পুজোর আলো ঝলমলে দিনগুলিতে মায়ের এখানে নির্জনবাস

মায়ের আবাহন নেই, বিসর্জনও নেই। জনবসতি থেকে অনেকটা দূরে নিরালায় একান্তে মায়ের অবস্থান।

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 18, 2019 09:04 PM IST
পুজোর আলো ঝলমলে দিনগুলিতে মায়ের এখানে নির্জনবাস
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 18, 2019 09:04 PM IST

#কলকাতা: মায়ের আবাহন নেই, বিসর্জনও নেই। জনবসতি থেকে অনেকটা দূরে নিরালায় একান্তে মায়ের অবস্থান। পূজার চারদিন দশভুজার আরাধনায় যখন মেতে ওঠে বাংলার ঘরে ঘরে ।সেই সময় গেরস্থালি তখন নির্জন বেদী তলে ‘মা দুর্গা মণি’র একান্ত নির্জন বাস। পূজার দিন গুলিতে মা পূজিত হন না। যে কদিন অসুর দলনীর পূজা হয় সেই কদিন মা দুর্গা মণি পূজিত হন না। লোককথা অনুযায়ী জাম্বনির চিল্কিগড় রাজ পরিবারের ‘মা কনক দুর্গা’র পূজার সময় লোধা – শবর, আদিবাসি মানুষদের পুজায় অংশ গ্রহণ নিয়ে রাজ পরিবারের সঙ্গে জঙ্গল খণ্ডের লোধা – শবর, আদিবাসি সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে রাজ সেনার যুদ্ধ বাঁধে। সেই যুদ্ধে লোধা – শবর মানুষেরা পরাজিত হয়ে জঙ্গলে আশ্রয় নেয়। জঙ্গলে আশ্রয় নেওয়ার পর জঙ্গলের এক প্রান্তে ‘মা কনক দুর্গা’র অংশ স্বরূপ ‘মা দুর্গা মণি’ নাম দিয়ে পূজো আর্চনা শুরু হয়।

পুজো শুরুর পরেই মা স্বপ্নে আদেশ দেন লোধা – শবর মানুষের হাতেই তিনি পূজিত হবেন। প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ বছরের বেশি সময় ধরে দেহুরি উপাধিধারী লোধা – শবর সম্প্রদায়ের মানুসজনের হাতেই পূজিত হয়ে আসছেন ‘মা দুর্গা মণি’। ‘মা দুর্গা’ পূজার সময়ে পূজা না পেলেও মাঘ মাসে মকর সংক্রান্তির পরের দিন এখান যাত্রার সময় মহাসমারোহে মা দুর্গা এখানে সব সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে পূজা পান। পরবর্তী কালে ‘মা দুর্গা মণি’ আরও এক অংশে বিভাজিত হয়ে যান। একটি অংশ ভাগ হয়ে জাম্বনির সানগ্রামে এবং মায়ের আর একটি অংশের ভাগের অধিকারি হন জুগিবাঁধ মৌজার মানুষজনেরা। ঝাড়গ্রাম শহর থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে কুশবনি জঙ্গল লাগোয়া বনপুকুরিয়া শবর পাড়ার জমির মধ্যে গাছের নিচে মায়ের আবাসভূমি।

First published: 09:04:56 PM Sep 18, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर