আইএসএফ-এর সঙ্গে কেন জোট? অধীরদের অস্বস্তি বাড়ালেন কংগ্রেস নেতা

আইএসএফ-এর সঙ্গে কেন জোট? অধীরদের অস্বস্তি বাড়ালেন কংগ্রেস নেতা

অধীরের অস্বস্তি বাড়ালেন আনন্দ শর্মা{

কংগ্রেসে পূর্ণ সময়ের সভাপতির দাবিতে যে তেইশ জন নেতা গত বছর থেকে সরব হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম আনন্দ শর্মা৷

  • Share this:

    #দিল্লি: এমনিতেই আইএসএফ-এর সঙ্গে আসন রফা নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের তীব্র জটিলতা তৈরি হয়েছে৷ এবার কংগ্রেসের অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দিলেন দলেরই অন্যতম প্রবীণ নেতা এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আনন্দ শর্মা৷ আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট কংগ্রেসের মূল ভিত্তির পরিপন্থী বলেই মত আনন্দ শর্মার৷ প্রসঙ্গত, কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ নেতা হিসেবেই গুলাম নবি আজাদ, রাজ বব্বরদের সঙ্গে আনন্দ শর্মার নামও সাম্প্রতিক সময়ে উঠে এসেছে৷

    রবিবারই বাম-কংগ্রেসের ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন আইএসএফ প্রধান আব্বাস সিদ্দিকি৷ সেই ছবি দেখার পরই নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আনন্দ শর্মা৷ এ দিন ট্যুইট করে তিনি বলেছেন, 'আইএসএফ এবং সম মনোভাবাপন্ন দলগুলির সঙ্গে কংগ্রেসের জোট তার মূল আর্দশ এবং গাঁধি- নেহরুরা যে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলেছিলেন তার বিরোধী৷ এই ধর্মনিরপেক্ষতাই কংগ্রেসের আত্মা৷ এই জোট নিয়ে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আলোচনা করা উচিত ছিল৷'

    আনন্দ শর্মা আরও লিখেছেন, 'সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কংগ্রেস বাছ বিচার করতে পারে না৷ সব ধরনের সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধেই সমান ভাবে লড়তে হবে৷ ওই সভায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির উপস্থিতি লজ্জাজনক, ওনার উচিত এর ব্যাখ্যা দেওয়া৷'

    এর জবাবে অধীর চৌধুরী অবশ্য দাবি করেছেন, হাইকম্যান্ডের অনুমোদন নিয়েই সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি৷ সংবাদসংস্থা এএনআই-কে তিনি জানিয়েছেন, 'আমরা একটা রাজ্যের নেতৃত্বে রয়েছি৷ অনুমতি ছাড়া নিজেরা কোনও সিদ্ধান্ত আমরা নিই না৷'

    কংগ্রেসে পূর্ণ সময়ের সভাপতির দাবিতে যে তেইশ জন নেতা গত বছর থেকে সরব হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম আনন্দ শর্মা৷ বাংলায় আইএসএফ-এর সঙ্গে কংগ্রেসের জোট নিয়ে তাঁর এই মন্তব্য নিঃসন্দেহে দলের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিল৷ রবিবারই প্রকাশ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করেছিলেন আর এক বিক্ষুব্ধ নেতা গুলাম নবি আজাদ৷

    বাংলায় আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট জট কাটাতে এ দিনও বৈঠকে বসেছিলেন অধীর চৌধুরী, বিমান বসুরা৷ যদিও জট পুরোপুরি কাটেনি৷ কারণ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি জানিয়ে দিয়েছেন, মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে আইএসএফ-কে কোনও আসন ছাড়বেন না তারা৷ অধীর চৌধুরী অবশ্য দাবি করেছেন, দু'- তিনদিনের মধ্যেই প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: