corona virus btn
corona virus btn
Loading

চন্দ্রমুখী, জ্যোতি আলুর দাম আকাশছোঁয়া ! অনাদরের পোখরাজ আলুর অপেক্ষায় আমবাঙালি

চন্দ্রমুখী, জ্যোতি আলুর দাম আকাশছোঁয়া ! অনাদরের পোখরাজ আলুর অপেক্ষায় আমবাঙালি

বছরের অন্যান্য সময় তার চাহিদা তেমন নেই। সেই অনাদরের পোখরাজ আলুর দিকেই এখন তাকিয়ে আমবাঙালি

  • Share this:

SARADINDU GHOSH

#কলকাতা: বছরের অন্যান্য সময় তার চাহিদা তেমন নেই। সেই অনাদরের পোখরাজ আলুর দিকেই এখন তাকিয়ে আমবাঙালি। কারণ আলুর আকাশছোঁয়া দর। বর্ধমানের এই আলু বাজারে এলে কমতে পারে দাম।​ তাই সেই নিম্নমানের নতুন আলুর দিকেই এখন তাকিয়ে সাধারণ মানুষ।

বছর শেষে আলুর দাম আকাশ ছোঁয়া।​কেজি প্রতি জ্যোতি আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। চন্দ্রমুখী আলুর দাম ৩০ টাকা কেজি। এমনিতেই পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি একশো টাকার উপরেই রয়েছে। তার ওপর আলুর দামও আকাশ ছোঁয়া, কাজেই বাজারে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে মধ্যবিত্তদের।

কাজেই ভরসা এখন পোখরাজ ও এস ওয়ান আলু। বর্ধমানের এই আলু আর কয়েক দিনের মধ্যেই বাজারে চলে আসবে। এখন সেই দিকেই তাকিয়ে আমবাঙালি। এই নতুন আলু বাজারে এলে ঘাটতি মিটবে অনেকটাই, কিছুটা কমতে পারে আলুর দাম।

বর্ধমানের কালনা, পূর্বস্থলী, মেমারি, শক্তিগড়ে ব্যাপক পরিমাণে এই আলুর চাষ হয়। এই আলু চাষ করা হয় জ্যোতি, চন্দ্রমুখী আলু চাষের অনেক আগে। বলা ভালো, জ্যোতি, চন্দ্রমুখী আলুর গাছ যখন বের হয় তখন বাজারে চলে আসে পোখরাজ ও এস ওয়ান আলু।

এমনিতে পোখরাজ ও এস ওয়ানের কদর নেই এই রাজ্যে। জ্যোতি, চন্দ্রমুখীর মতো হিমঘরেও রাখা যায় না। হিমঘরে রাখলে একটা সময়ের পর তা পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই এই আলুর দায়িত্ব তাঁরা নেবেন না বলে বন্ডে লিখে দেয় হিমঘর কর্তৃপক্ষ। এই আলু শুধুমাত্র জ্যোতি, চন্দ্রমুখী আলু বাজারে আসার আগের চাহিদা মেটাতেই চাষ হয়। এইসময় চাহিদা বেশি থাকায় কৃষকরাও কিছুটা লাভের মুখ দেখতে পান।

পোখরাজ আলু দেখতে জ্যোতি আলুর মতোই। আবার এস ওয়ান আলু দেখতে এক্কেবারে চন্দ্রমুখী আলুর মতো। চন্দ্রমুখীর মতোই তার সোনালী রঙ। রূপে মন ভোলালেও এই দুই আলু স্বাদে অনেকটাই নিম্নমানের। কিন্তু চন্দ্রমুখী, জ্যোতি আলুর দাম যখন রেস্তর বাইরে, তখন এই আলুই খেতেই বাধ্য হতে হয় সাধারণ মানুষকে। শহুরে অনেক ক্রেতাই আবার বাইরে থেকে এস ওয়ানের ফারাক বোঝেন না। তাঁরা চন্দ্রমুখী ভেবে বেশি দাম দিয়ে সেই নিম্নমানের আলু কিনে নিয়ে যান।

Published by: Rukmini Mazumder
First published: December 20, 2019, 3:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर