Viral Video: কপাল ভর্তি দানের সিঁদুর, বিদায় শেষে বরকে স্কুটিতে চাপিয়ে সটান শ্বশুরবাড়িতে নববধূ! তুমুল ভাইরাল ভিডিও...

Viral Video: কপাল ভর্তি দানের সিঁদুর, বিদায় শেষে বরকে স্কুটিতে চাপিয়ে সটান শ্বশুরবাড়িতে নববধূ! তুমুল ভাইরাল ভিডিও...

টুকটুকে লাল বেনারসি। শাঁখা-পলা, গা ভর্তি সোনার গয়না, মাথায় সোলার মুকুট। সবেমাত্র বাসি বিয়েতে সিঁদুরদান শেষ হয়েছে। তারপরেই সবাইকে তাক লাগিয়ে বরকে স্কুটির পিছনে চাপিয়ে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিল নববধূ।

টুকটুকে লাল বেনারসি। শাঁখা-পলা, গা ভর্তি সোনার গয়না, মাথায় সোলার মুকুট। সবেমাত্র বাসি বিয়েতে সিঁদুরদান শেষ হয়েছে। তারপরেই সবাইকে তাক লাগিয়ে বরকে স্কুটির পিছনে চাপিয়ে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিল নববধূ।

  • Share this:

    #কলকাতা: টুকটুকে লাল বেনারসি। শাঁখা-পলা, গা ভর্তি সোনার গয়না, মাথায় সোলার মুকুট। সবেমাত্র বাসি বিয়েতে সিঁদুরদান শেষ হয়েছে। তারপরেই সবাইকে তাক লাগিয়ে বরকে স্কুটির পিছনে চাপিয়ে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিল নববধূ। রাস্তায় বর-কনেকে দেখতে হাঁ করে দাঁড়িয়ে পড়লেন আট থেকে আশি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও পোস্ট হতেই ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

    স্কুটি চালানোটা প্যাশন। তাই বিয়ের পরে এ ভাবে বরকে পিছনে বসিয়ে শ্বশুড়বাড়িতে গিয়ে বেজার খুশি শিলিগুড়ির শক্তিগড়ের বাসিন্দা সুদেষ্ণা সরকার। শিলিগুড়ি থেকে স্কুটিতে চাপিয়ে বরকে নিয়ে আপার বাগডোগরা পাড়ি দেন বিয়ের ঠিক পরের দিন সকালে। বর-বউয়ের এই অভিনব কীর্তি ক্যামেরাবন্দি করেছেন সুদেষ্ণার দাদা সৌত্রিক বসু। তিনিই সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেটি দেখে ফেলেছেন কয়েক হাজার মানুষ।

    সুদেষ্ণার বর কৃষ্ণ দে পেশায় ব্যবসায়ী। বাড়ি থেকে বিয়ে ঠিক হয় দু'জনের। এ দিন সকাল সকাল বউকে সিঁদুর পরিয়ে, ধূতি-পাঞ্জাবি স্কুটির পিছনে চেপে বসেন তিনি। কৃষ্ণ জানিয়েছেন, "বিয়ের আগেই নিজের ইচ্ছের আমাকে জানিয়েছিল সুদেষ্ণা। আমিও রাজি হয়ে যাই। সেই মতোই বাসি নিয়ে শেষ হতেই বিয়ের সাজে বেরিয়ে পড়েছিলাম। গোটা বিষয়টা এত উপভোগ্য হবে ভাবিনি।'

    এ দিকে, সুদেষ্ণার দাদা সৌত্রিক বসু জানিয়েছেন, বোন স্কুটি চালাতে ভালবাসে। তাই আমরা কেউ ওর ইচ্ছেতে বাধা দিইনি। এমনকি শ্বশুরবাড়ি থেকেও কোনও বাধা দেয়নি। বরং সকলেই বিষয়টি খুবই মজার ছলে নিয়েছেন। বরং সকলে ওর ভাবনাকে সমর্থন করেছে।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published:

    লেটেস্ট খবর