• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় প্রথম নন, দুর্নীতির জন্য নেত্রীর কাছে নিস্তার পাননি অনেকেই

অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় প্রথম নন, দুর্নীতির জন্য নেত্রীর কাছে নিস্তার পাননি অনেকেই

দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, দুর্নীতিতে রেয়াত করা হবে না কাউকেই।

দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, দুর্নীতিতে রেয়াত করা হবে না কাউকেই।

দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, দুর্নীতিতে রেয়াত করা হবে না কাউকেই।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, দুর্নীতিতে রেয়াত করা হবে না কাউকেই। সেটা যে শুধুই কথার কথা নয়, বিধাননগরের ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের গ্রেফতারিতেই তা স্পষ্ট হয়ে গেল।

    বিধাননগরে বাড়ি সম্প্রসারণের জন্য সন্তোষ লোধের কাছ থেকে বারো লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন এই কাউন্সিলর। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সেই খবর পৌঁছনো মাত্রই, তাকে গ্রেফতারির নির্দেশ দেন নেত্রী।

    অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির পরেই প্রমাণ হল, দুর্নীতিতে নাম জড়ালে ছাড় পাবেন না কেউ।  অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় প্রথম নয়, আগেও দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে শাসক দলের বহু কাউন্সিলর, বিধায়কের। তবে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে, ছাড় পাননি কেউই।

    মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না

    গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি গার্ডেনরিচে হরিমোহন ঘোষ কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষের সময় কলকাতা পুলিশের কর্মী তাপস চৌধুরী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ঘটনায় নাম জড়ায় মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নার। ওই ঘটনায় পুলিশ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। একটি খুনের ও অন্যটি সংঘর্ষএর। দুটি মামলাতেই অভিযুক্ত মুন্না। ঘটনার পরে দীর্ঘদিন ফেরার ছিল মুন্না। তার বিরুদ্ধে হুলিয়াও জারি হয়। পরে সিআইডি ও পুলিশের সাহায্যে মুন্না সহ আর ৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    শম্ভুনাথ কাউ

    উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার সিকান্দারপুরের মাতুরি গ্রাম থেকে গ্রেফতার হয় শম্ভুনাথ কাউ। ধাপা মাঠপুকুরকাণ্ডে নাম জড়িয়েছিল তৃণমূল কাউন্সিলর শম্ভুনাথ কাউয়ের। তৃণমূল নেতা অধীর মাইতি খুনের ঘটনায় সরাসরি শম্ভুনাথের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন অধীরের পরিবার।

    আরাবুল ইসলাম

    অধ্যাপককে জগ ছোঁড়া থেকে সিন্ডিকেট। বারবার নাম জড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলামের। দলের অপত্য স্নেহে বেড়ে ওঠা আরাবুলকে নিয়ে অস্বস্তি বাড়তে থাকে দলের। অবশেষে গ্রেফতার করা হয় আরাবুল ইসলামকে। রাজারহাটের একটি অ্যাপার্টমেন্টের সামনে বোমা ও সংঘর্ষের ঘটনায় ভাঙড় দু নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরাবুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে জামিন পান আরাবুল।

    মিতা মিত্র তোলাবাজির অভিযোগ ছিল এই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধেও।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম ইনিংসে একের পর এক দুর্নীতিতে বারবার শিরোনামে এসেছে দলের নেতাদের নাম। নির্বাচনের শুরুর আগে নারদকাণ্ড নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি ৷ তা নিয়ে যথেষ্ট বিব্রত মুখ্যমন্ত্রী দ্বিতীয় ইনিংসেই   কখনও নাম করে, কখনও নাম না করে সতর্ক করেছিলেন সেই সব নেতাদের।

    সিন্ডিকেট সমস্যায় বারবার নাম জড়ানোয় সব্যসাচী দত্ত এবং কাকলী ঘোষদস্তিদারকেও নিজেদের ঝামেলা মিটিয়ে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে নজর দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু তারপরেও আড়ালে আবডালে তোলাবাজি চলছিল বলেই অভিযোগ বিরোধীদের।

    সেই সব অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে যে ভাবে অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যয়কে গ্রেফতারির নির্দেশ দিলেন নেত্রী, তাতে দুর্নীতিতে জড়ানো নেতাদেরও পরোক্ষে একটা বার্তা দেওয়া হল বলেই মনে করা হচ্ছে।

    First published: