• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • EV Battery: পেট্রোলের আগুন দাম, ভাবছেন, ইলেকট্রিক স্কুটার নেবেন? EV ব্যাটারি সম্পর্কে জানা আছে তো?

EV Battery: পেট্রোলের আগুন দাম, ভাবছেন, ইলেকট্রিক স্কুটার নেবেন? EV ব্যাটারি সম্পর্কে জানা আছে তো?

ব্যাটারিচালিত গাড়ি বা স্কুটার নেবেন বলে ঠিক করেছেন? দাঁড়ান। এই লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ভাল-মন্দ একবার জেনে নিন।

ব্যাটারিচালিত গাড়ি বা স্কুটার নেবেন বলে ঠিক করেছেন? দাঁড়ান। এই লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ভাল-মন্দ একবার জেনে নিন।

ব্যাটারিচালিত গাড়ি বা স্কুটার নেবেন বলে ঠিক করেছেন? দাঁড়ান। এই লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ভাল-মন্দ একবার জেনে নিন।

  • Share this:

#কলকাতা: গ্লোবাল ওয়ার্মিং (Global Warming) এবং জলবায়ু পরিবর্তনের (Climate Change) সম্ভাব্য বিপর্যয়কর প্রভাবগুলি রোখার জন্য় বৈদ্যুতিক যানবাহন (Electric Vehicles) গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বেশ কয়েকটি সংস্থা ইতিমধ্যেই বৈদ্যুতিক গাড়ি (EV) বাজারে এনেছে।

কেন্দ্রীয় সরকার ও কয়েকটি রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই নানা স্কিম ঘোষণা করছে এই গাড়ির প্রচারে। গ্রিন এনার্জিতে পুরোপুরি ভাবে প্রবেশ করার আগে দেশের কাছে কয়েকটি বিষয় চ্যালেঞ্জিং। আর এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং হচ্ছে ইলেকট্রিক ভেহিকলের জন্য লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি (Lithium Ion Battery)।

ভারত এখনও লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি তৈরিতে পিছিয়ে রয়েছে। প্রায় ২৮ বছর আগে প্রথম বাজারে আসে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি। সেই সময় থেকে ক্রমশই জনপ্রিয়তা পেয়েছে ছোট আকারের হালকা ওজনের লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি।

স্মার্টফোনের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে এই ব্যাটারি। যত দিন যাচ্ছে ব্যাটারিচালিত গাড়ির দিকে ঝুঁকতে চাইছে বিশ্ব। আর সে ক্ষেত্রে একমাত্র ভরসা এই লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি।

একবার চার্জ দিলে ইভি ব্যাটারি কতক্ষণ চলে?

বেশিরভাগ ইভি ওই একই ব্যাটারিতে চলে, যা মোবাইল ফোন এবং ট্যাবলেটে লাগানো আছে- লিথিয়াম আয়ন সেল (Lithium Ion Cell)। একটি চারচাকার জন্য এই ব্যাটারিগুলি সাধারণত প্রতি ২০০-২৫০ কিলোমিটার অন্তর চার্জ করা প্রয়োজন৷ আবার ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমে গেলে তা বদল করতে হয়।

একটি ব্যাটারি সাধারণত ৮-১০ বছর চলবে৷ ব্যাটারির জীবনকাল অবশ্যই নির্ভর করবে কতটা, কত ঘন ঘন ব্যাটারি রিচার্জ হয়েছে তার উপর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে প্রায় সমস্ত সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারির (Lead-Acid Battery) পুনর্ব্যবহার করা হয়, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির পুনর্ব্যবহারযোগ্য (Recycle) বাজার এখনও তার প্রারম্ভিক পর্যায়ে রয়েছে। আর সেই কারণে ইলেকট্রিক গাড়ির বাজার এখনও জমেনি।

আরও পড়ুন- অনুপ্রেরণা বেদান্ত, নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে গড়ে উঠছে আত্মনির্ভর ভারত

এছাড়াও, ইভি ব্যাটারিগুলি হ্যান্ডেল করা আরও জটিল, কারণ সেগুলি পেট্রল বা ডিজেলে চলা গাড়িতে ব্যবহৃত ব্যাটারির চেয়ে বড় এবং ভারী। শত শত পৃথক লিথিয়াম-আয়ন সেল দ্বারা গঠিত হয় এই ব্যাটারি। তাই প্রতিটিকে আলাদাভাবে এবং সাবধানে ভেঙে ফেলতে হবে, কারণ এতে বিপজ্জনক উপাদান রয়েছে যা ভুলভাবে আলাদা করা হলে বিস্ফোরণ হতে পারে।

যদিও ইলেকট্রিক গাড়ির বেশিরভাগ অংশ পুনরায় ব্যবহার করতে পারা যায়। তবে, এখনও পুনরায় ব্যবহার করার জন্য ব্যাটারির ডিজাইন করা হয়নি।

জীবনকাল শেষ হলে ইভি ব্যাটারির কী হয়?

তিনটি বিকল্প রয়েছে: এগুলিকে ফেলে দেওয়া যেতে পারে, মূল্যবান উপকরণগুলি বের করার জন্য ভেঙে দেওয়া যেতে পারে বা পুনরায় ব্যবহার করা যেতে পারে। এর মধ্যে, প্রথম বিকল্পটি আবার পরিবেশ দূষিত করবে।

ব্যাটারিতে ব্যবহৃত বেশিরভাগ উপাদান বেরিয়ে গিয়ে মাটি এবং ভূগর্ভস্থ জলকে দূষিত করতে পারে। যা বাস্তুতন্ত্র এবং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। একটি ইভি ব্যাটারি (EV Battery) দিয়ে গাড়ি চালানো যাচ্ছে না মানে এটা নয় যে এটি সম্পূর্ণরূপে অকেজো।

বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, একটি বাতিল ব্যাটারি অনেক চার্জিং এবং ডিসচার্জিং সহ্য করতে পারে। এই ব্যাটারি অনেক কিছুতেই ব্যবহার করা যেতে পারে। এই ধরনের ব্যাটারি ব্যবহার করা যাবে সেই রকম অ্যাপ্লিকেশন পাওয়ার চেষ্টা চলছে। যদিও এক্ষেত্রে অনেক কারিগরি, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ পার করতে হবে।

পরিবেশগতভাবে এবং অর্থনৈতিকভাবে এটা অবশ্যই ভালো বিকল্প যে ইভি ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার করা হবে। কিন্তু সেখানেই, অন্তত বর্তমানে উদ্দেশ্য এবং বাস্তবায়নের মধ্যে অমিল রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করেন যে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির মাত্র ৫ শতাংশের বেশি বর্তমানে পুনর্ব্যবহারযোগ্য হচ্ছে না। কারণ হল, একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লান্ট তৈরি বা বিদ্যমান প্লান্টের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ।

ইভি রিসাইক্লিং শিল্প কতটা বড় হবে?

এটা মনে হতে পারেই যে ইভি ব্যাটারির সম্পর্কে কথা বলার সময় এখনও আসেনি। কারণ সারা বিশ্বে বৈদ্যুতিক যাত্রীবাহী গাড়ির সংখ্যা মাত্র ১০.২ মিলিয়নে পৌঁছেছে। তাও আবার ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে। তবে, এই দশকের শেষের দিকে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (International Energy Agency)-র একটি অনুমান বলছে, রাস্তায় প্রায় এক চতুর্থাংশ বিলিয়ন ইভি থাকবে।

গাড়ি বাড়লেই আরও লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি বাড়বে এবং এর অর্থ হল পুনর্ব্যবহার করার জন্য আরও বেশি পরিকাঠামো প্রয়োজন। ফরাসি বাজার গবেষণা সংস্থা ইওল ডেভেলপমেন্টের (Yole Developpement) মতে, ২০২৫ সালের মধ্যে ৭ লাখের বেশি টন লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি থাকবে এবং ২০৪০ সাল নাগাদ প্রতি বছর ৯ মিলিয়ন টন পর্যন্ত যাবে।

লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির ছোট অংশ রিসাইকেল করা হয় এবং বাকিগুলো ফেলে দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে যে ইভি ব্যাটারি রিসাইক্লিং মার্কেট ২০১৯ সালে প্রায় ৯৩,৮০০ টন ছিল। কিন্তু ২০১৫ সালের মধ্যে এটি ৪ লাখ ৫০ হাজার টনের বেশি বৃদ্ধি পাবে।

লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারিতে বর্তমানের কাঁচামালের মোট মূল্য এখন প্রায় ৯২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ইওল বলেছে, ২০২৫ সালের মধ্যে এটা ১.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি হবে। ইওল আরও বলেছে যে এই ব্যাটারিগুলিতে উপস্থিত কাঁচামালের মূল্য, যা আজ প্রায় ৩১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে, ২০৪০ সালের মধ্যে ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছে যাবে।

কেন ইভি ব্যাটারি রিসাইকেল করা যুক্তিযুক্ত?

লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি তৈরিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলি পাওয়া কঠিন এবং তাই এটি ব্যয়বহুল। এছাড়াও, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ( World Economic Forum) যেমন উল্লেখ করেছে, উপাদানগুলির খনন নৈতিক এবং পরিবেশগত উদ্বেগ বাড়ায়। তাই যত বেশি সম্ভব ব্যাটারি রিসাইকেল করা উচিত। আর এখানেই সুযোগ রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলির উদ্ধার করার।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে বিশ্বের সমস্ত লিথিয়াম মজুদের অর্ধেকেরও বেশি চিলিতে (Chile) রয়েছে, সমস্ত পৃথিবীর খনিজ মজুদের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি চিনে (China) রয়েছে। কোবাল্ট (Cobalt) লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা বেশিরভাগই আসে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো (Democratic Republic of Congo) থেকে।

এই দেশে বিশ্বের বৃহত্তম খনিজ মজুদ রয়েছে, প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন। কৌশলবিদ এবং শিল্প পর্যবেক্ষকরা ইতিমধ্যেই এই উপাদানগুলির সরবরাহে সম্ভাব্য সমস্যাগুলির বিষয়ে কথা বলেছেন।

রিসাইক্লিং-এর মাধ্যমে ভারত কী ভাবে উপকৃত হতে পারে?

কেন্দ্র গত বছর ভারতে ইভি ব্যাটারি উৎপাদনের জন্য ১৮ হাজার কোটি টাকার পারফরম্যান্স-লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) প্রকল্প অনুমোদন করে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছিলেন যে ভারত তার ব্যাটারির সম্পূর্ণ চাহিদা মেটাচ্ছে আমদানির মাধ্যমেই। যদিও সরকারের এই সিদ্ধান্তকে তারা স্বাগত জানিয়েছে।

উল্লেখ করা হয়েছিল, ভারতকে এখনও লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় বেশিরভাগ কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ভারতীয় ইভি নির্মাতাদের চিন থেকে সেল এবং ব্যাটারি আমদানি করতে হবে। এই ক্ষেত্রে, রিসাইক্লিং হল ভারতের জন্য দু'টি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানের সর্বোত্তম উপায়- লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির জন্য কাঁচামালের প্রাপ্যতা এবং জীবন শেষ-হয়ে যাওয়া ব্যাটারির নিষ্পত্তি।

২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিক্রি হওয়া গাড়ির ৩০ শতাংশ ইভি করার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০২০ সালে, ভারতে মোট গাড়ি বিক্রি ২.৪৩ মিলিয়ন ইউনিটে দাঁড়িয়েছে৷ এমনকী, যদি বিক্রি একই স্তরে থাকে, তবুও এই দশকের শেষ নাগাদ ভারতে ৭ লাখেরও বেশি ইভি বিক্রি হবে। বর্তমানে, ভারতের রাস্তায় প্রায় ২.৫ লাখ ইভি রয়েছে, যেগুলি লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে চলে।

সোসাইটি অফ ম্যানুফ্যাকচারার্স অফ ইলেকট্রিক ভেহিকেলস (SMEV)-এর তথ্য বলছে, মোট ইভি-র মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই টু-হুইলার। অনেকেই বলছে, ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অটো মার্কেট হতে চলেছে এবং গাড়ির বিক্রি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যই ইভি-র উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে দেশেই ব্যাটারি তৈরির উপরে ফোকাস করা হয়েছে। তাই ব্যাটারির পুনর্ব্যবহার শিল্পে দেশের জন্য বড় সম্ভাবনা রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (IISD)-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সঠিক ইনসেনটিভ ও নীতির সাহায্যে ব্যাটারি পুনর্ব্যবহারযোগ্য করার ক্ষেত্রে ভারত সব বাধাগুলি কাটিয়ে ফেলতে পারে এবং পরবর্তী দশকের মধ্যে একটি প্রধান মুখ হয়ে উঠতে পারে।

চিন ইভি ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার করার গতি নির্ধারণ করেছে। ওই দেশের পুনর্ব্যবহারকারী সংস্থাগুলি বড় ব্যাটারি বাজার থেকে উপকৃত হয়, রাষ্ট্রের কাছ থেকে ব্যাপক সহায়তা পায়। যেমন আইআইএসডি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, চিনের মতো, ভারতের একটি বড় ইভি-র বাজার রয়েছে।

তবে লিথিয়াম এবং কোবাল্টের মতো প্রাথমিক উপকরণগুলির জন্য চিনের মতো ভারতে বৈশ্বিক সরবরাহ চেন নেই এবং তাই বড় আকারের ইভি ব্যাটারি প্রস্তুতকারক হওয়ার জন্য ভারতকে পুনর্ব্যবহারে জোর দিতে হবে।

রিসাইক্লিং হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে ভারতকে কী কী করতে হবে?

আইআইএসডি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে রিসাইক্লিং চেনের প্রাথমিক শর্ত সুলভ শ্রমিক। ভারতে এই সুবিধা সহজেই পাওয়া যাবে বৃহৎ জনসংখ্যা এবং কম শ্রম খরচের কারণে। যদিও ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় ও বেশিরভাগটাই মেশিন নির্ভর করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এক্ষেত্রে সময় লাগবে, চিনেরও লেগেছিল। ভারতকেও ব্যাটারি সংগ্রহ, পরিবহন এবং স্টোরেজ সহ নানা ক্ষেত্রে উন্নতি করতে হবে। রিসাইক্লারদের জন্য একটি কার্যকর ব্যবসায়িক মডেল তৈরি করতে সরকারি নীতি প্রকাশ করতে হবে সরকারকে।

২০০১ সালের ভারতের ব্যাটারি (ব্যবস্থাপনা এবং হ্যান্ডলিং) রুলস লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারিগুলিকে কভার করে না, তা শুধুমাত্র লিড অ্যাসিড ব্যাটারির মধ্যে সীমাবদ্ধ। তবে, গত বছর কেন্দ্রীয় সরকারের খসড়া ব্যাটারি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিতে লিথিয়াম আয়ন এবং নিকেল ক্যাডমিয়াম ব্যাটারির উল্লেখ করা হয়েছে।

Published by:Suman Majumder
First published: