• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ALL PUMP OWNERS OF KOLKATA SHOWS SYMBOLIC PROTEST AGAINST PETROL DIESEL PRICE HIKE SB

Kolkata Petrol Pump: মোদি জমানায় পেট্রোল-ডিজেল 'আগুন', অভিনব প্রতিবাদ পাম্প মালিকদেরও!

অভিনব প্রতিবাদ

Kolkata Petrol Pump: পেট্রোল-ডিজেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে শহর কলকাতায় দেখা গেল সন্ধ্যা সাতটা বাজতেই পাম্পের সমস্ত আলো নিভিয়ে প্রতীকী ধর্মঘটে অংশ নিলেন মালিকপক্ষ।

  • Share this:

#কলকাতা: পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এবার সরব পেট্রোল পাম্প মালিকরাও। যেভাবে প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে পেট্রোপণ্যের দাম তাতে ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই এখন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে পাম্প মালিকদের কাছে। প্রতিবাদ হিসেবে প্রতীকী ধর্মঘটে সামিল পাম্প মালিকদের সংগঠন। বুধবার সন্ধ্যা সাতটা থেকে সাড়ে সাতটা পর্যন্ত পরিষেবা বন্ধ রেখে আন্দোলনে সামিল হলেন পেট্রোল পাম্প মালিকরা।

শহর কলকাতায় দেখা গেল সন্ধ্যা সাতটা বাজতেই পাম্পের সমস্ত আলো নিভিয়ে প্রতীকী ধর্মঘটে অংশ নিলেন মালিকপক্ষ। তবে শুধু মালিকরাই নন ,পাম্পের কর্মীরাও কালো ব্যাজ পড়ে প্রতিবাদে সামিল। দক্ষিণ কলকাতার ল্যান্সডাউন এলাকার একটি পাম্পে গিয়ে দেখা গেল, ওই সময় পাম্পে পেট্রোল-ডিজেল নিতে আসা যানবাহনকে পরিষেবা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে। পেট্রোল পাম্প মালিকপক্ষের তরফে অপু পাল চৌধুরী বলেন, 'যেভাবে মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে তাতে আমাদের পাম্পের বিক্রি অনেকটাই কমেছে। ক্রমাগত তেলের মূল্যবৃদ্ধি হলেও আমাদের কমিশন বহু বছর বাড়েনি। এই অবস্থায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনা আবহে এমনিতেই পেট্রোল-ডিজেলের বিক্রিবাটা অনেকটাই কমেছে। তার ওপর যেভাবে প্রতিদিন মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে তাতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে আমাদের ব্যবসায়। এই অবস্থা চলতে থাকলে বংশপরম্পরায় চলা ব্যবসা থেকে সরে আসতে হবে'।

কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বুধবার আধঘণ্টার এই প্রতীকী ধর্মঘট পালন করা হয় পাম্প মালিকদের তরফে।

প্রতীকী প্রতিবাদে সামিল হওয়া এক পাম্প কর্মী গৌতম কুন্ডুর কথায়, 'আমরা তো সারাক্ষণ পাম্পে থাকি। দেখছি আগের তুলনায় গাড়ির সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। গ্রাহকরা যারা তেল ভরাতে আসছেন অধিকাংশ গ্রাহকই তেল নেওয়ার পরিমাণ কমিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে আমাদের বেতনও সঠিক সময়ে পাচ্ছি না। আমরা বুঝি তেলের বিক্রিবাটা না হলে কীভাবে মালিকপক্ষ অন্যান্য খরচ মেটাবেন। তবুও আমাদের সংসার চালানোও কঠিন হয়ে উঠেছে'।

ওয়েস্টবেঙ্গল পেট্রোলিয়াম ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্নেহাশীষ ভৌমিকের বক্তব্য,' তেলের বিক্রি বর্তমানে এতটাই কমে গেছে যে আমাদের বিক্রির ক্ষেত্রে ভীষণ রকম প্রভাব পড়েছে।অনেক  সংস্থা আছে যাদের সঙ্গে আমাদের সারা বছরের চুক্তি। অনেকের সঙ্গেই ধারে কারবার চলে। সেই ধারের পরিমাণ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। অথচ তেল বিক্রি হচ্ছে কম। আমরা তো শুধুমাত্র একজন ব্যবসায়ী নয়, আমরাও তো এক এক জন সামাজিক মানুষ। আমাদের মাধ্যমেও তো আমাদের পাশাপাশি লক্ষ লক্ষ পরিবারের জীবন-জীবিকার  প্রশ্ন জড়িয়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। তাই আমরা প্রতীকী প্রতিবাদ করতে বাধ্য হলাম'।

Published by:Suman Biswas
First published: