• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ‘মদনকে বলির পাঁঠা করা হয়েছে’, আচমকা সহানুভূতির সুর অধীরের!

‘মদনকে বলির পাঁঠা করা হয়েছে’, আচমকা সহানুভূতির সুর অধীরের!

মদন মিত্রের জন্য আচমকা সহানুভূতির সুর অধীর চৌধুরীর গলায়। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির খোঁচা, মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষকে বলির পাঁঠা করেছে দল।

মদন মিত্রের জন্য আচমকা সহানুভূতির সুর অধীর চৌধুরীর গলায়। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির খোঁচা, মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষকে বলির পাঁঠা করেছে দল।

মদন মিত্রের জন্য আচমকা সহানুভূতির সুর অধীর চৌধুরীর গলায়। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির খোঁচা, মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষকে বলির পাঁঠা করেছে দল।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: মদন মিত্রের জন্য আচমকা সহানুভূতির সুর অধীর চৌধুরীর গলায়। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির খোঁচা, মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষকে বলির পাঁঠা করেছে দল। তাঁর অভিযোগ, দু’জনেই দলের জন্যই টাকা নিয়েছিলেন।

    অধীরের মন্তব্যে পাত্তা দিচ্ছে না তৃণমূল। বরং মদন মিত্রের টানা ২১ মাস জেলবন্দি থাকার ঘটনাকে তুলে ধরে পাল্টা রাজনৈতিক চক্রান্তের অভিযোগই প্রচারের আলোয় আনছে তৃণমূল কংগ্রেস।

    মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদে জোরালো কামড় বসিয়েছে তৃণমূল। নড়বড়ে বহরমপুর পুরসভাও। খোদ অধীর গড়েই প্রবল ভাঙনের মুখে কংগ্রেস। এসময় মদন মিত্রের জন্য আচমকা সহানুভূতির সুর তুলে পাল্টা তৃণমূলকে আক্রমণের কৌশল নিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।  মদন মিত্রকে ঢাল করে তৃণমূলকে খোঁচা দিলেন অধীর ৷

    যদিও কংগ্রেসের তির অবশ্য আঁচড় কাটতে পারেনি। উল্টে মদন মিত্রের দীর্ঘ ২১ মাস জেলে থাকার ঘটনাকে সামনে রেখে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার তত্ত্বই খাড়া করছে তৃণমূল কংগ্রেস।

    আরও পড়ুন

    মদনের জামিনে ‘কাঁটা’, আবারও কী বাতিল হতে পারে জামিন?

    প্রথম থেকেই মদন মিত্রের পাশে থেকেছে তাঁর দল। শুক্রবার, জেল থেকে ছাড়া পাওয়া থেকে শুরু করে প্রতি মুহূর্তে মদন মিত্র প্রসঙ্গে সেই বার্তা দেওয়ার চেষ্টাই দেখা গেল তৃণমূল কংগ্রেস।

    আরও পড়ুন

    ২২ মাস জেল খেটে জামিন পেলেন মদন মিত্র, দেখে নিন কোন পথে জামিন

    ৬৩৫ দিনের অপেক্ষার পর শুক্রবার সারদা রিয়েলটি মামলায় সিবিআইয়ের হাতে বন্দি মদন মিত্রের জামিল আপীল গ্রহণ করে আলিপুর জজ কোর্ট ৷ অবশেষে পুজোর আগেই খুশির হাওয়া মদন অনুরাগী ও তৃণমূলের অন্দরে ৷ একইদিনে ডাবল খুশির খবর ৷ সকালে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ দখল, বিকেলে মদন মিত্রের জামিন ৷

    First published: