• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ACCUSED IN CHILD TRAFFICKING TRYING TO SET UP HOTEL IN MANDARMANI

শিশুবিক্রির টাকায় হোটেল?

শিশুপাচারের টাকায় মন্দারমণিতে হোটেল ব্যবসার ছক? সমুদ্র সৈকতের ধারে হোটেল গড়ে তুলছিল বেহালার সাউথ ভিউ নার্সিংহোমের মালিক পুতুল বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার মেয়ে রিনা।

শিশুপাচারের টাকায় মন্দারমণিতে হোটেল ব্যবসার ছক? সমুদ্র সৈকতের ধারে হোটেল গড়ে তুলছিল বেহালার সাউথ ভিউ নার্সিংহোমের মালিক পুতুল বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার মেয়ে রিনা।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: শিশুপাচারের টাকায় মন্দারমণিতে হোটেল ব্যবসার ছক? সমুদ্র সৈকতের ধারে হোটেল গড়ে তুলছিল বেহালার সাউথ ভিউ নার্সিংহোমের মালিক পুতুল বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার মেয়ে রিনা। পরিচয় লুকিয়ে মন্দারমণির একটি হোটেলে একাধিকবার ওঠে তারা। উঠে আসছে আরও অনেকের নাম।

    আটঘাট বেঁধে শিশুপাচার চক্র। মাদকাসক্ত ও মানসিক রোগীদের চিকিৎসার আড়ালে অবৈধ ব্যবসা। শিশুবিক্রির লক্ষ লক্ষ টাaকা কি বৈধ ব্যবসাতেও কাজে লাগানোর ছক ছিল বেহালার সাউথ ভিউ নার্সিংহোমের মালিক পুতুল বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে বড়দির? তাঁর টাকাতেই মন্দারমণির সৈকতের কাছে গড়ে তোলা হচ্ছিল হোটেল।

    মন্দারমণির দাদন-পাত্রবার এলাকায় গড়ে উঠছিল পুতুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের হোটেল ৷ নির্মাণ কাজ দেখতে একাধিকবার মন্দারমণি যায় পুতুল ও তার মেয়ে রিনা ৷ প্রতিবারই তারা নির্দিষ্ট একটি হোটেলে ঘর ভাড়া নেয় ৷ সেখানে নিজেকে নীরজ নামে পরিচয় দেয় পুতুল ৷

    হোটেল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিবারই বিভিন্ন লোকজনকে সঙ্গে আনত পুতুল ও রিনা।

    শিশুপাচারে আরও অনেকে?

    ২০ নভেম্বর মন্দারমণির ওই নির্দিষ্ট হোটেলে ৩টি ঘর নেয় পুতুল ও রিনা ৷ তারা মোট ৭ জন ছিল ৷ ২১ নভেম্বর তারা হোটেল থেকে চেক আউট করে ৷ কিন্তু, ২৪ ঘণ্টায় তাদের কাউকে ঘরের বাইরে বেরোতে দেখা যায়নি ৷ সারাক্ষণই তাদের ঘর বন্ধ ছিল ৷ মাঝে মাঝে রিনা বাইরে বেরতো ৷

    ২০ নভেম্বর হোটেলে ঢোকার সময় নিজেদের পরিচয়পত্র দিয়েছিল পুতুল ও রিনার সঙ্গীরা। সেই সূত্রেই কয়েকজনের পরিচয় সামনে এসেছে। সঙ্গে ছিল, হুগলির ব্যান্ডেলের জিঞ্জিরা বাজারের বাসিন্দা মিন্টু দলুই নামে এক যুবক ও বড়িশার কৈলাস ঘোষ রোডের বাসিন্দা পার্থ দাস নামে আরেক যুবক।

    কে এই মিন্টু ও পার্থ? পাচারচক্রেও কি তারা জড়িত? বেহালার সঙ্গে মন্দারমণির যোগ তুলে দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

    First published: