• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • মানিব্যাগ, চশমা, মোবাইল নিমেষে জীবাণুমুক্ত হবে, কম দামে পোর্টেবল মেশিন তৈরি করলেন বঙ্গসন্তান

মানিব্যাগ, চশমা, মোবাইল নিমেষে জীবাণুমুক্ত হবে, কম দামে পোর্টেবল মেশিন তৈরি করলেন বঙ্গসন্তান

ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলেছেন ১ ফুট বাই ৩ ফুট পোর্টেবল স্টেরিলাইজেশন মেশিন। যার মাধ্যমে সম্পূর্ণ শুষ্ক অবস্থায় মোবাইল, ঘড়ি, টাকা-পয়সা, মানিব্যাগ, চশমা, বইখাতা এমনকি জামাকাপড়ও সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত হবে ।

ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলেছেন ১ ফুট বাই ৩ ফুট পোর্টেবল স্টেরিলাইজেশন মেশিন। যার মাধ্যমে সম্পূর্ণ শুষ্ক অবস্থায় মোবাইল, ঘড়ি, টাকা-পয়সা, মানিব্যাগ, চশমা, বইখাতা এমনকি জামাকাপড়ও সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত হবে ।

ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলেছেন ১ ফুট বাই ৩ ফুট পোর্টেবল স্টেরিলাইজেশন মেশিন। যার মাধ্যমে সম্পূর্ণ শুষ্ক অবস্থায় মোবাইল, ঘড়ি, টাকা-পয়সা, মানিব্যাগ, চশমা, বইখাতা এমনকি জামাকাপড়ও সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত হবে ।

  • Share this:

    BISWAJIT SAHA

    #কলকাতা:  লকডাউন পিরিয়ডে ঘরে বসে ভাবনা। কী করে করোনা প্রতিরোধে কাজে লাগানো যায় নিজের অভিজ্ঞতাকে। একদিন সব রকম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে বাজারে গিয়েও আশঙ্কা মানিব্যাগ এবং টাকা পয়সার মাধ্যমে তো করোনা আসতে পারে ঘরে। সেই ভাবনা থেকেই ইউভি (আল্ট্রাভায়োলেট) রশ্মি দিয়ে স্টেরিলাইজ করার পোর্টেবল মেশিন তৈরি হল। পেশায় ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। শান্তনু ভৌমিক। কাজ করেছেন লার্সেন-টুব্রো  ও ফিলিপস-এর মত বহুজাতিক সংস্থায়। পুণে, ব্যাঙ্গালুরু-সহ ভারতের নানা রাজ্যে ঘুরেছেন। লকডাউন পিরিয়ডে সেই ভাবনার আনলক পর্বে বাস্তবায়ন। ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলেছেন ১ ফুট বাই ৩ ফুট পোর্টেবল স্টেরিলাইজেশন মেশিন।

    সাধ্যের মধ্যেই দাম পড়বে এই মেশিনের। অফিস, স্কুল, দোকান, ডক্টরস চেম্বার এমনকি নিজের বাড়িতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। অফিসের এক্সিট ও এন্ট্রিতে সহজেই টেবিলের উপর বসিয়ে রাখা যাবে এই মেশিনটি।মানিব্যাগ থেকে মোবাইল ,টাকা-পয়সা ,ঘড়ি,  চশমা এসব স্টেরিলাইজ করা যাবে। এমনকি সেলুনের ক্ষুর কাঁচি ও স্টেরিলাইজ করা যাবে এই মেশিনের মাধ্যমে। এতে করোনা ভাইরাস নষ্ট হয়ে যাবে বলে দাবি প্রযুক্তিবিদের। আল্ট্রাভায়োলেট -সি এই রশ্মির মাধ্যমে সহজেই করোনাভাইরাস নষ্ট হয়ে যায়। মুদিখানা বাজার থেকে শুরু করে ফল সবজি ও এই মেশিনে স্টেরিলাইজ করা যাবে। সে ক্ষেত্রে মেশিনের আকার ছোট বড় করা যেতে পারে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসকের চেম্বারে এই মেশিন বসিয়েছেন শান্তনুবাবু। সেলুন সহ বিভিন্ন ছোট-বড় অফিসে এই মেশিন অত্যন্ত কার্যকরী বলে মনে করছেন। সিঙ্গেল ট্রে টাইপের এই মেশিন ভবিষ্যতে ডাবল বা মাল্টিপল ট্রে-তে করতে চান তিনি।

    সেক্ষেত্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের জন্য একটি ট্রে ও অন্যটিতে মোবাইল সহ অন্যান্য সামগ্রী স্টেরিলাইজেশনের ব্যবস্থা থাকবে। অর্থাৎ অফিসে বা কোনও প্রতিষ্ঠানে কোনও ব্যক্তিকে বসে হ্যান্ড স্যানিটাইজেশনের জন্য স্যানিটাইজার স্প্রে করতে হবে না। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিস  ও বাজারে ঢোকার মুখে স্যানিটাইজেশন গেট বসানো হচ্ছে। তাতে সম্পূর্ণ মানব দেহ স্যানিটাইজেশন হলেও পকেটের মানিব্যাগ, ঘড়ি, চশমা, মোবাইল এগুলো স্টেরিলাইজেশন হয় না। আর তাতেই করোনার বাহক হতে পারে এগুলো। তাই অফিস বা কোনও প্রতিষ্ঠানে ঢোকার মুখে সম্পূর্ণভাবে নিজেকে স্টেরিলাইজ করার জন্য এই মেশিন অত্যন্ত কার্যকরী। শুধু মানিব্যাগ বা মোবাইল নয়, জামাকাপড় স্টেরিলাইজড করা যাবে এই মেশিনে। সম্পূর্ণ শুষ্ক ভাবেই এই স্টেরিলাইজেশনের ফলে এটিএম কার্ড থেকে আইডেন্টি কার্ড তাও স্টেরিলাইজ করা যাবে ইউভি রশ্মির মাধ্যমে।

    Published by:Simli Raha
    First published: