কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে এক মাস বাস করেই, আগুনে পুড়ে মৃত মহিলা!

পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে এক মাস বাস করেই, আগুনে পুড়ে মৃত মহিলা!

আজাদ গড় এলাকাতে দীর্ঘ দিন ধরে বাড়ি বাড়ি রান্নার কাজ করত অনিতা সরদার।

  • Share this:

#কলকাতা: আজাদ গড় এলাকাতে দীর্ঘ দিন ধরে বাড়ি বাড়ি রান্নার কাজ করত অনিতা সরদার। প্রতিদিন কাজ সেরে, সন্ধ্যার ট্রেনে কানিং তালদির বাড়িতে ফিরে যেত। লক ডাউন চলা কালীন প্রথম দিকটা,কাজে আসতে পারেনি। আন- লক ওয়ানের পর,আজাদ গড়ে এসে ,কাজের বাড়ির কাছ কাছি শৈলেন তালুকদার মদনদার বাড়িতে ভাড়া নেয়।প্রথমে একমাসের জন্য ভাড়া নিয়েছিল। মাসিক তিন হাজার টাকা ভাড়া হিসাবে।সঙ্গে স্বামী তরুণ সরদারকে নিয়ে আসে।দুজনে এতদিন থাকার পরও,ওদের পরিচয় পত্র বাড়িওয়ালা জমা দিতে বললেই,আর দেখাতে পারেনি। পরে জানা, যায় অনিতার কানিংয়ের বাড়িতে স্বামী ছেলে রয়েছে। এই তরুণ ওর স্বামী নয়। পুরুষ সঙ্গী বটে। বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটিতে বাড়ি গিয়েছিল দুজনেই। ফিরেছিল দুজন আলাদা ভাবে। বিষয়টি জানা জানি হয়ে যাওয়ার ভয়ে,অনিতা,তরুণকে ছেড়ে দিতে চাইছিল। তরুণ পেশায় গাড়িচালক।তরুণ চাইছিল না। এক দিকে লোক লজ্জা। অন্যদিকে সামাজিক সম্মান। সব কিছুই অনিতাকে খুব ভাবিয়ে তুলেছিল।  প্রতিদিনের মত, গত রাতেও একই ধরনের ঝগড়া লাগে দুজনের। সেই সময় অনিতা রাত্রি ১২ টার পরে, নিজের গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে নিজেই আগুন ধরিয়ে নেয় বলে, প্রকাশ ।বাড়িওয়ালা দোতলা থেকে ধোঁয়ার গন্ধ পেয়ে নীচ তলায় নেমে গিয়ে দেখে, মহিলা দাউ দাউ করে জ্বলছে।বেগতিক শৈলেন বাবু সঙ্গে সঙ্গে ১০০ নম্বরে ডায়াল করেন। সঙ্গে সঙ্গে যাদব পুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। অগ্নিদগ্ধ অনিতাকে নিয়ে বঙ্গুর হাসপাতালে পাঠায়।তারপর সকালে মারা যায় মহিলা।তরুণ আগুন নেভাতে গিয়ে রীতিমতো আহত হয়। পুড়ে যায় দেহের বেশ কিছু অংশ। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ। এখন সে চিকিৎসাধীন।  অনিতার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে,পরিবারের লোকজন জানান ,এই বিষয়ে তারা কিছুই জানে না।তারা জানত, কোনো কাজের বাড়িতে রয়েছে অনিতা। অনিতার বড়ো ছেলেকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, ' মা এই ভাবে করবে, ভাবতে পারছি না!আমরা কিছু জানিনা।পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। আইনের ওপর বিশ্বাস আছে।তবে মা আত্মহত্যা করতে পারেনা।'  পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে।আগুন ধরার সময় ,ওই ঘরের দরজা খোলা ছিল।সেই সময় যারা দেখেছিল,তাদের বক্তব্য - অনিতা প্রায় পুরোটাই পুড়ে গিয়েছিল,কেন ও কোনো ভাবে চিৎকার করল না?আর তরুণ আগুন নেভানোর জন্য এগোতেই,তার হাতের কিছুটা পুড়ে যেতেই,রাস্তায় বেরিয়ে এসে চিৎকার করছিল।গোটা বিষয়টা নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন রয়েছে এলাকাতে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট ও ফরেনসিক রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে সমস্ত কিছু।

Published by: Akash Misra
First published: September 30, 2020, 8:21 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर