• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • AFTER SINGLE BENCH THE BOLPUR HIGH SCHOOL LOST EXAM COPY CASE IN DIVISION BENCH AT KOLKATA HIGH COURT ED

টুকলি মামলায় ডিভিশন বেঞ্চে হার বোলপুর হাইস্কুলের, উচ্চমাধ্যমিক বসবে ছাত্র   

File Photo

  • Share this:

# কলকাতা : সিঙ্গল বেঞ্চের পর ডিভিশন বেঞ্চ। কলকাতা হাইকোর্টে টুকলি মামলায় হার বোলপুর হাইস্কুলের। উচ্চমাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষায় টুকলি করার অভিযোগ ধোপে টিকল না। সিঙ্গল বেঞ্চে'র পর ডিভিশন বেঞ্চেও জয়ী ছাত্র। বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ, ছাত্রের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসা নিশ্চিত করে সোমবার  "টুকলি" মামলার নিষ্পত্তি করে।

বীরভূমের বোলপুর হাইস্কুলের উচ্চমাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা হয় নভেম্বরের আগে। ঐচ্ছিক বিষয় কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন। সেই পরীক্ষায় বসে হলে পেন কামড়ে মরে গুণধর রায় (নাম পরিবর্তিত)। অগত্যা টেবিল ছেড়ে অন্য বন্ধুর উত্তর নকল করে নাকি সে! পরিদর্শক দুই বন্ধুর পরীক্ষার খাতা বাতিল করে দেয়। শাস্তি হিসেবে  উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসা যাবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয় বিদ্যালয় পরিচালন সমিতি।

একাধিকবার স্কুলকে লিখিত আবেদন করে ছাত্রের বাবা। বাসচালক বাবা, ছেলের একটা বছর নষ্ট হওয়া মেনে নিতে পারেননি।  তিনি মামলা করেন হাইকোর্টে।  ৩ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষায় "নকল" মামলাটির শুনানি হয় বিচারপতি শেখর ববি শরাফের বেঞ্চে। মামলায় হার হজম করতে হয় বোলপুর হাইস্কুল-কে। সিঙ্গেল বেঞ্চের হারেও দমে যেতে রাজি হয়নি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আইনি লড়াই ডিভিশন বেঞ্চে নিয়ে যায় তারা।

বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে সোমবার হয় "টুকলি" মামলার শুনানি। ডিভিশন বেঞ্চে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়,  কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন পরীক্ষায় নকল করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছে ২ ছাত্র। দুজনের খাতা আরএ করার পাশাপাশি পরীক্ষাও বাতিল করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক (ইনভিজিলেটর)। পরিদর্শকের সিদ্ধান্তই এখানে চূড়ান্ত বলে অনুমোদন দিয়েছে স্কুল পরিচালন সমিতি।

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট মার্চের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দেওয়া হবে । সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ মেনে ১০ ফেব্রুয়ারি বোলপুর হাইস্কুলে যায় ছাত্র নথি জমা করতে। ছাত্র ও অভিভাবকদের স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে ডিভিশন বেঞ্চে অভিযোগ করে ছাত্রের আইনজীবী গৌরব দাস। হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ছিল, আত্মপক্ষ সমর্থনের যথেষ্ট সুযোগ না দিয়ে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। এক বছর শাস্তি হিসেবে পরীক্ষা না বসতে দিলে ছাত্রটির ওপর মানসিক চাপ তৈরি হবে। পরীক্ষায় নকল, এমন একটা তকমা নিয়ে বাকিটা জীবন কাটাতে হবে ছাত্রটিকে। এদিন ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানায়, প্রধান শিক্ষক ছাত্রের অভিভাবক সমান। পাঁচ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে কিছু পড়ুয়া উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবে। আর টুকলির মত সন্দেহজনক এক অভিযোগে এক পড়ুয়া উচ্চ মাধ্যমিক দিতে পারবে না। এমনটা বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত।

আইনজীবী গৌরব দাস জানান, ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বোলপুর হাইস্কুল কে ছাত্রীর থেকে অ্যাডমিট কার্ডের জন্য সমস্ত নথি গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ, পড়ুয়া যাতে অ্যাডমিট কার্ড পায় তা সুনিশ্চিত করবে বলেও এদিন নির্দেশে জানিয়েছে হাইকোর্ট।

ARNAB HAZRA

Published by:Elina Datta
First published: