লটারিতে জিতলেন টিভি, টিভি তো পেলেনই না উল্টে টাকা খোয়ালেন অভিনেত্রী মৌবনী

লটারিতে জিতলেন টিভি, টিভি তো পেলেনই না উল্টে টাকা খোয়ালেন অভিনেত্রী মৌবনী

অনলাইনে দিনের পর দিন ঠকছে সাধারণ মানুষ।রেহাই পাচ্ছেন না সেলিব্রিটিরা।এবার প্রতারকদের ফাঁদে মৌবনী সরকার।বিশ্বাস করে প্রতারিত হলে?

  • Share this:

#কলকাতা:  সারাবিশ্ব যাদের যাদের জাদুতে মুগ্ধ। সেই জাদুকরের ঘরে প্রতারণার থাবা। খবর শুনে পুলিশ থেকে আরম্ভ করে সাধারণ মানুষ, সবাই অবাক। জাদুকর তো নিজে সবাইকে বোকা বানিয়ে জাদু দেখান, এক্ষেত্রে জাদুকর কন্যা ,কী করে বোকা বনে গেলেন !

সেটা নিয়ে ভ্রু- কুঁচকাচ্ছেন সবাই।   মৌবনী সরকার, একাধারে ভাল আঁকেন, বাংলা সিনেমা জগতে প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী।বাবা বিশ্বখ্যাত জাদুকর পি সি সরকার জুনিয়র।   সেই বাবার মেয়ে, মৌবনীর কাছে ১১ ই জানুয়ারী অচেনা ফোন নম্বর থেকে ফোন আসে যে তিনি লটারি জিতেছেন। একটি রঙিন টিভি। যার বাজারমূল্য ৪৯০০০ টাকা। হঠাৎ করেই লটারি জেতা বেশ খানিকটা মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিল মৌবনির। শোনার সঙ্গে সঙ্গে উপহারস্বরূপ, রঙিন টিভি নিতে রাজিও হয়ে যান।

অপরদিকে থেকে ফোনে বলা হয়, যদি উপহার নিতে হয় তাহলে তাদের ওয়েবসাইট থেকে ৫০০০ টাকা মূল্যের কিছু ক্রয় করতে হবে। মৌবনী কিনেও ফেলেন।   বলে রাখা ভালো যারা ফোন করছিল তারা তাদের পরিচয় দিয়েছিল পেটিএম মল থেকে বলছে বলে।বিশ্বাস যোগ্যতা অর্জনের জন্য মৌবনীর মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপে, তাদের পরিচয় পত্র পাঠিয়ে দেয়। প্যান কার্ড ,আধার কার্ড, আইডেন্টিটি কার্ড থেকে আরম্ভ করে সমস্ত পরিচয় পত্র। সেগুলি পাওয়ার পর মৌবনির বিশ্বাস একেবারে দৃঢ় হয়।   যিনি ওই সংস্থা থেকে ফোন করছিলেন তার নাম নীতিন কুমার সিং বলে জানিয়েছিলেন। পরিচয় পত্রেও একই নাম ছিল।

এবার অভিনেত্রীকে বলা হয় জিএসটির জন্য ১১৯০০ টাকা দিতে হবে। এই টাকাটা আবার ফেরত দিয়ে দেওয়া হবে।পরিচয় পত্র যেহেতু আছে সেই জন্যে আর না ভেবেই এই টাকা আবার ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার করে দেন তাদের একাউন্টে। ব্যাস জাদু দেখানোর পালা শেষ।

তারপর থেকে সেই জাদুকর এখনও পর্যন্ত মৌবনীকে ফোন করেনি , বা মৌবনীর ফোনটাও ধরেনি। এরপর গরিয়াহাট থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।   লটারি ,উপহার এই সমস্ত কিছু বিষয়ে প্রতিদিনই কোন না কোন মোবাইলে ম্যাসেজ আসে। এত কিছু জেনেও মৌবনী কেন এই ফাঁদে পা দিলেন?    ওর পরিস্কার উত্তর, ছোটবেলা থেকে যত জায়গায় লটারিতে গেছে, ততো জায়গাতেই উপহার পেয়েছেন। ১১ তারিখও তাই ভেবেছিলেন। একবারও ভাবেনি জাদুকরকে টুপি পরানোর মত জাদুকর কলকাতায় রয়েছে।

 ওর বক্তব্য, এই ঘটনার শেষ দেখে ছাড়বে।  এই ধরনের প্রতারণা দিনের পর দিন বাড়ছে।

Shanku Santra

First published: January 14, 2020, 4:26 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर