• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • BIDHANNAGAR POLICE ARRESTED FAKE SUB INSPECTOR HE WAS CHEATING MILLIONS OF RUPEES SR

Fake Sub-Inspector: এ বার বিধাননগর পুলিশের জালে ভুয়ো সাব-ইনস্পেক্টর! প্রতারণা করছিল লক্ষ লক্ষ টাকা 

প্রথমে আট লক্ষ টাকা থেকে নেওয়া শুরু হয় অভিযুক্তের। বিভিন্ন সময় নানান কথা বলে দফায় দফায় ৪৮ লক্ষ টাকা নেয় মাত্র এক বছরের মধ্যে।

প্রথমে আট লক্ষ টাকা থেকে নেওয়া শুরু হয় অভিযুক্তের। বিভিন্ন সময় নানান কথা বলে দফায় দফায় ৪৮ লক্ষ টাকা নেয় মাত্র এক বছরের মধ্যে।

  • Share this:

Susovan Bhattacharjee

#বিধাননগর: নিজেকে বিধাননগর পুলিশের সাব-ইনস্পেক্টর পরিচয় দিয়ে গ্রেফতার সুমন ভৌমিক।  মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। অভিযোগ, হরিদেবপুরের বাসিন্দা রাজদেও সিং বিভিন্ন সময় সরকারি কাজের বরাদ নেন। রাজদেও-র সঙ্গে গত বছর ফেব্রুয়ারিতে পরিচয় হয় সুমন ভৌমিকের । সুমন নিজেকে বিধাননগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের টেন্ডার ডিপার্টমেন্টের সাব-ইনস্পেক্টর পরিচয় দেয়। রাজদেও সিং-কে বিধাননগর এলাকায় রাস্তায় বাতিস্তম্ভ বসানোর কথা বলে সুমন। রাজদেও সেই শর্তে রাজি হলে তাকে জানানো হয়, আট কোটি কুড়ি লক্ষ টাকার টেন্ডারের জন্য কিছু খরচের কথা।  সেই টেন্ডার পেতে গেলে রেজিষ্ট্রেশন ফি-সহ বিভিন্ন খরচের কথা বলে অভিযুক্ত সুমন।

প্রথমে আট লক্ষ টাকা থেকে নেওয়া শুরু হয় অভিযুক্তের। বিভিন্ন সময় নানান কথা বলে দফায় দফায় ৪৮ লক্ষ টাকা নেয় মাত্র এক বছরের মধ্যে।  সুমন ভৌমিক ছাড়াও তিন জন এই প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ রাজদেও-র। বাকি তিন জনের মধ্যে দুই জন সাব-ইনস্পেক্টর ও অতিরিক্ত ডিসির সহকারী পরিচয় দিয়ে সুমনের সঙ্গে প্রতারণায় সাহায্য করে বলে অভিযোগ।  বিভিন্ন সময় টাকা নেওয়ার পরেও রাজদেও-র গাড়ি কাজের জন্য হাতিয়ে নেয় সুমন। বিভিন্ন সময় সুমন নিজেকে স্পেশ্যাল মিশনের পুলিশ পরিচয় দিতেন অভিযোগকারীকে।

এপ্রিল মাসে রাজদেও চারু মার্কেট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এই তদন্তে নেমে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্তের দায়িত্ব নেয়। বিভিন্ন সূত্র মারফত পুলিশ জানতে পারে অভিযুক্ত সুমন ভৌমিক বিধাননগর ট্রাফিক পুলিশের সিভিক ভলেন্টিয়ারের কাজ করত। অভিযোগকারী রাজদেও সিং জানান, ‘‘প্রতারণা করছে তখন বুঝি, যখন এতগুলো টাকা দিয়েও কাজ হচ্ছে না। তবে বোঝার কোনও উপায় ছিল না কারণ যে নম্বর গুলে দেওয়া হয়েছিল সেগুলো ট্রু কলারে সব পুলিশ নাম থাকত। একটি ল্যান্ড ফোন থেকে বারবার ফোন আসত, সেটা আবার ডিসি ট্রাফিক নাম ট্রু কলারে উঠত।’’

অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত সুমন ভৌমিকে গ্রেফতার করে পুলিশ । জেরায় আরও জানা যায়, টাকার জন্য দেড় বছর আগে বিধাননগর ট্রাফিক পুলিশের সিভিক ভলেন্টিয়ারের কাজ ছেড়ে প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করেছিল অভিযুক্ত।  বিধাননগরে একটি বার তৈরি করেছে সুমন। সুমন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করলেও প্রতারণার পথ বেছে নিয়ে প্রচুর ব্যাক্তিকে প্রতারিত করেছে। পুলিশের কাছে তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৫-৬ জনকে একইভাবে প্রতারিত করেছে সুমন ভৌমিক। বুধবার আলিপুর আদালতে পেশ করা হলে আগামী মাসের ছয় তারিখ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আলিপুর আদালত। অভিযুক্ত সুমন ভৌমিকে গ্রেফতার করে আরও তিন প্রতারকের হদিশ পেতে চায় তদন্তকারী অফিসার।

Published by:Simli Raha
First published: