মোদির ব্রিগেডে মিঠুন থেকে অক্ষয় কুমার, ভিড় টানতে বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন নেতারা

মোদির ব্রিগেডে মিঠুন থেকে অক্ষয় কুমার, ভিড় টানতে বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন নেতারা

রাত পোহালেই আসছেন মোদি। তুমুল প্রস্তুতি ব্রিগেডে।

বিজেপির শিবিরের তৎপরতার মূল কারণ একদিকে যেমন বিজেপি-বিরোধী প্রতিটি দলকে শক্তির পরিচয় দেওয়া, তেমনই প্রতিটি নেতাকর্মীকে মোদির ভোক্যাল টনিকে উজ্জীবীত করা।

  • Share this:

    #কলকাতা: কথায় বলে ইজ্জত কা সাওয়াল। রবিবাসরীয় ব্রিগেড বিজেপির কাছে আসলে তাই। তাই কোথাও এতটুকু ফাঁক রেখে সর্বস্ব দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন দলীয় নেতারা। বিজেপি , সংযুক্ত মোর্চার ব্রিগেড এর থেকেও বেশি লোক টানা। থাকছে নানা চমকও। একদিকে যেমন আসতে পারেন মিঠুন চক্রবর্তীর, অক্ষয় কুমাররা তেমনই দেখা যেতে পারে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীকেও। এমনকি কাল মমতার প্রার্থী তালিকায় জায়গা না পাওয়া কেউ রাতারাতি দল পাল্টে আগামিকাল মোদিমঞ্চে অবতীর্ণ হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

    কাল দুপুর দুটোয় ব্রিগেড মঞ্চে সমাবেশ করবে বিজেপি। হাল আমলে প্রধানমন্ত্রী যখনই কোনও বড় জনসভা করেন, মূলত নিরাপত্তার খাতিরেই সেই মাঠে চাঁদোয়া দিয়ে ঘেরা হয়। কিন্তু বিজেপির উদ্যোক্তারা এবারের ব্রিগেড করতে চাইছেন খোলা আকাশের নীচে। কারণ একটাই, বামেদের বার্তা দেওয়ার তারাও নিয়মতান্ত্রিক দল। বলা ভালো, বামেদের দেখিয়ে দেওয়া তাদের থেকেও বেশি ভিড় টানতে সক্ষম হয়েছে গেরুয়া শিবির। মূল মঞ্চটি হচ্ছে ৪০ ফুট/৭২ ফুটের।

    বিজেপির নির্বাচনী তালিকা সামনে আসেনি, প্রকাশিত হয়নি ইস্তেহারে। এই অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সর্বাত্মক প্রচার শুরুর আগে ব্রিগেডে যেন হয়ে উঠতে চলেছে পদ্মশিবিরের এপিসেন্টার। বিজেপির শিবিরের তৎপরতার মূল কারণ একদিকে যেমন বিজেপি-বিরোধী প্রতিটি দলকে শক্তির পরিচয় দেওয়া, তেমনই প্রতিটি নেতাকর্মীকে মোদির ভোক্যাল টনিকে উজ্জীবীত করা।

    ভিড় টানতে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে জেলার নেতাদের মধ্যে। শুক্রবার দিল্লি থেকে ফিরেই  পাশকুড়ায় সভা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। মনে করা হচ্ছে, অখণ্ড মেদিনীপুর এই সভায় ব্যাপক লোক টানবে। কোচবিহার থেকে ভিড় টানতে চলেছেন নীশিথ প্রামাণিক।  লকেট চট্টোপাধ্যায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়রা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ব্রিগেড প্রচার চালাচ্ছেন। আজই কৈলাস বিজয়বর্গীর প্রচার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক কালীঘাটে। নিজেদের জেলায় জোর প্রচার চালাচ্ছেন দলের অন্য ছোটবড় নেতারাও। ঠিক যেমন বামেদের ব্রিগেডে বুথ ধরে লোক আনা হয়েছিল, বিজেপির স্ট্র্যাটেজি অনেকটা তেমনই।

     ২০১৪ হোক বা ২০১৯, বিজেপি জোড়া লোকসভা ভোটেই দেখেছে মোদি হাওয়া ম্যাজিকের মতো কাজ করেছে। ইস্যু ধরে নয় তাঁকে দেখেই যেন ভোট দিয়েছেন মানুষজন। বাংলায় ২৯৪ আসনের যু.

    দ্ধে জিততে বিজেপি সেই একই রণকৌশল নিচ্ছে, ভোট চাইছে মোদিকে সামনে রেখেই। সেক্ষেত্রে কাল ব্রিগেডের সভা যেন তাদের কাছে মাহেন্দ্রক্ষণ, তারপরেই প্রার্থীতালিকা দেবে দল। প্রার্থীতালিকা আগে প্রকাশ হয়ে গেলে পাছে মনোমালিন্য সামনে আসে, সেই কারণেই এমন ভাবে সাজানো ঘটনাপরম্পরা, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    Published by:Arka Deb
    First published: