corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘ছিঃ, কত জঞ্জাল!’ দুষলেন রেলকে, শহরের অবস্থা দেখে অবাক খোদ কলকাতার মেয়র! 

‘ছিঃ, কত জঞ্জাল!’ দুষলেন রেলকে, শহরের অবস্থা দেখে অবাক খোদ কলকাতার মেয়র! 

রবিবাসরীয় সকালে শহরের অবস্থা দেখে মেয়র বুঝলেন কলকাতা আবর্জনা মুক্ত নয়। রাস্তার পাশে পড়ে থাকা নোংরা থেকে রেলের জমির চিত্র একই।

  • Share this:

#কলকাতা: কলকাতা পুরসভার মেয়র মাঝে মধ্যেই শহর পরিদর্শনে বেরিয়ে পড়েন, রবিবারও সেই পরিকল্পনা নেন ববি হাকিম। নিজ বাসভবন থেকে গাড়ি করে শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি রোডে পৌঁছাতেই দেখতেন আবর্জনার পাহাড়। হঠাৎ পরিদর্শনের সঙ্গী করেছিলেন মেয়র পারিষদ( জঞ্জাল)  দেবব্রত মজুমদারকে। এদিন শুধুই যে বিপুল স্তূপাকার আবর্জনা দেখতেন তা নয়, পথে ঘাটে ডেঙ্গুর আঁতুড়ঘরও নিজের চোখে দেখলেন মেয়র।

পুরসভার কর্মীরা দেখে ছুটে এসে নির্দেশ মতো আবর্জনা সরানোর কাজ করার পাশাপাশি স্থানীয় থানা টালিগঞ্জের অফিসাকে ডেকে বাস সরানোর কাজও শুরু করলেন। তারপর শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি রোডের উপর রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের জমি দেখে বেজায় ক্ষুদ্ধ হলেন ববি হাকিম। বাইরে থেকে সেই পরিস্থিতি দেখে রেলের পড়ে থাকা জমিতে নিজেই চলে গেলেন। গিয়েই বুঝলেন বর্তমানে রেলের জমি এখন আবর্জনা ফেলার স্থানে পরিণত হয়েছে।  মেয়র পারিষদ ও পুরসভার জঞ্জাল বিভাগের আধিকারিকে নির্দেশ দিলেন পরিস্থিতির উন্নতি করতে। রবিবার দুই ঘন্টার পরিদর্শন ছিল মূলত দক্ষিণ কলকাতার মধ্যে চেতলা ও টালিগঞ্জ কেন্দ্রিক।

মাঝে মধ্যেই গাড়ি থেকে নেমে রাস্তা সারাইয়ের কাজ দেখতে চলে যান কলকাতার মহানাগরিক। এদিন ছুটির সকালের রবিবার হঠাৎ পরিদর্শনে মেয়র বুঝতে পারলেন জঞ্জাল আছে শহরে এখনও, যা চোখের বাইরে থেকেই শহরকে নোংরা করছে৷ এদিনের পরিদর্শনে মেয়র স্বীকার কররেন পুরসভার কর্মীদের একাংশের গাফিলতিতে এই দৃশ্য।  যদিও তার বেশিরভাগ কারণ হিসাবে দেখালেন রেলের পড়ে থাকা জমিকেই। জানালেন রেলের মত কেন্দ্রীয় সংস্থার নিজের জমির প্রতি নজর না দেবার জন্যই এই অবস্থা।  আরও বলেন রেল না পারলে পুরসভার সাহায্য নিক, আবর্জনা রাখা যাবে না। রবিবার সকালের পরিদর্শনকে অনেকেই পুরভোটের প্রস্তুতি মনে করলেও মেয়রের স্পষ্ট বক্তব্য যারা রোজ পড়াশোনা করে তাদের প্রস্তুতি লাগে না।

Susovan Bhattacharjee

Published by: Elina Datta
First published: February 23, 2020, 9:22 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर