• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • AMAZING PICTURE OF EMPTY LAKE KALI TEMPLE ON AKHSHAY TRITIA SR

অক্ষয় তৃতীয়ার দিনেও ধূ ধূ করছে লেক কালীবাড়ি, দোকানে কোনও মতে ধূপ জ্বেলে পুজো

  • Share this:

 VENKATESWAR  LAHIRI

#কলকাতা: অক্ষয় তৃতীয়ার দিন এমন ছবি কোনও দিন চোখে পড়েনি দর্শনার্থীদের। দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম কালী মন্দির হিসেবে পরিচিত লেক কালীবাড়ি। বাংলা নববর্ষের পর অক্ষয় তৃতীয়ার দিনও চেনা ছবি আজ পুরোপুরি অচেনা। শুনশান মন্দির চত্বর। ভক্ত সমাগম নেই বললেই চলে। বিক্ষিপ্তভাবে দর্শনার্থীরা আসছেন, সামাজিক দূরত্ব পালন করে, মাস্ক পড়ে তাঁরা মায়ের দর্শন করে ফিরে যাচ্ছেন।

অন্যান্য বছর এই দিনটা সকাল থেকে গমগম করত। শুধু এই দিনটাই নয়, লেক কালীবাড়িতে সবসময়ই পূজার্চনায়  জাঁকজমক থাকত। কিন্তু করোনা আতঙ্ক এবং লকডাউন থাবা বসিয়েছে এই মন্দিরেও। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মন্দিরের দেওয়ালে সাঁটা হয়েছে সচেতনতার লিফলেট। শুধুমাত্র নিত্যপুজা ছাড়া পূজার্চনা কিম্বা ভক্তদের অঞ্জলি সবই এখন বন্ধ। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দোকানের সামনে থাকা ভক্তদের পুজো নিবেদনের জন্য সামগ্রীর দোকানপাটেও পড়েছে তালা।

এমনই এক বিক্রেতার কথায়, 'আমাদের রোজগার এখন পুরোপুরি বন্ধ। কবে যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।’ আজ তো  অক্ষয় তৃতীয়া দোকানে পুজো করলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে আবেগরুদ্ধ কণ্ঠে দোকানি গোপাল প্রামানিক বললেন, ‘দেখুন না, দোকানে আলতা, সিঁদুর, ধূপকাঠি, মাকে পুজো দেওয়ার জন্য তৈরি করা লাড্ডু, প্যারা সব সামগ্রীই পড়ে আছে। ভক্তদের পূজার্চনা বন্ধ থাকায় কিছুই আজ বিক্রি হচ্ছে না। অন্যান্যবার মন্দির খোলার সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের দোকানেও ভক্তদের লাইন পড়ে যেত। আজ অক্ষয় তৃতীয়া বলে দোকানে এসে একটু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ধুপ দিয়েই বাড়ি ফিরে যাব'।

নিত্য পূজা ছাড়া ভক্তদের পুজো এই মুহূর্তে বন্ধ থাকলেও মায়ের দর্শন বন্ধ করা হয়নি। তবে মন্দিরের গেট বন্ধ রাখার পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব পালনের কথা ভেবে মন্দির চত্বরে দড়ির ব্যারিকেড নজরে এল। মন্দিরের এই নিস্তব্ধ ছবি দেখতে অনেকেই অভ্যস্ত নন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে থাকার পর আসা এক দর্শনার্থী ডলি সাহার কথায় এমনটাই বক্তব্য উঠে এল। ছল ছল চোখে বললেন, 'এই সমস্ত দিনে ভিড়ে পা রাখার পর্যন্ত জায়গা পেতাম না। আর আজ খাঁ খাঁ করছে। মায়ের কাছে প্রার্থনা করলাম সবাই যেন সুস্থ থাকে' ।

Published by:Simli Raha
First published: