রাতের কলকাতায় মদ্যপ যুবতীকে গাড়িতে উঠিয়েই হল বিপদ! মার খেয়ে চালক গেলেন থানায়...

রাতের কলকাতায় মদ্যপ যুবতীকে গাড়িতে উঠিয়েই হল বিপদ! মার খেয়ে চালক গেলেন থানায়...

Representative Image

রাতের শহরে একেবারে ফিল্মি কায়দায় ওভারটেক করে অ্যাপক্যাবে ভাঙচুর চালানো এবং চালককে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। শেক্সপিয়ার থানায় অভিযোগ মহিলা যাত্রী ও তার বন্ধুদের বিরুদ্ধে।

  • Share this:

    #কলকাতা: রাতের কলকাতায় অ্যাপ-ক্যাবের চালককে হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগ৷ দাদাগিরি দেখাল মদ্যপ যুবতীর পাঁচ বন্ধুরা, এমনি অভিযোগ অ্যাপক্যাব চালকের। রাতের শহরে একেবারে ফিল্মি কায়দায় ওভারটেক করে অ্যাপক্যাবে ভাঙচুর চালানো এবং চালককে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। শেক্সপিয়ার থানায় অভিযোগ মহিলা যাত্রী ও তার বন্ধুদের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটে হো চি মিন সরণীতে।

    ঝাড়খন্ডের বাসিন্দা গণেশ সাউ৷ তিনমাস আগে কলকাতায় আসেন। শহরের রাস্তাঘাট এখনও ভাল করে চেনেন না। অ্যাপক্যাব সংস্থায় চালকের কাজে যোগ দেন। কর্মসূত্রে থাকেন উল্টোডাঙায়। প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও গনেশ ক্যাব নিয়ে বের হন। রাত ন'টা নাগাদ টেন্ডার ডি সি দে রোড থেকে হোচিমিন সরণী পর্যন্ত রাইড বুক করা হয়। পিকআপ পয়েন্ট থেকে মদ্যপ অবস্থায় এক যুবতী তার গাড়িতে উঠেন। চালক গণেশের দাবি ড্রপ লোকেশন হোচিমিন সরণীর দিকে যাওয়ার সময় যুবতী তাকে ভিন্ন জায়গায় নামানোর জন্য জোর করতে থাকেন। তারপর দ্বিতীয়বারের নির্ধারিত লোকেশন এ যাওয়ার পথে ১৩ নম্বর হোচিমিন সরণী কাছে যুবতীর বন্ধুরা তাকে পাকড়াও করে। বুধবার রাত প্রায় দশটা নাগাদ পেছন থেকে একটি গাড়ি ধাওয়া করে সামনে এসে দাঁড়ায় এবং তা থেকে বেরিয়ে আসে বেশ কয়েকজন যুবক। একজন অ্যাপক্যাবে থাকা যুবতীর বয়ফ্রেন্ড পরিচয় দিয়ে বান্ধবীকে অযথা শহর ঘোরানোর অভিযোগে চালককে মারধর করেন। ওই যুবকের বন্ধুরা গাড়িতে ভাঙচুর চালায় বলেও অভিযোগ। এরপর যুবতী ও তার বন্ধুরা চম্পট দেয়।

    আরও পড়ুন সন্তানকে স্তন্যপান করাতে গিয়ে টের পেলেন বাহুমূল থেকেও দুধের ধারা! ভিডিও দেখুন মহিলার...

    অ্যাপক্যাব চালক এই ঘটনায় মহিলা যাত্রী ও তার বন্ধুদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শেক্সপিয়ার সরণি থানায়। পলাতক অভিযুক্তদের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে শেক্সপিয়ার সরণি থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

    Published by:Pooja Basu
    First published: