কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

"মুক্ত কর মুক্তাঙ্গন, আমরা গান গাইব", দাবি নিয়ে রাস্তায় নামলেন শিল্পীরা

করোনায় কাজ হারিয়েছেন মঞ্চে মঞ্চে গান গাওয়া শিল্পী, নৃত্যশিল্পী ও মঞ্চে লাইট সাউন্ডের ব্যবস্থাপকরা।এখন পূজার সময়।তাদের কাজের মরশুম এটা। কিন্তুু সরকারের নির্দেশে কোভেট প্রোটোকল মানতে গিয়ে এখনও কর্ম হারা তারা।

  • Share this:

#বারাসত: লকডাউন শব্দের সঙ্গে পরিচিত ছিল না কেউই।গত সাত মাসে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে সবাই। করোনা অতিমারির জেরে ত্রাহি ত্রাহি রব সর্বত্রই। আনলক ফাইভের এই পর্বে একে একে খুলছে সব সেক্টর। মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যে শারদোৎসবের জন্য দূর্গা পূজার অনুমতিও দিয়েছে। কিন্তুু শারদোৎসবের এই সময়ও নিজেদের পেশায় ফিরতে পারছেন না এক দল মানুষ।উৎসব কে ঘিরে যাদের রুটিরুজি সেই ফাংশানের গায়ক গায়িকা, নর্তকীরা আজও লকডাইনের শিকার হয়ে আছেন।

বড় জামায়েতই তাদের কাছে সেরা পাওনা।মুগ্ধ দর্শকের অনাবিল আনন্দে তাদের সাফল্য। পূজার সময় দ্বিতীয়া থেকে বুকিংয়ে ভরা থাকে তাদের ডাইরি।তারও তিন মাস আগে থেকে শুরু হয়ে যায় রেওয়াজ। গান, শুধু গান,প্রান খুলে মন ভরানো গানের রেওয়াজ গ্রুপে গ্রুপে রেওয়াজ এর লড়াই এক অন্য মাত্রা আনে তাদের জীবনে।সদ্য রিলিজ হওয়া হিন্দী ও বাংলা সিনেমার গান কে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা।সামনে পূজার সিজেনে আসর জমিয়ে দেওয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা সবই চলে সে সময়।কিন্তুু এবার করোনার জেরে লক ডাউন শুরু হয়েছে তা আর কাটার নয়।

করোনায় কাজ হারিয়েছেন মঞ্চে মঞ্চে গান গাওয়া শিল্পী, নৃত্যশিল্পী ও মঞ্চে লাইট সাউন্ডের ব্যবস্থাপকরা।এখন পূজার সময়।তাদের কাজের মরশুম এটা। কিন্তুু সরকারের নির্দেশে কোভেট প্রোটোকল মানতে গিয়ে এখনও কর্ম হারা তারা।অশোকনগরের রাস্তায় মঞ্চ ফিরে পাওয়া ও কাজের দাবীতে মৌন মিছিল সংগীতশিল্পী ও ইলেকট্রিসিয়ানদের।তাদের এই মৌন মিছিল হচ্ছে অশোকনগরের চৌরঙ্গী মোড় থেকে হাবরা বাজার পর্যন্ত।মঞ্চে গানের ও নাচের অনুষ্ঠানে ইলেট্রিসিয়ানরা আলো ও শব্দের ব্যবস্থাপনা করে থাকে।কিন্তুু এবার রাজ্যে পূজা হলেও, কোন ফাংশন করা যাবে না বলে রাজ্যের নির্দেশ।

টানা লক ডাউনের পর অনেকেই তাদের পেশায় কাজের সুযোগ পেলেও,ফাংশন বন্ধ থাকায় বেকার হয়ে থাকতে হচ্ছে তাদের।সরকার পূজা কমিটিগুলিকে আর্থিক সাহায্য দিচ্ছে। কিন্তুু তার পরেও বেকার থাকতে হবে তাদের প্রশ্ন সংঙ্গীত শিল্পী সংগীতার।তার কথায় বছরের এই সময় তারা একটা ভাল উপার্জন করে।গত সাত মাস কোন কাজ নেই। পূজার মরসুম মার খেলে সন্তান নিয়ে পথে বসতে হবে জানান গায়ক বিশ্বজিৎ হীরা। সরকারের কাছে তাদের আবেদন সহানুভূতির সঙ্গে তাদের কথা ভেবে একটা পথ বের করুন।না হলে সবাইকে এবার পথে বসতে হবে।

Rajarshi Roy

Published by: Elina Datta
First published: October 9, 2020, 9:54 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर