Baisakhi Banerjee cries for Sovan Chatterjee: দিনভর অভুক্ত শোভন, চিন্তায় প্রেসিডেন্সি জেলের গেটে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বৈশাখী

শোভনের জন্য় উদ্বেগে বৈশাখী৷ Photo-File

জেলে শোভনের (Sovan Chatterjee)সঙ্গে আর দেখা করতে পারেননি বৈশাখী (Baisakhi Banerjee)৷ পরে ভোররাতে অসুস্থ বোধ করায় শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷

  • Share this:

    #কলকাতা: সোমবার দিনভর তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি৷ যদিও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে রাতে প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়ার পরই সেখানে হাজির হলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ শোভনের জন্য উদ্বেগে প্রেসিডেন্সি জেলের মূল গেটের সামনে কার্যত আর্তনাদ করে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তাঁর বান্ধবী৷ বৈশাখীর দাবি, শোভন প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা অভুক্ত রয়েছেন, ইনস্যুলিনও নিতে পারেননি৷ তাই একটিবার তাঁর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হোক৷

    যদিও জেলে শোভনের সঙ্গে আর দেখা করতে পারেননি বৈশাখী৷ পরে ভোররাতে অসুস্থ বোধ করায় শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷

    সোমবার রাতে প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে শোভনের সঙ্গে দেখা করতে চাইলেও সেই অনুমতি দেয়নি পুলিশ৷ ক্ষুব্ধ বৈশাখী অভিযোগ করেন, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের উচ্চ ডায়েবেটিসে ভুগছেন৷ তাঁকে চড়া ডোজের ইনস্যুলিন নিতে হয়৷ কিন্তু প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা তিনি না খেয়ে রয়েছেন৷ ফলে সোমবার সকালে সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতারির পর ইনস্যুলিনও নিতে পারেননি তিনি৷

    প্রেসিডেন্সি জেলের গেট ধাক্কা মারতে মারতে কান্নায় ভেঙে পড়ে বৈশাখী বলেন, 'আপনারা ওনার সঙ্গে কী করছেন আমি জানতে চাই৷ ফিরহাদ হাকিমের স্ত্রী, মেয়ে ভিতরে গিয়েছেন৷ তাঁর আর এক মেয়ে, জামাই এখানে রয়েছে কিন্তু তাঁদের যেতে দেওয়া হচ্ছে না৷ শোভন চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের তরফে আমরা এসেছি, আমাদেরও দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না৷ ওনার সব ওষুধ আমার কাছে রয়েছে৷ উনি হাইলি ডায়াবেটিক, প্রচণ্ড সিওপিডি রয়েছে৷ ওঁর কিছু হলে তার দায় সিবিআই-এর৷ আমার মুখের উপরে যেভাবে দরজা বন্ধ করে দিয়েছে, বীভৎস দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত৷ এরা মানুষ নয়, পশুর মতো ব্যবহার করছে৷'

    ফোনে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়েও বৈশাখীদেবী অভিযোগ করেন, সিবিআই আধিকারিকরা যখন শোভনকে নিয়ে যেতে আসেন, তখন তাঁকে খাবার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তিনি৷ যদিও সিবিআই আধিকারিকরা তাতে কর্ণপাত করেননি বলেও অভিযোগ বৈশাখীর৷ তিনি বলেন, 'আমি বলেছিলাম ওনাকে অন্তত খাবার টুকু কিনে দিতে৷ যাতে উনি ইনস্যুলিন নিতে পারেন৷ কিন্তু সিবিআই অফিসাররা সেই কথায় কর্ণপাত না করে ব্যঙ্গের হাসি হেসে চলে গিয়েছেন৷ কাল থেকে এই প্রহসন চলছে, জানি না কবে শেষ হবে৷'

    এসএসকেএম হাসপাতাল সূত্রে অবশ্য খবর, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অবস্থা স্থিতিশীলই রয়েছে৷ উডবার্ন ওয়ার্ডের ১০৬ নম্বর কেবিনে রাখা হয়েছে তাঁকে৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: