• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ALLEGEDLY RAPE AND MURDER ATTEMPT IN MAHESHTALA WOMAN ADMITTED IN SSKM HOSPITAL SDG

Kolkata Crime|| মেডিক্যাল টেস্টে ধর্ষণ-যৌন নিগ্রহের কোনও প্রমাণ নেই, মহেশতলা কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়

মহেশতলায় ধর্ষণের পর খুনের চেষ্টা । প্রতীকী ছবি।

Kolkata Rape Case: বাড়ি থেকে কাজে বেরনোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে মহিলাকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। অভিযোগ তাঁকে যৌন হেনস্থা (Physical Assault) করে খুন করার চেষ্টা (Attempt to Murder) করা হয়।

  • Share this:

    #কলকাতা: মেডিক্যাল টেস্টে ধর্ষণ-যৌন নিগ্রহের কোনও প্রমাণ নেই, এসএসকেএমে মেডিক্যাল টেস্টের পর জানাল পুলিশ। ঘটনায় শারীরিক নিগ্রহ, মারধরের অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে বাড়ি থেকে কাজে যাওয়ার জন্য বেরিয়েছিলেন মহেশতলার বাসিন্দা বছর চল্লিশের ওই মহিলা। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাড়ি থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে তাঁকে বিবস্ত্র অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেই সময় রক্তে ভেসে যাচ্ছিল মহিলার শরীর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল মহেশতলা (Maheshtala)।

    পরিবারের অভিযোগ ছিল, মহিলাকে যৌন হেনস্থার (Physical Assault) পরে খুনের চেষ্টা (Attempt o Murder) করা হয়। এসএসকেএম হাসপাতালে (SSKM Hospital) নিয়ে যাওয়া হয়েছে বছর চল্লিশের নির্যাতিতাকে। বর্তমানে হাসপাতালে ট্রমা কেয়ারে চিকিৎসা চলছে তাঁর।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার (South 24 Pargana) মহেশতলার অন্তর্গত মহেশতলা পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের রামপুর শীতলতায়। এ দিন ভোরে কাজের জন্য বাড়ি থেকে বেরোন তিনি অন্যান্য দিনের মতো। কিছুক্ষণ পরে বাড়ি থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে এক কয়লার দোকান থেকে অচৈতন্য রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। তৎক্ষণাৎ খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ এসে রক্তাক্ত অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠায়। এ দিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।

    নির্যাতিতা মহিলার পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, এ দিন বাড়িও থেকে বেরিয়ে তিনি যখন কাজে যাচ্ছিলেন, তখন পিছন থেকে তাঁর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়, তাতেই জ্ঞান হারান তিনি। তার পরে কি ঘটছিল, তা এখনও তদন্ত সাপেক্ষ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই মহিলার মেডিক্যাল টেস্টের রিপোর্ট চলে এসেছে, তাতে ধর্ষণের প্রমাণ মেলেনি। তবে যেহেতু বিবস্ত্র অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করা হয়, তাতে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, মহিলা কিছুটা সুস্থ হলে, তাঁর জবানবন্দি নেওয়া হবে।

    স্থানীয়দের দাবি এলাকায় মদ গাঁজা জুয়া সাট্টার ঠেক রমরমিয়ে চলছে।লরিচালক-খালাসিরা এলাকায় যাতায়াত একপ্রকার দুর্বিষহ করে তুলেছে। স্থানীয়দের দাবি, এই সমস্ত বেআইনি ব্যবসা বন্ধ করতে হবে এবং ঘটনার অভিযুক্তদের শাস্তি দিতে হবে।

    Amit Sarkar

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: