• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • BAGDA BJP MLA BISWAJIT DAS ABSENT IN PARTY PROGRAMME BUT MEETING WITH TMC LEADER SB

Mla Biswajit Das: দলের বৈঠক-অভিযানে নেই, তৃণমূল নেতার সঙ্গে আড্ডায় মেতে BJP বিধায়ক!

বিশ্বজিৎকে নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা

Mla Biswajit Das: মুকুল ঘনিষ্ঠ বিধায়ক বিশ্বজিত দাসের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভালো।

  • Share this:

    #কলকাতা: মুকুল রায়ের বিজেপি ত্যাগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ‘বেসুরো’ হয়েছিলেন বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। তারপর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল তাঁকে ঘিরে। বনগাঁয় দিলীপ ঘোষের বৈঠকে তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে বিশ্বজিতের সাফাই ছিল, যে ব্যক্তির বাড়িতে ওই বৈঠক ডাকা হয়েছিল তিনি বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। শুধু তাই নয়, মুকুল ঘনিষ্ঠ বিশ্বজিতের দাবি ছিল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভালো। এহেন বিশ্বজিৎ কি এবার ফের তৃণমূলের পথেই? জল্পনা ক্রমেই বাড়ছে। বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন না বিশ্বজিৎ। হেস্টিংস অফিসে বিধায়কদের নিয়ে যে প্রশিক্ষণ শিবির হয়, তাতেও তাঁর অনুপস্থিতি জল্পনা বাড়িয়েছিল। এদিন তা আরও বাড়ল।

    ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের প্রতিবাদে সোমবার কলকাতা পুরসভা অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। দলের অধিকাংশ বিধায়ক, সাংসদই সেখানে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্বজিতের সেখানে খোঁজ মেলেনি। এমনকী বিধানসভার হাউজেও ছিলেন না তিনি। শেষমেশ তাঁকে খুঁজে পাওয়া তৃণমূলের মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষের সাথে খোশ মেজাজে গল্প করতে। ফলে বিশ্বজিতের এবার তৃণমূল গন্তব্য বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে অর্থাৎ রাজ্যে ভোটের আগে, বিধানসভার শেষ অধিবেশনের দিন মুখ্যমন্ত্রীর মুখোমুখি হন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যাওয়া বিশ্বজিৎ। মমতার পায়ে হাত দিয়ে প্রণামও করেছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, সেই সময় বিশ্বজিৎকে মুখ্যমন্ত্রী জিগ্গেস করেছিলেন, ‘‘কী রে কী ডিসিশন নিলি?’’ সেই সময় স্মিত হেসে মুখ্যমন্ত্রীর কথার কোনও জবাব দেননি বিশ্বজিৎ। সে সময় বিশ্বজিতের সঙ্গে ছিলেন আরও এক দলত্যাগী নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। সুনীলের প্রত্যাবর্তন নিয়েও কানাঘুষো রয়েছে।

    সেই বিশ্বজিৎ দিন কয়েক আগেই বলেন, ‘‘মুকুল রায়ের সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক। তবে সেটার সঙ্গে রাজনীতিকে না জড়ানোই ভাল। আমার সঙ্গে দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের)-রও ভালো সম্পর্ক। আমাকে খুব স্নেহ করেন উনি, ভালবাসেন। উনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। আমারও মুখ্যমন্ত্রী। আমার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও ভাল সম্পর্ক। কিন্তু রাজনীতি এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক এক নয়। আগামী দিন ঠিক করবে আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ।’’ সেই কথাই যেন ধীরেধীরে ফলতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজের আচার-আচারণেই বিশ্বজিৎ স্পষ্ট করে দিচ্ছেন, তৃণমূলে তাঁর ফেরা আর বেশি দেরি নয়।

    Published by:Suman Biswas
    First published: