corona virus btn
corona virus btn
Loading

টেনশনে ব্যাঙ্ককর্মীরা! ভিড় এড়াতে ব্যবস্থা নিক কেন্দ্র, দাবি কর্মীদের

টেনশনে ব্যাঙ্ককর্মীরা! ভিড় এড়াতে ব্যবস্থা নিক কেন্দ্র, দাবি কর্মীদের

পরিসংখ্যান বলছে, দেশের ২৯ কোটি মানুষ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার সুবিধা নেবে। এর ফলে ব্যাঙ্কের বিভিন্ন শাখায় ব্যাপক ভিড় হবে।

  • Share this:

হিসেব কষতে পারি। ভিড় সরাতে তো পারি না। ব্যালান্স শিট আমরা বুঝি। কার কি শারীরিক সমস্যা আছে তা তো জানি না। এমনই জানা আর না জানার মাঝে দাঁড়িয়ে দোলাচলে ভুগছেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা। এই পরিস্থিতির মধ্যেই আজ অর্থাত্‍ মঙ্গলবার থেকে বিভিন্ন ব্যাংকে শুরু হয়ে গেল প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার কাজ। শুরু হয়ে গেল পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ।

বিভিন্ন ব্যাঙ্ক, বিশেষ করে জেলার বিভিন্ন গ্রামে এই পরিস্থিতিতে যে ভিড় হচ্ছে তাতে বেশ টেনশনে রয়েছেন তাঁরা।এই জন্যেই তো আমরা চিঠি দিয়েছি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে। যাতে  প্রশাসন সমস্ত ধরনের সাহায্য করতে পারেন। জানাচ্ছেন এ আই বি ও সি'র সাধারণ সম্পাদক সৌম্য দত্ত। মোট ১০ দফা দাবি জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তার প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংকিং পরিষেবার সাথে যুক্ত প্রত্যেককেই বিমার আওতায় আনতে হবে। কম করে ৫০ লক্ষ টাকার বিমা করে দিতে হবে। চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, যাদের শারীরিক সমস্যা আছে। গুরুতর সমস্যা যেমন হার্টের অসুখ, ক্যান্সার যাদের আছে তাদের বাড়ি থেকে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হোক।

অন্তঃসত্ত্বা বা বাড়িতে শিশু আছে এমন মহিলা কর্মীদেরও বাড়ি থেকে কাজ করতে দেওয়া হোক। তবে চিঠিতে বারবার তারা উল্লেখ করেছেন, গ্রাহকদের ও ব্যাঙ্ক কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি যেন মেনে চলার ব্যবস্থা করা হয়। পরিসংখ্যান বলছে, দেশের ২৯ কোটি মানুষ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার সুবিধা নেবে। এর ফলে ব্যাঙ্কের বিভিন্ন শাখায় ব্যাপক ভিড় হবে। সেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা কোনওভাবেই ব্যাঙ্ক কর্মীদের পক্ষে করা সম্ভব নয়। তাই তারা চাইছেন, পুলিশ যেন ব্যাঙ্কে থাকে। সামাজিক দুরত্ব যেন বজায় থাকার ব্যবস্থা করা যায়। যদি সামাজিক দুরত্ব না থাকে তাহলে কিভাবে করোনার মতো রোগের বিরুদ্ধে লড়াই হবে।

কলকাতার অফিস পাড়ার এক ব্যাঙ্কের কর্মী  বলছেন, টাকা গুনতে হয়। ওই টাকায় কি জীবাণু আছে তা আমি জানি না। তাই গ্রাহক গ্লাভস ও মাস্ক পড়ে আসুক। ইতিমধ্যেই এই সমস্ত দাবি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।সকাল থেকে অবশ্য কলকাতার বিভিন্ন ব্যাংকে দেখা গেল সুরক্ষা বিধির তোয়াক্কা করছে দু'পক্ষই। কিন্তু জেলার একাধিক জায়গার চিত্র বলছে, একসাথে বহু মানুষ কোনও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখছেন না। যা দেখে বা শুনে ভয় পেতে শুরু করেছেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।

ABIR GHOSHAL

Published by: Arindam Gupta
First published: March 31, 2020, 6:22 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर