: চরমে কোন্দল, বিজেপি-র মাথাব্যথা বনগাঁ! নরমে গরমে বার্তা শান্তনু ঠাকুরকে

শান্তনু ঠাকুর৷

শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মনস্পতি দেবের সংঘাত বেশ পুরনো (BJP gives strong message to Shantanu Thakur)৷

  • Share this:

#কলকাতা: ফের একবার বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হল বনগাঁর সাংসদ এবং কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের৷ কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রে মন্ত্রী করা হলেও তাঁর উপরে যে দলের রাজ্য নেতৃত্ব বিশেষ খুশি নয়, এ দিন কলকাতায় দলের সাংগঠনিক বৈঠকে নরমে গরমে সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে শান্তনুকে৷ সূত্রের খবর, দলের কেন্দ্রীয় নেতা শিব প্রকাশ নিজে শান্তনুকে সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন৷ প্রকাশ্যে বিষয়টি নিয়ে কিছু না বললেও ঘনিষ্ঠ মহলে দলের রাজ্য নেতৃত্বকে নিয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর৷

শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মনস্পতি দেবের সংঘাত বেশ পুরনো৷ একা শান্তনু নন, বনগাঁ সাংগঠনিক জেলায় দলের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সংগঠনের নেতাদের কার্যত কোনও যোগাযোগই নেই বলে অভিযোগ বিজেপি-র অন্দরে৷ যে কারণে বার বার অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে বিজেপি-কে৷ যেমন কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত বনগাঁয় দলের সাংগঠনিক বৈঠক করতে গেলেও সেই বৈঠকে গরহাজির ছিলেন দলের একাধিক বিধায়ক৷ বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসের ক্ষেত্রে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ রয়েছে৷ ফলে তাঁর অনুপস্থিতিকে গুরুত্ব দেয়নি বিজেপি৷ কিন্তু বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া, গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুররাও বৈঠকে গরহাজির ছিলেন৷

এই পরিস্থিতিতে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলায় দলের মধ্যেকার এই কোন্দল মেটাতে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব৷ সেই কারণেই এ দিন নরমে গরমে বার্তা দেওয়া হয় শান্তনুকে৷ মূলত মতুয়া ভোটের দিকে তাকিয়েই ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা ভেঙে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৈরি হয়৷ তা নিয়ে বসিরহাটের নেতাদের মধ্যে এমনিতেই ক্ষোভ ছিল৷ বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা গঠনের পর থেকেই শান্তনুর সঙ্গে মনস্পতির মতের মিল ছিল না বলেই বিজেপি-র অন্দরের খবর৷ কিন্তু সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনের পর বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে এসেছে৷ শান্তনু ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ, বনগাঁর সাংসদ এতদিন মুখ বুজে সব মেনে নিয়েছিলেন৷ কিন্তু গত বেশ কিছু দিন ধরেই মনস্পতি দেব শান্তনুকে কোণঠাসা করার চেষ্টা শুরু করেছেন বলে মন্ত্রী ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ৷

মনস্পতি দেব দীর্ঘদিন আরএসএস-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন৷ দলের আদি নেতাদের মধ্যে অন্যতম তিনি৷ সেই কারণেই দলের রাজ্য নেতৃত্বের আস্থাভাজন হিসেবেই পরিচিত মনস্পতি দেব৷ সেই কারণেই শান্তনুকে এ দিন রফা করে নেওয়ার বার্তাই কার্যত দেওয়া হল বলে মনে করা হচ্ছে৷ শান্তনু ঠাকুর অবশ্য বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি৷ যদিও ঘনিষ্ঠ মহলে বনগাঁ জেলার এই কোন্দলের জন্য দলের রাজ্য নেতৃত্বের একাংশকেই দায়ী করেছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী৷ তাঁর অভিযোগ, সমস্যা তৈরি করে দিয়ে এখন তাঁর দায় নিচ্ছেন না সংশ্লিষ্ট রাজ্য নেতারা৷

Published by:Debamoy Ghosh
First published: