• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • কালো বাজারির অভিযোগে কলকাতা থেকে গ্রেফতার ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজার-সহ ৩ জন

কালো বাজারির অভিযোগে কলকাতা থেকে গ্রেফতার ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজার-সহ ৩ জন

কালো কারবারির অভিযোগে রাজ্যে প্রথম গ্রেফতার ইডির। কলকাতায় ইডির জালে ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজার-সহ তিন জন। পরে ওই ডেপুটি ম্যানেজার, এক ব্যবসায়ী ও ট্যাক্স কনসালটেন্টকে হেফাজতে পেল সিবিআই।

কালো কারবারির অভিযোগে রাজ্যে প্রথম গ্রেফতার ইডির। কলকাতায় ইডির জালে ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজার-সহ তিন জন। পরে ওই ডেপুটি ম্যানেজার, এক ব্যবসায়ী ও ট্যাক্স কনসালটেন্টকে হেফাজতে পেল সিবিআই।

কালো কারবারির অভিযোগে রাজ্যে প্রথম গ্রেফতার ইডির। কলকাতায় ইডির জালে ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজার-সহ তিন জন। পরে ওই ডেপুটি ম্যানেজার, এক ব্যবসায়ী ও ট্যাক্স কনসালটেন্টকে হেফাজতে পেল সিবিআই।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: কালো কারবারির অভিযোগে রাজ্যে প্রথম গ্রেফতার ইডির। কলকাতায় ইডির জালে ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজার-সহ তিন জন। পরে ওই ডেপুটি ম্যানেজার, এক ব্যবসায়ী ও ট্যাক্স কনসালটেন্টকে হেফাজতে পেল সিবিআই। সাত কোটি কালো টাকা সাদা করতে ১৫টি জাল অ্যাকাউন্ট খোলার অভিযোগ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। কালো টাকা সাদা করার অভিযোগে রাজ্যে প্রথমবার কাউকে গ্রেফতার করল ইডি। বুধবার রাতে শিয়ালদহের ব্যবসায়ী সঞ্জয় জৈনের ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়। বাজেয়াপ্ত হয় প্রচুর নথিপত্র। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কের বড়বাজার শাখার ডেপুটি ম্যানেজার অমিতেশ সিনহা ও ট্যাক্স কনসালটেন্ট মনোজ মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়। ইডির সঙ্গে তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআইও। ভোররাতে তিন অভিযুক্তকে তুলে দেওয়া হয় সিবিআইয়ের অ্যান্টি করপশন ব্রাঞ্চের হাতে। সিবিআই সূত্রে জানা গেছে কোন পথে কালো টাকা সাদা হল-

    - ৮ নভেম্বর ৫০০ ও ১০০০ টাকার পুরোনো নোট বাতিল ঘোষণা - (এরপরই) গত এক মাসে ১৫ ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলেন সঞ্জয় জৈন - প্রায় ৭ কোটি কালো টাকা সাদা করতেই ভুয়ো অ্যাকাউন্ট - বিভিন্ন সংস্থার নামে অ্যাকাউন্ট খোলা হয় - সংস্থাগুলির কোনও অস্তিত্ব নেই বলে দাবি সিবিআই-এর - ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলতে সহযোগিতা করেন অমিতেশ সিনহা - মোটা কমিশনের বিনিময়ে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলতে সাহায্য - মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতেন ট্যাক্স কনসালটেন্ট ব্যবসায়ী সঞ্জয় জৈনের সঙ্গে হাওড়ার কোনও কারবারীর যোগাযোগ থাকতে পারে বলেও মনে করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের।

    ব্যবসায়ী ও ট্যাক্স কনসালটেন্টের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে- ১২০বি, আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে - ৪২০ ধারায় দায়ের হল মামলা ৷ ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজারের বিরুদ্ধে পিসিআর আইনের ১২, ১৩ ও ৭-এ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে ৷ ধৃত ব্যবসায়ী সঞ্জয় জৈন ক্যানসার আক্রান্ত। তাঁর বিরুদ্ধে সব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি আইনজীবীর। ভুয়ো অ্যাকাউন্টের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন অন্য দুই অভিযুক্তের আইনজীবী। অভিযুক্ত তিনজনকে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হলে, তিন দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। কালো টাকা সাদা করা আটকাতে নোট বাতিলের কৌশল নেয় কেন্দ্র। এরপর সারা দেশে বেশ কয়েকজন কালো কারবারিকেও গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু তাতেও যে কেন্দ্রের কৌশল ব্যর্থ, তা প্রমাণ হল কলকাতায় তিনজনের গ্রেফতারির ঘটনায়।

    First published: