কফি হাউজ থেকে দিলখুশা কেবিন...ভোজন রসিক আর বাঙালি, এই দুই যেন সমার্থক শব্দ

কফি হাউজ থেকে দিলখুশা কেবিন...ভোজন রসিক আর বাঙালি, এই দুই যেন সমার্থক শব্দ

বাঙালি মানেই যেকোনও উদ্দীপনার সঙ্গে একটা ভাল খাওয়া দাওয়ার যোগ আছেই

  • Share this:

Shalini Datta

#কলকাতা: কলকাতার পুজো, ফুটবল, ক্রিকেট, বইমেলা আর যেকোনও উদ্দীপনার সঙ্গে একটা ভাল খাওয়া দাওয়ার যোগ আছেই। শপিং মল, রেস্তরাঁ থেকে শুরু করে পাড়ার অলিতে গলিতে থাকা খাবার স্টল... যেকোনও খাদ্যরসিককে এমনকী বিদেশিদেরও টেনে আনে কলকাতায়। আর সেটা যদি উত্তর কলকাতা হয় তা হলে তো কথাই নেই! ভাল খাবারের সঙ্গে ঐতিহ্যের মিসেল! কলকাতাবাসী এমনকী প্রবাসীরাও ছুটিতে বাড়ি ফিরলে ছুটে যান উত্তর কলকাতায়, স্রেফ নস্টালজিয়ার টানে।

নস্টালজিয়া মানে দিলখুশা কেবিন। ১১০ বছরের ঐতিহ্যপূর্ণ দিলখুশা উত্তর কলকাতার খাবারের তীর্থস্থান। আর আছে কফি হাউস - চিত্র পরিচালক, সঙ্গীতজ্ঞ, নায়ক, নায়িকা, কবি থেকে সাহিত্যিক -বিনোদন ও শিক্ষা জগতের এমন কোনও বিখ্যাত মুখ নেই যাঁদের পায়ের ধুলো পড়েনি কফি হাউসে। তার সঙ্গে প্যারামাউন্টের শরবত। শতবর্ষ পুরনো এই দোকানে কলকাতার পরিচিত মুখ ছাড়াও কলকাতার বাইরের ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরাও বার বার ছুটে আসেন। গ্রীষ্মের দুপুরে প্যারামাউন্টের ডাবের শরবত যেন স্বর্গসুখ।

উত্তর কলকাতার এই কলেজস্ট্রিট ছাড়া সারা কলকাতায় ছড়িয়ে আছে আরও এমন অনেক পুরোনো নস্টালজিয়ার ছাপ। তারমধ্যে ১৪টি জায়গা বিশেষ মর্যাদা বা নীল ফলক পেতে চলেছে। নীল ফলকের মর্যাদা লন্ডনের ব্লু প্লাকের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত যেকোনও বাড়িকে এই মর্যাদা দেওয়া হয় যা এবার কলকাতার ১৪টি খাবারের দোকান পেতে চলেছে।

First published: December 10, 2019, 11:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर