বহিরাগতদের রাজ্যে এনে করোনা আনছে বিজেপিই, তোপ দাগলেন মমতা  

বহিরাগতদের রাজ্যে এনে করোনা আনছে বিজেপিই, তোপ দাগলেন মমতা  

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, করোনার সময়ে প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাউকেই দেখা যায়নি। এখন প্রত্যেকে ভোটের প্রচারে আসছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, করোনার সময়ে প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাউকেই দেখা যায়নি। এখন প্রত্যেকে ভোটের প্রচারে আসছেন।

  • Share this:

ABIR GHOSHAL

#কলকাতা: রাজ্যে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আসতে শুরু করেছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত কয়েকদিনে মৃত্যু হয়েছে একাধিক জনের। তবে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতির জন্যে ভারতীয় জনতা পার্টিকে দায়ী করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার অভিযোগ, "বহিরাগতদের আনছে, ওঁরা রোগ ছড়িয়ে চলে যাচ্ছে।" একই সাথে কোভিড ভ্যাক্সিন নিয়ে কেন্দ্রের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বারবার চিঠি লিখে ভ্যাক্সিন রাজ্যকে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্র, রাজ্যকে সেই ভ্যাক্সিন দিচ্ছে না। যদিও মমতা বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি নিজ উদ্যোগে রাজ্যবাসীকে ভ্যাক্সিন দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন। যতটা সম্ভব ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, "আমি ঠিক করে দিয়েছিলাম সব। কিন্তু কেন্দ্রের জন্য আবার করোনা বাড়ছে। ভোটের জন্যে বিজেপি বহিরাগতদের নিয়ে এসেছে এই রাজ্যে। তাঁরাই ছড়াচ্ছে রোগ।" তবে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় প্রতিদিন যে ভাবে একের পর এক সভায় মিছিল, মিটিং হচ্ছে আর তাতে যে ভাবে মানুষ সামাজিক দূরত্ব ভুলে, মাস্ক না পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাতে করোনা বাড়ছে বলে মত তাঁদের। প্রসঙ্গত, এই রাজ্য থেকে প্রচার করে ফেরার পরেই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলের কর্মী-সমর্থকদের সতর্ক করে জানিয়েছেন, প্রত্যেকে যেন মাস্ক পড়েন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, করোনার সময়ে প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাউকেই দেখা যায়নি। এখন প্রত্যেকে ভোটের প্রচারে আসছেন। তিনি যে করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই মানুষের পাশে আছেন সেটা বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। রাজ্যের করোনা সংক্রমণের কারণ যে বিজেপি এর আগে একাধিক বার এই বিষয়ে সরব হয়েছেন তিনি। কেন্দ্র কোনও ধরনের হস্তক্ষেপ করছে না বলেও তাঁর অভিযোগ ছিল। তবে ভোট চলাকালীন করোনা ইস্যুতে যে ভাবে দুই পক্ষই সরব হয়েছে তাতে রাজ্যের ভোটে করোনা অন্যতম ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Published by:Simli Raha
First published: