এত বড় সভা কখনও দেখিনি,জনজোয়ারে স্তম্ভিত অধীর চৌধুরীও!

এত বড় সভা কখনও দেখিনি,জনজোয়ারে স্তম্ভিত অধীর চৌধুরীও!

অধীর চৌধুরী

মঞ্চ থেকে বিঁধলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, নরেন্দ্র মোদিকে। তোপ দাগলেন তেলের দাম নিয়ে।

  • Share this:

    #কলকাতা: ডাকসাইটে কংগ্রেস নেতা হিসেবে গোটা দেশ তাঁকে চেনে। আজ সেই কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী সংযুক্ত মোর্চার ব্রিগেডে মানুষের ভিড় দেখে কার্যত হতভম্ভ হয়ে গেলেন, লুকোলেন না সেই অভিব্যক্তিও । মঞ্চ থেকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই বিঁধলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, নরেন্দ্র মোদিকে। তোপ দাগলেন তেলের দাম নিয়ে। পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, রুটি রুজি খাদ্য স্বাস্থ্যের জন্য মোর্চা সরকারের পক্ষ জনাদেশ চাইলেন অধীর।

    এ দিন অধীরের হাতিয়ার ছিল সমসায়িক ইস্যু। পেট্রোলের দাম নিয়ে তিনি অভিযোগ করে বলেন, "বাংলার নেত্রী যদি চাইতেন তেলের রাজস্ব আরও কমাতে পারতেন। তিনি কমিয়েছেন ১ টাকা। চাইলে এই তেল অনেক কম দামে দেওয়া যেত।" কেন্দ্রকে উদাসীন প্রমাণে মরিয়া অধীরের টিপ্পনি, "মোদি ও কোহলি দুজনই সেঞ্চুরি করতে চলেছেন।"

    সভার শুরুতেই হতভম্ব অধীর স্পষ্ট বলেন, "এত বড় সভায় আমার বক্তব্য এই প্রথম। যারা বোঝাতে চাইছে বাংলায় দুটি শক্তির লড়াই, টিএমসি বিজেপি, তাদের বার্তা দিচ্ছে এই সভা। উঠে আসছে সংযুক্ত মোর্চা। আগামী দিনে টিএমসি বিজেপি থাকবে না, থাকবে এই মোর্চা। সকাল বুঝিয়ে দিচ্ছে দিন কেমন যাবে, আজকের সভা বুঝিয়ে দিচ্ছে, টিএমসি-বিজেপি অপশক্তি। ইয়ে তো ঝাঁকি হ্যায়, সরকার বদলনা বাকি হ্যায়।" অধীরের মুখে এদিন শোনা যায় উর্দু কবিতাও। লাখো মানুষকে অধীর-বার্তা, "যারা বলে এখান তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই হবে, তাদের বলতে চাই নজর বদলো, নজর বদল জায়েঙ্গে, দিশা বদলো কিনারে বদল জায়েঙ্গে।"

    অধীরের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার নাকি করোনার সময়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের অবমাননা করেছেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেনের নাম দেওয়া হয়েছে করোনা এক্সপ্রেস।

    কিন্তু সংযুক্ত মোর্চার জোটে সঙ্গী তো আব্বাস সিদ্দিকি, তাই নিয়ে প্রশ্ন অনেক। অধীর চৌধুরীর সাফ বার্তা, "এই জোট ধর্মভিত্তিক নয় আমরা চাই এই বাংলায় ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক শক্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। আমরা চাইছি সাম্প্রদায়িক শক্তি পরাস্ত হোক। নতুন পরিবর্তনের রামধনু লক্ষ্য করছি। লড়াই হবে।"

    অধীরের কথায়, মমতার ভাষায় মমতাকে জবাব দিতে চাই, মমতা দেখে যান মোর্চার ক্ষমতা। মোদি দিদির ফা‌রাক খুঁজে পাওয়া ভার। গণতান্ত্রিক পথে ক্ষমতায় এলেও স্বৈরতন্ত্রকে পরীক্ষা করছেন।

    অধীর বক্তব্য রাখার সময়েই মঞ্চে এলেন আব্বাস। হঠাৎই শোরগোল শুরু হয় তিনি মঞ্চে উঠতেই। খানিকটা থেমে, তারপর ফের বলা শুরু করেন অধীর। যদিও তাঁর মুখে আব্বাসের জন্য একটিও শব্দ শোনা যায়নি।

    Published by:Arka Deb
    First published: