• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • A TUNNEL LIKE STRUCTURE DISCOVERED AT THE DELHI LEGISLATIVE ASSEMBLY BUT MISINFORMATION TO LALBAZAR SB

Tunnel in Delhi Assembly | Lalbazar: দিল্লি বিধানসভায় মিলল বিরাট গোপন সুড়ঙ্গ, শোরগোল পড়ল লালবাজারে! কেন?

এই সেই সুড়ঙ্গ

Tunnel in Delhi Assembly | Lalbazar: দিল্লি বিধানসভায় একটি সুড়ঙ্গ আবিষ্কার হতেই তা একটি বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় (West Bengal Assembly) সুড়ঙ্গ আবিষ্কার বলে প্রচারিত হতে থাকে। সেই 'ভুলের' বশেই নড়েচড়ে বসে লালবাজার (Lalbazar)।

  • Share this:

    #কলকাতা: দিল্লি বিধানসভায় (Delhi Assembly) খোঁজ মিলল গোপন সুড়ঙ্গের। আর সেই কারণে চাঞ্চল্য ছড়াল কলকাতায়। কিন্তু কেন? জানা গিয়েছে, দিল্লি বিধানসভায় একটি সুড়ঙ্গ আবিষ্কার হতেই তা একটি বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় (West Bengal Assembly) সুড়ঙ্গ আবিষ্কার বলে প্রচারিত হতে থাকে। সেই 'ভুলের' বশেই নড়েচড়ে বসে লালবাজার (Lalbazar)। এরপরই কলকাতা পুলিশের সদর দফতর থেকে ফোন যায় বিধানসভায়। তবে লালবাজারকে আশ্বস্ত করে বিধানসভা। এরপরই হাঁফছেড়ে বাঁচেন লালবাজার কর্তারা।

    কিন্তু দিল্লি বিধানসভা চত্বরে ঠিক কী হয়েছে? জানা গিয়েছে, দিল্লি বিধানসভা চত্বরে একটি টানেলের মতো কাঠামো আবিস্কৃত হয়েছে। সেই টানেল বহু পুরনো এবং এতদিন তা ছিল লোকচক্ষুর আড়ালে। দিল্লি বিধানসভার অধ্যক্ষ রাম নিবাস গোয়েল বলেন, 'এই লুকোনো সুড়ঙ্গটি দিল্লি বিধানসভা থেকে লালকেল্লা পর্যন্ত বিস্তৃত। স্বাধীনতা সংগ্রামী বন্দিদের লুকিয়ে লালকেল্লার আদালতে পাঠানোর জন্যই ব্রিটিশ শাসকরা এই সুড়ঙ্গ ব্যবহার করত বলে মনে করা হচ্ছে।'

    আরও পড়ুন: চাকরিপ্রার্থীদের ২০ হাজার টাকা করে দেবেন পর্ষদ সভাপতি! প্রশ্ন-ভুলে বেনজির রায়!

    অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি। দিল্লি বিধানসভায় বেশ কিছু সুড়ঙ্গ আছে, লোকমুখে এ কথা বহুদিন ধরেই প্রচারিত হয়েছে। অবশেষে তেমন একটি সুড়ঙ্গের খোঁজ মিলল। রাম নিবাস গোয়েলের আরও দাবি, তিনি যখন ১৯৯৩ সালে প্রথমবার বিধায়ক হয়েছিলেন তখনই এই সুড়ঙ্গের কথা শুনেছিলেন। কিন্তু সেই সুড়ঙ্গের ইতিহাস জানা সম্ভব হয়নি। অবশেষে শুক্রবার সেই সুড়ঙ্গ আবিষ্কৃত হল। কিন্তু সেই সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবেশ তেমন সম্ভব নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ মেট্রোরেলের সুড়ঙ্গ এবং সুয়ারেজ সিস্টেমের সুড়ঙ্গ খোঁড়ার জন্য এই সুড়ঙ্গটির অনেকটাই ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ১৯১২ সালে ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত হয়েছিল। দিল্লি বিধানসভার বর্তমান ভবনটি ব্রিটিশরা কেন্দ্রীয় আইনসভা হিসেবে ব্যবহার করত তখন। আর তখনই এই সুড়ঙ্গটি ব্রিটিশরা ব্যবহার করত বন্দি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আদালতে আনার জন্য। জানা গিয়েছে, দিল্লি বিধানসভায় ফাঁসির মঞ্চও ছিল। তবে সেই ফাঁসির মঞ্চ থাকা ঘরটি এখনও বন্ধ অবস্থাতেই পড়ে রয়েছে। তবে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে দেশের বীর সন্তান স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণে ওই ঘরটিকে সংগ্রহশালায় পরিণত করা হবে।
    Published by:Suman Biswas
    First published: