• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ALLEGATIONS OF CUTS IN RATION ALLOCATION AGAINST THE CENTRE DC

রেশন বরাদ্দে কাঁটছাঁটের অভিযোগ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে 

গ্রাহকদের জন্যে বরাদ্দ এই খাদ্যশস্য কতটা কাদের কবে কোন রেশন দোকান থেকে দেওয়া হল, তার সবটাই আপলোড করা হয় কেন্দ্রীয় সরকারের অন্ন বিতরণ পোর্টালে।

গ্রাহকদের জন্যে বরাদ্দ এই খাদ্যশস্য কতটা কাদের কবে কোন রেশন দোকান থেকে দেওয়া হল, তার সবটাই আপলোড করা হয় কেন্দ্রীয় সরকারের অন্ন বিতরণ পোর্টালে।

  • Share this:

#কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকারের অন্ন বিতরণ পোর্টালে ঠিক মতো তথ্য আপলোড করা হয়নি। তাই রাজ্যের জন্য প্রাপ্য রেশনের খাদ্যশস্য কাঁটছাট করছে কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রক। রাজনৈতিক কারণে এই আচরণ করা হচ্ছে অভিযোগ রাজ্যের। গ্রাহকরা প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অভিযোগ রেশন ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের। প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনায় রাজ্যের প্রাপ্য বরাদ্দ খাদ্যশস্যের কিছুটা ছাঁটাই করছে কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রক। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যে সমস্ত গ্রাহক জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পে রেশন পান তাদের দেওয়া হয়। এখন এই যোজনার মাধ্যমে বিনা পয়সায় ৫ কেজি করে অতিরিক্ত খাদ্যশস্য দেওয়া হচ্ছে।

গ্রাহকদের জন্যে বরাদ্দ এই খাদ্যশস্য কতটা কাদের কবে কোন রেশন দোকান থেকে দেওয়া হল, তার সবটাই আপলোড করা হয় কেন্দ্রীয় সরকারের অন্ন বিতরণ পোর্টালে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, অন্ন বিতরণ পোর্টালে তথ্য ঠিকমতো আপলোড করা হয়নি। ফলে রাজ্যের বরাদ্দ কমিয়েছে কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই রাজ্যের তরফে পুনঃবিবেচনা করার জন্যে চিঠি পাঠানো হয়েছিল কেন্দ্রের কাছে। যদিও পাল্টা কেন্দ্র জানিয়ে দিয়েছে এই বিষয়ে তাদের কিছু করার নেই। কেন আপলোড করা যায়নি তথ্য? রাজ্যের বক্তব্য মে মাসে আমফান ঘূর্ণিঝড় কারণে, একাধিক জায়গায় বন্ধ থাকে বিদ্যুতের সরবরাহ। নষ্ট হয়ে যায় একাধিক রেশন দোকান। নষ্ট হয় রেশন দোকানে থাকা বাধ্যতামূলক হিসেবে ইলেকট্রনিক পয়েন্ট অফ সেলস মেশিন।

এই মেশিনে গ্রাহকদের দেওয়া সমস্ত তথ্য সংরক্ষিত করা থাকে। কিন্তু প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে সেটা করা যায়নি। ফলে রেজিস্ট্রার খাতায় তথ্য রাখা হয়েছে। ফলে অনলাইন আপডেট হয়নি। যদিও রাজ্যের এই যুক্তি মানতে রাজি নয় কেন্দ্র। ফলে প্রায় ৯৫২ টন খাদ্যসামগ্রী রাজ্যের বরাদ্দ থেকে কেটে নেবে কেন্দ্র। লকডাউন অধ্যায়ে গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনা চালু করে কেন্দ্র। প্রথমে ৩ মাস ছিল এই প্রকল্প। এপ্রিল, মে ও জুন। পরে কেন্দ্রীয় সরকার তা বাড়িয়ে নভেম্বর অবধি করেছে। প্রথমে ৩ লাখ টন চাল দেওয়া হয়েছিল। এখন চাল ও গম দেওয়া হচ্ছে। আগে প্রতি পরিবার ১ কেজি করে ডাল পেত। এখন ছোলা পাচ্ছে। যে পরিমাণ খাদ্যশস্য কেন্দ্র কেটে নিচ্ছে তার ফলে বহু গ্রাহক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন। অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলারস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন, গ্রাহকরা এই সমস্যা বুঝবেন না। তারা ভাববেন রেশন ডিলাররা এই প্রাপ্য তাদের দিচ্ছে না। ফলে বিক্ষোভ হতে পারে একাধিক জায়গায়। কেন্দ্রীয় সরকারের এই ভূমিকার সমালোচনা করেছেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তবে রাজ্যের চালু প্রকল্প নিয়ে অসুবিধা হবে না বলে জানিয়েছেন খাদ্য দফতরের আধিকারিকরা। ফলে আগামী জুন অবধি বিনা পয়সায় চাল-গম পাবেন তারা।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: