Private School Fees: স্কুলে বেতন বকেয়া থাকলেও অনলাইন ক্লাস বাতিল নয়! আদালতে স্বস্তি অভিভাবকদের

স্কুলের বেতন বকেয়া থাকলেও অনলাইন ক্লাস বাতিল নয়, আবারও অবস্থান স্পষ্ট করল কলকাতা হাইকোর্ট।

স্কুলের বেতন বকেয়া থাকলেও অনলাইন ক্লাস বাতিল নয়, আবারও অবস্থান স্পষ্ট করল কলকাতা হাইকোর্ট।

  • Share this:

    #কলকাতাঃ স্কুলের বেতন বকেয়া থাকলেও অনলাইন ক্লাস বাতিল নয়, আবারও অবস্থান স্পষ্ট করল কলকাতা হাইকোর্ট। দিশারী স্কুলের ফি সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলায়, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় এবং মৌসুমি ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, স্কুলে বেতন বকেয়া থাকলেও, পড়ুয়াদের অনলাইন ক্লাস করতে দিতে হবে নির্বিঘ্নে।

    এখনও কোভিড পরিস্থিতি বর্তমান, ছাত্র-ছাত্রী কেউ স্কুলে গিয়ে ক্লাস করতে পারছে না, তাই পূর্বের নির্দেশ মতো স্কুলের বেতন বকেয়া থাকলেও অনলাইন ক্লাস বাতিল করা যাবে না ছাত্র-ছাত্রীদের। তবে পূর্বের বকেয়া স্কুল ফি ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ধাপে ধাপে (ইনস্টলমেন্টে) দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দিশারি স্কুলের জনস্বার্থ মামলা হলেও, এই নির্দেশ যে রাজ্যের প্রতিটি বেসরকারি স্কুলের ক্ষেত্রে সমান হবে, তা নিয়ে আশাবাদী আইনজীবীরা। এ ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশের ফলে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ পড়ুয়াদের বাবা-মায়েরা যে অনেকটাই স্বস্তি পেলেন, তা বলার অপেক্ষা রাখেন না।

    পূর্বের নির্দেশ মতোই অনুরূপ অর্ডার ২০২১-২২ বর্ষের জন্য এটা প্রয়োগ হবে। হাইকোর্টে স্বস্তি বেসরকারি স্কুলের অভিভাবকদের। চলতি শিক্ষাবর্ষে শুধুমাত্র টিউশন ফি-এর ৮০% ছাড়া অন্য কোনো ফি আদায় করতে পারবেনা স্কুল। ফ্রী বকেয়া থাকার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত করতে পারবেনা স্কুল।

    হলদিয়ার দিশারি পাবলিক স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের কাছ থেকে বাড়তি ফি নিচ্ছিল। যেমন স্কুল বাসের ভাড়া, ডে‌‌-বোর্ডিং স্কুল হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের খাবারের খরচ-সহ অন্যান্য যাবতীয় খরচ একপ্রকার জোর করে আদায় করা হচ্ছিল অভিভাবকদের কাছ থেকে। শুধু তাই নয়, যে সকল অভিভাবক করোনাকাল ও লকডাউনের মধ্যে স্কুলের এই অন্যায় দাবি মেনে নেননি, তাঁদের ছেলেমেয়েদের ক্লাস করতে দিচ্ছিল না স্কুল। নিয়মমতো এপ্রিল মাসে স্কুল সেশন শুরু হলেও দিশারি পাবলিক স্কুল গত মে মাস থেকে সেশন শুরু করেছে। ১০০% টিউশন ফি, যাতায়াতের গাড়ি ভাড়া এবং খাবার খরচ ছাড়াও অ্যানুয়াল ফি হিসেবে এককালীন ১২,০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছিল অভিভাবকদের কাছ থেকে। এই ঘটনার প্রতিবাদে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কয়েকজন অভিভাবক।

    আজ বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি আইপি মুখোপাধ্যায়ের বেঞ্চ অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে জানিয়ে দেয়, গত বছরের আদালতের রায়ই বহাল থাকবে। অর্থাৎ বেসরকারি স্কুলগুলি শুধুমাত্র টিউশন ফি-র ৮০% নিতে পারবে। এ ছাড়া অন্য কোনও বাড়তি ফি নিতে পারবে না। সেই সঙ্গে অভিভাবকদের আরও স্বস্তি দিয়ে আদালত জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বকেয়া ফি আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ধাপে ধাপে দিতে পারবেন অভিভাবকরা।

    ARNAB  HAZRA

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: