• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • BJP MLAS MET GOVERNOR WEST BENGAL OPPOSITION LEADER SUVENDU ADHIKARI AND BJP MLAS MET JAGDEEP DHANKHAR SANJ

BJP MLAs Met Governor : রাজভবনে শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা, মাত্র ৫১ জন কেন? প্রশ্ন তৃণমূলের, 'গণতন্ত্র শ্বাসরুদ্ধ' বললেন ধনখড়!

রাজভবনে বিজেপি বিধায়করা Photo : ANI

সোমবার বিকেলে বিধানসভা থেকে পায়ে হেঁটে শুভেন্দু অধিকারী-সহ (Opposition Leader Suvendu Adhikari) বিজেপি বিধায়করা রাজভবনে পৌঁছন। রাজ্যপালের (Governor Jagdeep Dhankhar) সঙ্গে চা চক্রে যোগ দেন তাঁরা। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে অভিযোগ করেন বিরোধী বিজেপি বিধায়করা (BJP MLAs)।

  • Share this:

    #কলকাতা : রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে সোমবারই রাজভবনে যাওয়ার কথা ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ (Suvendu Adhikari) একঝাঁক বিজেপি বিধায়কের। ট্যুইটে সেকথা জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও (Governor Jagdeep Dhankhar)। ঠিক সেইমতো সোমবার বিকেলে বিধানসভা থেকে পায়ে হেঁটে শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়করা (BJP MLAs) রাজভবনে পৌঁছন। রাজ্যপালের সঙ্গে চা চক্রে যোগ দেন তাঁরা। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে অভিযোগ করেন বিরোধী বিজেপি বিধায়করা। তাঁদের অভিযোগ, ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে। দলত্যাগ বিরোধী আইন-সহ বেশ কিছু দাবিদাওয়া ও অভিযোগ সম্বলিত একটি মেমোরেন্ডাম রাজ্যপালের হাতে তুলে দেন বিজেপি বিধায়করা।

    এরপর শুভেন্দু অধিকারীদের পাশে বসিয়ে রাজভবনের খোলা বারান্দায় রাজ্যপাল সাংবাদিক বৈঠক করেন। কড়া ভাষায় আরও একবার রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করেন তিনি। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “ভোট পরবর্তী রাজ্যে একাধিক জায়গায় অশান্তি হয়েছে। সেই জায়গাগুলিতে কেন মুখ্যমন্ত্রী গেলেন না?” ভোট পরবর্তী অশান্তি, দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের মন্তব্য, “বাংলায় গণতন্ত্র নিঃশ্বাস নিতে পারছে না।”

    এদিন আরও একবার রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধেও আঙুল তুলেছেন জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। তাঁর দাবি, উর্দিধারীরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করছেন না। তৃতীয়বারের জন্য বিপুল ভোটে জিতে বাংলার মসনদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। মানুষের রায়ে বাংলা দখল হওয়া সত্ত্বেও রাজ্য প্রশাসন কোনও কাজ করছে না বলেও অভিযোগ জগদীপ ধনখড়ের। রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সম্পর্ক যে সুমধুর নয়, তা তাঁর একের পর ট্যুইট বার্তায় ইতিমধ্যেই স্পষ্ট। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকের পর দু’পক্ষের সম্পর্কের তিক্ততা আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

    দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সংঘাত লেগেই রয়েছে রাজ্যপালের। বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2021) পরবর্তী পরিস্থিতিতে সেই সংঘাত যেন আরও জোরাল হয়েছে। রাজ্যে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেই অভিযোগ বিরোধীদের। সোমবার বিরোধী দলেনতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে চা-চক্রের পর একই অভিযোগে রাজ্য সরকারকে ফের কড়া ভাষায় দুষলেন রাজ্যপাল। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আরও একবার প্রশ্ন তুললেন তিনি।

    রাজ্যপালের সঙ্গে বিজেপি বিধায়কদের এই চা-চক্র নিয়ে তৃণমূলের তরফে দেওয়া হয়েছে পাল্টা খোঁচা। প্রশ্ন তোলা হয়েছে বিধায়কদের গড় হাজিরা নিয়ে। সাংবাদিক বৈঠক করে এই প্রসঙ্গে সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, "রাজ্যপালের কাছে বিজেপির পক্ষে অনেক বিধায়ক তো গেলেনই না। কেন অনুপস্থিত থাকলেন তাঁরা? সেটা নিয়ে বিজেপি তদন্ত করুক।"

    একইসঙ্গে সোমবারের এই বৈঠক থেকে তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় বলেন, "বিজেপির কিছু লোক মাইকিং করে বলছেন ফিরে আসব। বাংলার বাইরে আমাদের পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলছে৷ কোনও বিশেষ রাজ্য শুধু নয়।" শুভেন্দু অধিকারীর 'দলত্যাগ বিরোধী আইন' এর দাবিকে কটাক্ষ করে সুখেন্দু শেখর বলেন, "দলত্যাগ বিরোধী আইন কী ভাবে বলবৎ হবে তাতে রাজ্যপালের কোনও ভূমিকা নেই।" নাম না করে শুভেন্দুকে একহাত নেন সুখেন্দু শেখর। তিনি বলেন, "উনি সীমায় থেকে কাজ করুন। যে দলের সভাপতি তার সাঙ্গপাঙ্গরা যে ধরণের মন্তব্য করেছেন। তা উস্কানিমূলক মন্তব্য। আকাশ বাতাস কলুষিত করেছে। তাদের কন্ঠে আজ আর্তনাদ কেন? আমাদের লোকেদের খুন করবে বলেছিল। গুলি করবে বলেছিল। তারা আজ এমন করছে কেন?"

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: