সপ্তাহে ছ'দিন কলকাতা বিমানবন্দরে উড়ান চেয়ে রাজ্যকে চিঠি এয়ারপোর্ট অ্যাডভাইসরি কমিটির 

আনলক অধ্যায়ে দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই, পুণে, আহমেদাবাদ, নাগপুর থেকে বিমান আসছে কলকাতায়। যদিও প্রতিদিনের পরিবর্তে বিমান আসা যাওয়া করছে সপ্তাহে তিন দিন করে।

আনলক অধ্যায়ে দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই, পুণে, আহমেদাবাদ, নাগপুর থেকে বিমান আসছে কলকাতায়। যদিও প্রতিদিনের পরিবর্তে বিমান আসা যাওয়া করছে সপ্তাহে তিন দিন করে।

  • Share this:

#কলকাতা: স্বাভাবিক করা হোক ছয় রাজ্যের বিমান পরিষেবা। রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে জানাল এয়ারপোর্ট অ্যাডভাইসরি কমিটির চেয়ারম্যান সাংসদ সৌগত রায়। যদিও এখনও কোনও আশার কথা রাজ্য জানায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এই ব্যবস্থা স্বাভাবিক হলে পর্যটন ব্যবসায়ীদের সুবিধা হবে বলে মত চেয়ারম্যানের। আনলক অধ্যায়ে দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই, পুণে, আহমেদাবাদ, নাগপুর থেকে বিমান আসছে কলকাতায়। যদিও প্রতিদিনের পরিবর্তে বিমান আসা যাওয়া করছে সপ্তাহে তিন দিন করে।

উড়ান সংস্থা ও ট্রাভেল এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন চাইছে সপ্তাহে ছ'দিন বিমান ওঠানামা করুক। নিউ নরমালে সোম, বুধ ও শুক্রবার এই ছয় শহর থেকে বিমান কলকাতায় আসছে। যদিও বিমান উড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও দিনক্ষণ নিয়ে বিধিনিষেধ জারি করা হয়নি। এই যে তিনদিন করে বিমান আসছে, সেটা ছ'দিন করা হোক বলে দাবি জানাচ্ছে অনেকেই। কিছুদিন আগেই বিমানবন্দর অ্যাডভাইসরি কমিটি একটা বৈঠক করেন। সেখানেই এই প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, রাজ্যকে আবেদন জানানো হবে যাতে ছ'দিন সপ্তাহে এই ছ'টি শহর থেকে বিমান আসার অনুমতি দেওয়া হয়।

এয়ারপোর্ট অ্যাডভাইসরি কমিটির চেয়ারম্যান সাংসদ সৌগত রায় জানিয়েছেন, "কোভিড সংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্য সরকার একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। সেই সব ব্যবস্থার মধ্যে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এখন ধীরে ধীরে পরিষেবা স্বাভাবিক করা হচ্ছে। ফলে সব দিক খতিয়ে দেখে যদি বিমান আসার ব্যবস্থা করা যায় দিন বাড়িয়ে তাহলে লাভ হয়। সেই কারণেই আমি পুনঃবিবেচনা করার জন্যে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে একটা চিঠি পাঠিয়েছি।" এই সব রাজ্য বা শহরগুলির কোভিড পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে শারীরিক নিরাপত্তার কথা ভেবে যাতে রাজ্য সিদ্ধান্ত নেয় তাও উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।

উড়ান সংস্থা ও ট্রাভেল এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য, রাজ্যে বা শহরে যাতে সংক্রমণ না ছড়িয়ে পড়ে সেদিকে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি, বিমানবন্দরের মধ্যে কোভিড টেস্টের ব্যবস্থা করা হোক। যারা শহরে প্রবেশ করবেন তারা যেন করোনা পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়েই বিমান ধরেন। এই সব নিয়ম বজায় রাখার আবেদন জানাচ্ছেন তারা।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: