Home /News /kolkata /
মহাষষ্ঠী-মহানবমী, এসবি পার্কের 'দুগ্গার হেঁসেল' হাসি ফোটাবে ঠাকুরপুকুর এলাকার প্রান্তিক মানুষদের মুখে

মহাষষ্ঠী-মহানবমী, এসবি পার্কের 'দুগ্গার হেঁসেল' হাসি ফোটাবে ঠাকুরপুকুর এলাকার প্রান্তিক মানুষদের মুখে

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

শহরের অন্যান্য পুজো কমিটির মতো ঠাকুরপুকুর স্টেট ব্যাঙ্ক পার্কও তাদের মণ্ডপ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেবে তৃতীয়ার সন্ধ্যা থেকেই। তবে শুধুমাত্র পুজোর জন্য পুজো নয়। এবারে এস বি পার্কের পুজো অনেকটা দায়বদ্ধতার।

  • Share this:

#কলকাতা: পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। করোনা আবহেও শহর সেজেছে আলোকমালায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শহরের একাধিক পুজো উদ্বোধন করে দিয়েছেন। শনি, রবি বা সোমবারের মধ্যেই টালা থেকে টালিগঞ্জ, নিউ আলিপুর, বেহালা কিংবা বরানগরের পুজোমণ্ডপ খুলে দেওয়া হবে শহর থেকে শহরতলির দর্শনার্থীদের জন্য। শহরের অন্যান্য পুজো কমিটির মতো ঠাকুরপুকুর স্টেট ব্যাঙ্ক পার্কও তাদের মণ্ডপ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেবে তৃতীয়ার সন্ধ্যা থেকেই। তবে শুধুমাত্র পুজোর জন্য পুজো নয়। এবারে এস বি পার্কের পুজো অনেকটা দায়বদ্ধতার।

৭৫ তম অর্থাৎ সুবর্ণজয়ন্তী বছরে এসবি পার্ক এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে। পুজোর চারদিন মণ্ডপ প্রাঙ্গণেই চলবে হেঁসেল। সেই হেঁসেল থেকে খাবার এলাকার হাজার মানুষের হাঁতে ত্যুলে দেবেন কর্মকর্তারা। পুজো জোগাড়ের পাশাপাশি, মায়ের সন্তানদের মুখে একটু হাসি ফোটাতে বাজার করা, কাটা-ধোয়া-বাছা, রান্না আর তারপর মানুষের হাঁতে সেই খাবার তুলে দেওয়া। এ এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। দশভূজার সামনেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞ, বলা ভাল মা দুর্গার পুজোতেই এই আয়োজন। তাই উদ্যোক্তারা এই হেঁসেলের নাম দিয়েছেন 'দুগ্গার হেঁসেল'

এসবি পার্কের ২০২০-র মণ্ডপ । এসবি পার্কের ২০২০-র মণ্ডপ ।

ষষ্ঠী থেকে নবমী পর্যন্ত হেঁসেল চলবে। চারদিনে চার ধরনের মেনু থাকছে। ঠাকুরপুকুর স্টেট ব্যাঙ্ক পার্কের সম্পাদক অজয় মজুমদার জানিয়েছেন, "করোনা আবহে বহু মানুষ তাঁদের কাজ হারিয়েছেন। পুজোর দিনে আমরা সবাই আনন্দ করব, আর পাড়া এবং পাড়া সংলগ্নও এলাকার কিছু মানুষ অনাহারে, অর্ধাহারে ঘরের কোনে বসে দিন কাটাবেন, চোখের জল ফেলবেন, তা হয় না। তাই ক্লাবের সদস্যরা মিলেই এই সিদ্ধান্ত হয়।"

কী খাওয়ান হবে দুগ্গার হেঁসেল-থেকে! ষষ্ঠীর মেনু ভাত, ডাল, আলুভাজা, পাঁচমিশালি তরকারি, মিষ্টি। সপ্তমীর দিন থাকবে ভাত, ডাল, আলুভাজা, পাঁচমিশালি তরকারি, ডিমের কালিয়া এবং মিষ্টি। অষ্টমীর দিন দুগ্গার হেঁসেল-এ রান্না হবে পোলাও  ভাত, ডাল, আলুভাজা এবং মাংস।

পুজো কর্মকর্তাদের আরও একজন অজয় মুজমদার বলেন, "পুজো শুরুর আগেই পরিবারগুলির হাতে কুপন পৌঁছে দেওয়া হবে পুজো কমিটির পক্ষ থেকে। সেই কুপন নিয়ে ষষ্ঠী থেকে দশমী পুজো প্রাঙ্গণে এলেই সামাজিক দূরত্ব বিধি-সহ করোনা বিধি মেনে দুগ্গার হেঁসেল-থেকে তাঁদের হাতে খাবার তুলে দেওয়া হবে। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এসবি পার্কের এই অভিনব ভাবনায় তারা সকলেই খুশি।

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: ​durga-puja-2020

পরবর্তী খবর