• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • AT LEAST 3 PERSON DIED IN A MASSIVE ROAD ACCIDENT IN EKBALPUR SDG

Kolkata Accident: খাস কলকাতায় তেলের ট্যাঙ্কার উল্টে ৩ যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু! CCTV ফুটেজ খতিয়ে দেখে চালকের খোঁজ চলছে

খাস কলকাতায় দুর্ঘটনায় মৃত ৩ যুবক।

বৃহস্পতিবার খাস কলকাতায় ডায়মন্ড হারবার রোড ও ময়ূরভঞ্জ রোডের সংযোগস্থলে একটি তেলের ট্যাঙ্কারের সঙ্গে বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হয় তিন যুবকের।

  • Share this:

#কলকাতা: একবালপুর পথ-দুর্ঘটনাকাণ্ডে তিন যুবকের মৃত্যুতে এখনও শোকস্তব্ধ গোটা এলাকা। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই এলাকার একাধিক সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সেই সমস্ত ছবি। পাশাপাশি, পলাতক চালকের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবার রোড ও ময়ূরভঞ্জ রোডের  সংযোগস্থলে একটি তেলের ট্যাঙ্কারের  সঙ্গে বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হয় তিন যুবকের। মৃতদের নাম, মহম্মদ সামির আহমেদ (২৩), মহম্মদ রশিদুর  রহমান ওরফে সাকির (২০) এবং মহম্মদ আকিল (২০)। তিন যুবকই একবালপুরের  বাসিন্দা ।

পুলিশ সূত্রে আনা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। একটি বাইক মাঝেরহাটের দিক থেকে খিদিরপুরের দিকে আসছিল। বাইকে সেই সময় তিন যুবক সওয়ার ছিল। সে সময়ই উল্টোদিক থেকে একটি তেলের ট্যাঙ্কার অত্যন্ত দ্রুত গতিতে খিদিরপুরের দিক থেকে মাঝেরহাটের দিকে যাচ্ছিল। ময়ূরভঞ্জ রোড ও ডায়মন্ড হারবার  রোডের  সংযোগস্থলে গাড়ির গতি বেশি থাকায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি চালক। তাতেই সেটি সাইড টার্ন করতেই উল্টে যায় এবং সামনের দিক থেকে আসা বাইকটি ট্যাঙ্কারের তলায় চাপা পরে যায়। ঘটনাস্থলেই তিন যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু  হয়।

ঘাতক ট্যাঙ্কার। ঘাতক ট্যাঙ্কার।

ঘটনার খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং একবালপুর থানার আধিকারিকরা। বহুক্ষণের চেষ্টায় ট্যাঙ্কারের নিচে চাপা পরে যাওয়া বাইক এবং আরোহীদের পিষে যাওয়া নিথর দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এরপর তাঁদের এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত  বলে জানান। এ দিনের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে থেকে চম্পট দেয় ঘাতক ট্যাঙ্কারের চালক।

এ দিকে, এলাকার তিন যুবকের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এ দিন সামিরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় মা কামরুনিসা ওরফে সোনি কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। সামিরের মা বলেন, "সামির আহমেদ রোজ বাইক নিয়ে মর্নিং ওয়াকের জন্য যেত। এ দিনও নাওয়ালী পার্কে মর্নিংওয়াক সেরে ফিরছিল। তখনই ট্যাঙ্কারটি চাপা দেয়। বাড়িতে ফেরার আগে ছেলে শেষ হয়ে গেল। "

ঠিক একই দৃশ্য বাকি দুই যুবকের বাড়িতেও। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, ওই এলাকায় বড় বড় ট্রাক বেপরোয়া গতিতে সর্বক্ষণ চলাচল করে।তাঁর জেরেই দুর্ঘটনা ঘটল। তিন যুবকের প্রাণ অকালে চলে গেল।মোটরসাইকেল এবং ঘাতক ট্যাঙ্কারটিকে বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।ঘটনায় ইতিমধ্য এফএসটিপি বা ফ্যাটাল স্কোয়াড তদন্ত শুরু করেছে।

ARPITA HAZRA

Published by:Shubhagata Dey
First published: