• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • আবেশের খুন পূর্ব পরিকল্পিত না অনিচ্ছাকৃত, খতিয়ে দেখছে পুলিশ

আবেশের খুন পূর্ব পরিকল্পিত না অনিচ্ছাকৃত, খতিয়ে দেখছে পুলিশ

লেখক অমিত চৌধুরীর মেয়ের জন্মদিনের পার্টি চলছিল।পার্টি চলাকালীনই শুরু হয়েছিল বচসা।

লেখক অমিত চৌধুরীর মেয়ের জন্মদিনের পার্টি চলছিল।পার্টি চলাকালীনই শুরু হয়েছিল বচসা।

লেখক অমিত চৌধুরীর মেয়ের জন্মদিনের পার্টি চলছিল।পার্টি চলাকালীনই শুরু হয়েছিল বচসা।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: লেখক অমিত চৌধুরীর মেয়ের জন্মদিনের পার্টি চলছিল।পার্টি চলাকালীনই শুরু হয়েছিল বচসা। তার জেরেই মদের বোতল ভেঙে এক কিশোরের পেটে, হাতে কোপাতে শুরু করল তারই এক বন্ধু। শনিবার বিকেলে বালিগঞ্জের সানি পার্কে এমনই সাংঘাতিকভাবে কিশোর খুনের ঘটনা ঘটল । পুলিশ জানায়, পেটে গুরুতর আঘাত নিয়ে লুটিয়ে পড়েছিল আবেশ দাশগুপ্ত (১৭) নামে ওই কিশোর। ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। নিহত কিশোরের বাড়ি টালিগঞ্জ থানা এলাকায়।

    আবেশের বাবা স্বাগত দাশগুপ্ত এবছরই এপ্রিলে প্রয়াত হন ৷ কলকাতা পুলিশের কর্মী ছিলেন তিনি। সঙ্গে টলিউডে সহকারী ছবি পরিচালনার কাজ করতেন। সন্দীপ রায়ের সঙ্গেও কাজ করেছেন। ছেলে আবেশ এর আগে ক্লাস টেন পর্যন্ত পড়ত সেন্ট জেভিয়ার্সে । পরে অবশ্য মনোহরপুকুর রোডের একটি স্কুলের ছাত্র ছিল সে। মা রিমঝিম পেশায় একজন ইন্টিরিয়ার ডিজাইনার। সানি পার্কে একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বন্ধু ঋষভের সঙ্গে যাচ্ছে বলেই বাড়ি থেকে শনিবার সকালে বের হয় আবেশ ৷ সকাল ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ বাড়ি থেকে বের হয় সে। লেখক অমিত চৌধুরীর মেয়ের জন্মদিনের পার্টি ছিল। দুপুরবেলা সানি পার্কের আবাসনেই চলছিল জন্মদিনের পার্টি। কেক কাটার পর সব বন্ধুরা মিলে সেখান থেকে একটি রেস্তোরাঁয় যায়। সেখানে খাওয়ার সঙ্গেই চলে মদ্যপান। খাওয়াদাওয়া সেরে সানি পার্কের আবাসনেই ফিরে আসে সবাই। কিন্তু পার্টি তখনও শেষ হয়নি ৷ লনের একটি ধারে পার্টি করছিল তারা। সেই সময় আচমকা গন্ডগোল বেধে যায়। ঋষভের সঙ্গে আবেশের গন্ডগোল বাধে। সূত্রের খবর, এক কিশোরীকে নিয়ে সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই গন্ডগোলটা বাধে। সবমিলিয়ে মোট ১৭ জন ছিল ওই পার্টিতে। বিকেল থেকে শুরু হয় ঝামেলা। আবেশের বন্ধু ঋষভ মারপিট করতে করতে পার্কিং লটের ভিতরে চলে যায়। বচসার মধ্যেই আবেশকে মদের বোতল ভেঙে আঘাত করা হয়। বেশ কয়েকবার আঘাতের পরেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আবেশ। সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটে। পৌনে সাতটার মধ্যে আবেশকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

    এখানেই পড়েছিল রক্তাক্ত আবেশের দেহ এখানেই পড়েছিল রক্তাক্ত আবেশের দেহ

    সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি নিরাপত্তারক্ষীদেরও বয়ানও নিয়েছে পুলিশ। এরপর রাতে ঘটনার পুননির্মাণ করানো হয়। বয়ান নেওয়া হয় মেয়েটির। মেয়ের বাবা ও মায়ের বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে। আপাতত যা জানা যাচ্ছে, তাতে ঋষভ ছাড়া পার্টিতে বাকিদের সেভাবে চিনত না আবেশ ৷ আর বন্ধু ঋষভই আবেশকে খুন করেছে, তা বাড়ির লোকেও মেনে নিতে পারছে না ৷

    ঘটনাস্থল থেকে খুনের অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ ৷ যা আপাতত পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, জলের বোতল, খাওয়ার প্যাকেট, রক্ত মাখা জামা সব নমুনাই সংগ্রহ করা হয়েছে ৷ রাতভর জেরা করা হয়েছে আবেশের পাঁচ সঙ্গীকে ৷ তবে অনিচ্ছাকৃত খুন কি না , সেটাও এখন খতিয়ে দেখছে পুলিশ ৷ দেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরেই তা স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ ৷

    First published: