• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ক্ষতিপূরণে রাজি হলেও কুহেলির মৃত্যুর দায় নিতে নারাজ অ্যাপোলো

ক্ষতিপূরণে রাজি হলেও কুহেলির মৃত্যুর দায় নিতে নারাজ অ্যাপোলো

ক্ষতিপূরণে রাজি হলেও কুহেলির মৃত্যুর দায় নিতে নারাজ অ্যাপোলো

ক্ষতিপূরণে রাজি হলেও কুহেলির মৃত্যুর দায় নিতে নারাজ অ্যাপোলো

ক্ষতিপূরণে রাজি হলেও কুহেলির মৃত্যুর দায় নিতে নারাজ অ্যাপোলো

  • Share this:

    #কলকাতা: ক্ষতিপূরণে রাজি হলেও কুহেলির মৃত্যুর দায় নিল না অ্যাপোলো। চিকি‍ৎসায় গাফিলতির অভিযোগ মানছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ভিক্ষে নয়, শাস্তি চান। অ্যাপোলোর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে কুহেলির পরিবার। স্বাস্থ্য দফতরকে এবিষয়ে জানাতে চলেছেন তাঁরা।

    চার মাসের শিশু কুহেলি চক্রবর্তীর মৃত্যুতে আবারও বিতর্কে অ্যাপোলো। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ কোনওভাবেই মানতে রাজি নয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশের চাপে গড়িমসি করে ক্ষতিপূরণ দিতে চাইলেও মৃত্যু দায় নিচ্ছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    ‘মৃত্যুর দায় অ্যাপোলোর নয়’

    - - স্বাস্থ্য কমিশনের নির্দেশ মেনে ক্ষতিপূরণ - ক্ষতিপূরণের টাকা কোন অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে জানতে চেয়ে চিঠি - কুহেলির পরিবারকে চিঠি অ্যাপোলোর - কুহেলির চিকিৎসায় অ্যাপোলোর ভুল নেই - টাকার জন্য অস্ত্রোপচার আটকানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন - এর আগেও একটি অস্ত্রোপচার হয় - দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারের জন্য আলোচনা - পরিবারের সঙ্গে আলোচনার পরই অস্ত্রোপচার হয় - চিঠিতে উল্লেখ অ্যাপোলো কর্তৃপক্ষের

    কুহেলির পরিবারকে দেওয়া ক্ষতিপূরণের এই চিঠিতেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। চিঠিতে স্পষ্ট, শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ দিয়েই দায় এড়াচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    অ্যাপোলোকে স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশ,

    - কুহেলির পরিবারকে ৩০ লক্ষ টাকা দেওয়ার নির্দেশ - প্রথম ৭ দিনে ১০ লক্ষ টাকা - পরে ৩ সপ্তাহের মধ্যে বাকি ২০ লক্ষ টাকা দেওয়ার নির্দেশ - ২৩ জুন অ্যাপোলোকে নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের - সময় পেরোলেও যোগাযোগ করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ - অ্যাপোলোকে শো-কজ লেটার দেয় স্বাস্থ্য কমিশন - এরপরই ক্ষতিপূরণের চিঠি দেয় অ্যাপোলো

    চিঠিতে অ্যাপোলোর বক্তব্যে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে কুহেলির পরিবার। হাসপাতালের শাস্তির দাবিতে সরব তাঁরা। এদিনও ফের চিকি‍ৎসায় গাফিলিতির অভিযোগ তুলেছে চার মাসের শিশুর পরিবার।

    চার মাসের কুহেলিকে ১৪ এপ্রিল পেটের সমস্যা নিয়ে ঠাকুরপুকুর ইএসআই থেকে অ্যাপোলোয় ভরতি করা হয়। ঊনিশে এপ্রিল মৃত্যু হয় তার। অভিযোগ ওঠে, কোলনোস্কোপির জন্য তাকে দুদিন খেতে দেওয়া হয়নি। বারণ করা সত্ত্বেও অ্যানাসথেসিয়া করা হয় কুহেলির। আরও অভিযোগ ওঠে, চিকিৎসায় কোনও শিশু বিশেষজ্ঞও ছিলেন না। এরপরই কুহেলির পরিবার স্বাস্থ্য কমিশনে অভিযোগ জানান। স্বাস্থ্য কমিশনকে অ্যাপোলোর চিঠির বিষয়টিও জানাতে চলেছে কুহেলির পরিবার।

    First published: