corona virus btn
corona virus btn
Loading

কলকাতার ৫৬টি বাজারে অতিরিক্ত পুলিশ, থাকতে পারে সশস্ত্র বাহিনীও !

কলকাতার ৫৬টি বাজারে অতিরিক্ত পুলিশ, থাকতে পারে সশস্ত্র বাহিনীও !

শুক্রবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা করেছেন, শহরের বাজারগুলিতে বাড়তি নজরদারি দেওয়ার জন্য।

  • Share this:

#কলকাতা: লকডাউন পর্বে সরকারি নিয়ম সবথেকে বেশি অমান্য করা হয়েছে রাজ্যের বাজারগুলিতে। পুলিশের তরফে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ তাতে কান দেয়নি। বাজার-দোকানে চক দিয়ে গন্ডি কেটে দেওয়া হলেও তা উপেক্ষা করেই গা ঘেষাঘেষি করে বাজার করেছে বাঙালি। তাই বাঙালির এই 'আত্মঘাতী' পদক্ষেপকেই এবার বন্ধ করতে কড়া হতে চলেছে প্রশাসন।

শুক্রবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা করেছেন, শহরের বাজারগুলিতে বাড়তি নজরদারি দেওয়ার জন্য। কোনওমতেই যাতে বাজারে ভিড় না জমে সেদিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে। তারপরই কলকাতা পুলিশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে শহরের ৫৬ টি বড় এবং ছোট বাজারে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী সশস্ত্র পুলিশ দিয়ে নজরদারি চালানোর কথা বলেছেন। তাই শনিবার সকাল থেকে শহরের বাজারে সশস্ত্র পুলিশেরও দেখা মিলতে পারে।

কলকাতা পুলিশের এক কর্তা বলেন, "এমনিতেই কলকাতার সবক'টি বাজারে প্রথম থেকেই আমাদের নজরদারি চালু রয়েছে। সকলে যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাজার করে তা নিয়মিত মাইকে প্রচার করা হচ্ছে। কেউ গা ঘেষাঘেষি করে যাতে বাজার না করে তা দেখা হচ্ছে।" কিন্তু কার কথা কে শোনে! তাই এবার থেকে কড়া হাতে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ।

লালবাজার সূত্রের খবর, কলকাতার যে সমস্ত এলাকায় ঘিঞ্জি বাজার রয়েছে, তার লাগোয়া খোলা মাঠে ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বহু বাজার। সেখানে যাতে মানুষের ভিড় না তৈরি হয় সেজন্য বাজারে ঢোকা এবং বেরোনোর আলাদা করে গেট তৈরি করা হয়েছে। এবার থেকে সেই গেট গুলিতেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। যারা একদিকে যেমন ভিড় ঠেকাবে পাশাপাশি একবারে বেশি মানুষ বাজারে যাতে ঢুকতে না পারে সেদিকে নজর রাখবে। তাতেও কাজ না হলে সশস্ত্র পুলিশ কড়া হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে।

এর পাশাপাশি কলকাতার রাস্তায় প্রয়োজন ছাড়া মানুষের বেরোনো বন্ধ করতে নাকা চেকিং পয়েন্টের সংখ্যাও বাড়ানো সিদ্ধান্ত নিয়েছে লালবাজার। প্রত্যেকটি নাকা পয়েন্টে পুলিশের সংখ্যাও বাড়াতে বলা হয়েছে। কিন্তু এতকিছুর পরেও একটাই প্রশ্ন, বাঙালির বাজার করার নেশা কমবে কি?

সুজয় পাল

First published: April 17, 2020, 11:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर