corona virus btn
corona virus btn
Loading

রেশন ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তর অভিযোগ, খতিয়ে দেখতে রবিবার থেকে রাস্তায় খাদ্য দফতরের আধিকারিকরা   

রেশন ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তর অভিযোগ, খতিয়ে দেখতে রবিবার থেকে রাস্তায় খাদ্য দফতরের আধিকারিকরা   

রবিবার সকাল থেকে অভিযোগ আসার সংখ্যা কমলেও খাদ্য দফতরের আধিকারিকরা পুলিশের সাহায্য নিয়ে রাজ্যের একাধিক জায়গায় নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন।

  • Share this:

#কলকাতা: শনিবার রাজ্যের একাধিক জায়গা থেকে রেশন নিয়ে নানা অভিযোগ এসেছে খাদ্য দফতরে। রেশন নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। যদিও ২ মে খাদ্য দফতরের হিসেব অনুযায়ী রেশন সংগ্রহ করেছেন ১ কোটি ৪ লক্ষ ১ হাজার ৪৭৯ জন শ্রমিক। দফতরের দেওয়া তথ্য বলছে ১৯.৫%  খাদ্যশস্য দেওয়া হয়েছে গ্রাহকদের কাছে। তব রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৯টি অভিযোগ এসেছে। তার মধ্যে মুরশিদাবাদ ও পূর্ব বধমান জেলা থেকে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুধু ২ মে জবাবদিহি চাওয়া হয়েছে ২ জনের থেকে। ৩ জনকে সাসপেন্ডও করা হয়েছে। ৪ জনের ক্ষেত্রে জবাবদিহি করে ছাড় নাকি সাসপেন্ড করা হবে তা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।

রবিবার সকাল থেকে অভিযোগ আসার সংখ্যা কমলেও খাদ্য দফতরের আধিকারিকরা পুলিশের সাহায্য নিয়ে রাজ্যের একাধিক জায়গায় নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে রবিবার সকাল থেকে অভিযোগ আসা কমলেও রেশন নিয়ে নিশ্চিত হতে পুলিশকে কঠোর হতে বলছেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শনিবার দিনভর সালার ও লালগোলা নিয়ে বিরোধীরা খাদ্যমন্ত্রীর ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছেন। যদিও রাজ্য খাদ্য দফতর সালার ও লালগোলা মিলিয়ে মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাচ্ছে।

খাদ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, "অযৌক্তিক দাবি নিয়ে ওখানে অশান্তি পাকানো হয়েছিল। আমাদের কাছে খবর আছে কারা অশান্তি পাকিয়েছিল। আমরা পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।" যদিও সালারের রেশন ডিলার হালিম শেখকে সাসপেন্ড করে তদন্ত শুরু করেছে খাদ্য দফতর। খাদ্য দফতরের বক্তব্য, প্রতিটি রেশন দোকানে কে কত করে খাদ্যশস্য পাবেন তা জানিয়ে দোকানের সামনে টাঙানো আছে। এরপরেও অনেকে গিয়ে সপ্তাহে ৫ কেজি করে চালের দাবি জানাচ্ছেন। কেউ আবার এপিএল গ্রাহক, তিনিও এতে সামিল হচ্ছেন। অনেকে একাধিকবার রেশন থেকে শস্য আনতে যাচ্ছেন। একাধিক জায়গায় রেশন থেকে পাওয়া খাদ্যশস্য সঙ্গে সঙ্গে  বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। সব কিছুর প্রতি নজর রাখা হচ্ছে।

অন্যদিকে একাধিক জায়গা থেকে নিম্নমানের চাল দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। কম ওজনের চাল ও নিম্নমানের আটা দেওয়ারও অভিযোগ এসেছে। বন্টন ব্যবস্থায় এই অভিযোগ কেন আসছে তা জানতে রবিবার থেকে রাজ্যের একাধিক জায়গায় রেশন দোকানে টহল দিয়েছেন খাদ্য ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। তবে সারা ভারত ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন, " সব ডিলারকে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কেউ যদি কোনও নিয়ম না মানে তার পাশে সংগঠন থাকবে না। আমরা সরকারকে বলব উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে। যারা রেশনের দ্রব্য সামগ্রী কম দিচ্ছে তাদের উপযুক্ত কারণ দেখাতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হবে।"

First published: May 3, 2020, 4:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर