• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ট্রেন নয় বেড়ানোয় ভরসা বাস ও বিমান 

ট্রেন নয় বেড়ানোয় ভরসা বাস ও বিমান 

করোনা'র ভয়ে বাঙালি এবার বেশ দ্বিধায়। বেড়ানো উচিত হবে কি হবে না। তবে ভয় দুরে সরিয়ে রেখে মন পালাই পালাই এর মতো বেড়ানো শুরু করতে চলেছে বাঙালি।

করোনা'র ভয়ে বাঙালি এবার বেশ দ্বিধায়। বেড়ানো উচিত হবে কি হবে না। তবে ভয় দুরে সরিয়ে রেখে মন পালাই পালাই এর মতো বেড়ানো শুরু করতে চলেছে বাঙালি।

করোনা'র ভয়ে বাঙালি এবার বেশ দ্বিধায়। বেড়ানো উচিত হবে কি হবে না। তবে ভয় দুরে সরিয়ে রেখে মন পালাই পালাই এর মতো বেড়ানো শুরু করতে চলেছে বাঙালি।

  • Share this:

#কলকাতা: বড় ঘড়ির তলায় দাঁড়িয়ে থাক। আমরা আসছি। বা শিয়ালদহ স্টেশনের ফোয়ারার সামনে দাঁড়িয়ে থাক, আমরা প্রায় এসে গেছি। চলতি বছরে এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা ভীষণ কম। কারণ ট্রেনে নয় বাঙালি এবার বেড়াতে যাচ্ছে বাসে বা বিমানে। বাঙালির পায়ের তলায় সর্ষে। পুজোর সময় ব্যাগ প্যাক করে বেড়াতে যাবে না এমন বাঙালি ভীষণ কম। যদিও করোনা'র ভয়ে বাঙালি এবার বেশ দ্বিধায়। বেড়ানো উচিত হবে কি হবে না। তবে ভয় দুরে সরিয়ে রেখে মন পালাই পালাই এর মতো বেড়ানো শুরু করতে চলেছে বাঙালি।

বহু বছর ধরে বাঙালির বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার প্রিয় আস্থা হল কুন্ডু স্পেশাল। অবশেষে তারা তাদের ট্যুর প্ল্যান ঘোষণা করল। সেই অনুযায়ী স্বাস্থ্য প্রাধান্য দিয়েই আগামী মাসের শুরু থেকেই চালু হচ্ছে বেড়ানো। বাঙালির বেড়ানোর সঙ্গে রেলের একটা ভীষণ ভালো সম্পর্ক আছে। রাতের ট্রেনে উঠে, জমিয়ে আড্ডা বা ডিনার প্ল্যান। সবটাই বেড়ানোর অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবেই ধরে নেওয়া হয়। তাতেই এবার ছেদ পড়েছে। কারণ সংক্রমণের ভয়ে এবার বেড়ানো বাসে বা বিমানে।

কুন্ডু স্পেশালের কর্ণধার সৌমিত্র কুন্ডু জানাচ্ছেন, "ট্রেনে এসি'র মধ্যে একসাথে অনেকে যাওয়া। সারা রাত যাত্রা করে যাওয়ায় একটা ভয় থেকে যাচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘ সময়ের যাত্রায় সকাল বেলা ট্রেনের শৌচালয়ের সামনে যে ভিড়টা জমে সেটাও খারাপ এখন। এছাড়া ছোট স্পেসে যাতায়াত করায় একটা সাময়িক সমস্যা থেকে যায়। তাই মাত্র কয়েক ঘন্টার যাত্রা হলে আমরা ট্রেনে নিয়ে যাচ্ছি, তারপর বাকিটা বাস ও বিমান।"

প্রসঙ্গত দীর্ঘদিন পরে কুন্ডু স্পেশাল চালু করছে দেওঘর ট্রিপ। যা শেষ হবে বেনারস দিয়ে। সৌমিত্র বাবু নিজেই মনে করতে পারছেন না শেষ কবে তারা এই ট্রিপ করিয়েছেন। অন্তত ষাট বছর আগে এই ট্রিপ হয়েছে। করোনার জেরে এবার ট্রিপ শুরু তাদের হাওড়া থেকে ট্রেনে দেওঘর। সেখান থেকে লাক্সারি বাসে বেনারস, এলাহাবাদ। আবার সেখান থেকে বিমানে কলকাতা। শুধু এই ট্যুর নয়। তাদের আর একটা ট্যুর হচ্ছে বিমান ও বাসে। কলকাতা থেকে বিমানে চণ্ডিগড়। সেখান থেকে লাক্সারি বাসে মানালি, অটল টানেল ধরে কেলং, রোহতং পাস। সেখান থেকে চণ্ডিগড় হয়ে বিমানে কলকাতা ফেরত।

সৌমিত্র বাবু জানাচ্ছেন, "বিমানে যাতায়াতের জন্যে খরচ অবশ্যই একটু বেশি লাগছে। কিন্তু স্বাস্থ্য সুরক্ষা আগে।" তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবার কম জন নিয়ে ট্রিপ প্ল্যানিং করবেন। আগে তারা প্রতি ট্যুরে সাধারণত ৪০ জন নিয়ে যেতেন। এবার সেখানে মাত্র ২৫ জনকে নিয়ে ট্রিপ হবে। সাথে সংস্থার ম্যানেজার, রাঁধুনি সবাই থাকবে। ফলে স্বাস্থ্য বিধি মেনে, রেল গাড়ি ছেড়ে এবার অন্যরকম বেড়ানো শুরু বাঙালির কুন্ডু স্পেশালের হাত ধরে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: